কুমিল্লায় চাঞ্চল্যকর জামাল ও বাশার হত্যা রহস্য উদঘাটন

আপডেট : ২৯ এপ্রিল ২০১৯, ২১:৫৮

কুমিল্লা প্রতিনিধি

কুমিল্লায় চাঞ্চল্যকর সৈয়দ জামাল ও আবুল বাশার হত্যাকাণ্ডের প্রায় তিন বছর পর রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেষ্টিগেশন (পিবিআই)। সোমবার দুপুরে কুমিল্লা পিবিআই কার্যালয়ে প্রেস ব্রিফিংয়ে হত্যা রহস্য উদঘাটনের বিষয়ে জানান, পিবিআই কুমিল্লা ইউনিটের ইনচার্জ ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ ওসমান গনি।    

তিনি জানান, ওই দুই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত করে ১২ মামলার আসামি আনিছ ও তার সহযোগী চার মামলার আসামি শহীদসহ পাঁচজন। এদের মধ্যে আনিছ ও শহীদকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আনিছ আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। সে আদালতকে বলেছে, মাদক ব্যবসার দ্বন্দ্বে সৈয়দ জামালকে এবং জামাল খুনের ঘটনা দেখে ফেলায় ২৫ দিন পর দারোয়ান আবুল বাশারকে (সাক্ষী) খুন করা হয়।

পিবিআই কুমিল্লা ইউনিট ইনচার্জ ওসমান গনি আরো জানান, ২০১৬ সালের ১৪জুন কুমিল্লার সদর দক্ষিণ উপজেলার বল্লভপুর এলাকার একটি ব্রিকফিল্ডের পেছন থেকে ‘স’ মিল মিস্ত্রি সৈয়দ জামালের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এর ২৫ দিন পর ৯ জুলাই ওই ব্রিকফিল্ডের দারোয়ান আবুল বাশারকে তার অফিস কক্ষে গলা কেটে হত্যা করা হয়। সৈয়দ জামাল হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় তার স্ত্রী শাহীনা বেগম ও দারোয়ান আবুল বাশার হত্যার ঘটনায় তার স্ত্রী রোকেয়া বেগম বাদী হয়ে থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলা দুটি চাঞ্চল্যকর মামলার তালিকায় নিয়ে তদন্তের জন্য পুলিশ সদর দপ্তর হতে পিবিআই কুমিল্লাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়। তিনি জানান, অজ্ঞাত আসামি ও ক্লুলেস এ দুটি মামলা গ্রহণের পর গত শনিবার বল্লভপুর গ্রামের মৃত শফিক মিয়ার ছেলে আনিছকে প্রথমে সন্দেহভাজন আসামি হিসেবে মুরাদনগর থেকে আটক করা হয়। রবিবার সন্ধ্যায় আনিছ কুমিল্লা সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ইরফানুল হক চৌধুরীর আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়। এ ঘটনায় ইতোপূর্বে পুলিশের হাতে আটক শহীদ জেলহাজতে রয়েছে। তাকেও রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। ঘটনায় জড়িত অপর আসামিদের গ্রেফতারে চেষ্টা চলছে বলেও জানান তিনি।