নিবন্ধন পেতে নতুন করে ২৭ রাজনৈতিক দল নির্বাচন কমিশনে (ইসি) আবেদন করেছে। গতকাল সোমবার ছিল আবেদনের শেষ দিন। এছাড়া কয়েকটি দল নিবন্ধনের সময়সীমা বৃদ্ধির জন্য আবেদন করলেও ইসি বলছে, নিবন্ধন পেতে আর সময় বাড়ানো হবে না।
গতকাল শেষ দিনে আবেদনকৃত দলগুলো হচ্ছে-বাংলাদেশ মুসলিম লীগ, গণ অধিকার পার্টি, পিপলস ডেমোক্রেটিক পার্টি, নিউ সংসদ লীগ, বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট ফ্রন্ট, বাংলাদেশ জাতীয় দল, বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোট, গণসেবা আন্দোলন, বাংলাদেশ জনতা দল, বাংলাদেশ ইসলামিক পার্টি, বাংলাদেশ ডেমোক্রেটিক পার্টি, বাংলাদেশ পিপলস লীগ, গণতান্ত্রিক ইসলামিক মুভমেন্ট, মুক্ত রাজনৈতিক আন্দোলন, গণশক্তি দল, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল, বাংলাদেশ আঞ্জুমানে আল ইসলাম, বাংলাদেশ তৃণমূল লীগ, বাংলাদেশ প্রবাসী দল, জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা গণতান্ত্রিক ঐক্য ফ্রন্ট, পাবলিক পার্টি, সম্মিলিত গণতান্ত্রিক পার্টি, বাংলাদেশ ইসলামিক পার্টি, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম ও নেজামে ইসলাম পার্টি, মাতৃভূমি দল বাংলাদেশ, জন গণতান্ত্রিক দল, বাংলাদেশ গণ অধিকার দল ও বাংলাদেশ বাম ফ্রন্ট। আবেদনকারী দলগুলোর সার্বিক তথ্য যাচাই বাছাই শেষে আগামী ফেব্রুয়ারিতে দলগুলোর নিবন্ধন দেয়া হবে।
প্রায় ৪ বছর পর গত ২৩ অক্টোবর নতুন রাজনৈতিক দলের নিবন্ধনের জন্য গণবিজ্ঞপ্তি জারি করে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। দশম সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে ইচ্ছুক নতুন দলগুলোকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত নিবন্ধনের জন্য আবেদনের সুযোগ দেয়া হয়। মূলত নির্বাচনের আগ মুহূর্তে হঠাত্ নতুন রাজনৈতিক দল গজিয়ে ওঠা বন্ধ করতে আগেভাগেই এই সিদ্ধান্ত নেয় ইসি।
শর্ত শিথিলে আদালতে দু’টি রিট
রাজনৈতিক দলের নিবন্ধনের জন্যে কতিপয় শর্তের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে পৃথক দুটি রিট আবেদন দায়ের করা হয়। হাইকোর্ট গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশের সংশ্লিষ্ট বিধানগুলো কেন সংবিধান বহির্ভূত ও অবৈধ ঘোষণা করা হবে না এই মর্মে রুল জারি করে। বিএনপির বহিষ্কৃত নেতা ব্যারিস্টার নাজমুল হুদাসহ সাতজন এবং ডেমোক্রেটিক লীগের সাধারণ সম্পাদক সফিউদ্দিন আহমেদ মনি পৃথক এ রিট আবেদন করেন।
