বাংলা একাডেমীর পঁয়ত্রিশতম বার্ষিক সাধারণ সভা গতকাল শুক্রবার একাডেমী প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হয়। এ বছর দেশের বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ১০ জন কৃতী ব্যক্তিত্বকে বাংলা একাডেমী সম্মানসূচক ফেলোশিপ প্রদান করা হয়। ফেলোশিপপ্রাপ্তরা হচ্ছেন : বিচারপতি তাফাজ্জাল ইসলাম (বিচার ব্যবস্থাপনায় বিশেষ অবদানের জন্য), মুর্তজা বশীর (চিত্রকলায়), প্রাণ গোপাল দত্ত (চিকিত্সা, চিকিত্সা-প্রশাসন ও সমাজসেবায়), মহিউদ্দিন আহমেদ (গ্রন্থ-উন্নয়ন ও প্রকাশনা শিল্পের প্রসার ও বিকাশে), মহীউদ্দীন খান আলমগীর (গবেষণায়), রুনা লায়লা (সংগীতে), সাবিনা ইয়াসমীন (সংগীতে), রামকানাই দাস (সংগীতে), এম সাইদুজ্জামান (অর্থ ব্যবস্থাপনায়) এবং আতিউর রহমান (অর্থ ব্যবস্থাপনা ও সংস্কৃতি চর্চায়)। ফেলোশিপপ্রাপ্তদের হাতে সম্মাননাপত্র, সম্মাননা-স্মারক ও ফুলেল শুভেচ্ছা তুলে দেন বাংলা একাডেমীর সভাপতি অধ্যাপক আনিসুজ্জামান এবং মহাপরিচালক শামসুজ্জামান খান।
সাধারণ সভায় ৩৪তম বার্ষিক সাধারণ সভার কার্যবিবরণী সারাদেশ থেকে আগত একাডেমীর ফেলো, জীবনসদস্য এবং সদস্যদের সম্মতিক্রমে অনুমোদন ঘোষণা করেন সভাপতি অধ্যাপক আনিসুজ্জামান।
বাংলা একাডেমীর মহাপরিচালক শামসুজ্জামান খান ২০১১-২০১২ সালের বার্ষিক প্রতিবেদন উপস্থাপন করে বলেন, ভাষা আন্দোলনের চেতনাপ্রবাহের অবিচ্ছিন্ন ফসল বাঙালি জাতীয়তাবাদ ও বাংলা একাডেমী। বাংলা একাডেমীর প্রতিষ্ঠা বাংলাদেশ রাষ্ট্রকাঠামোর উদ্ভব ও বিকাশের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। তিনি বলেন, বাংলা একাডেমীকে একবিংশ শতাব্দীর উপযোগী নিবিড় গবেষণাকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার দীর্ঘমেয়াদী লক্ষ্য বাস্তবায়নে আমরা কাজ করে যাচ্ছি।
