রেলওয়ের বিভিন্ন পদে চাকরি দেয়ার কথা বলে এবং ভুয়া নিয়োগপত্র দিয়ে প্রায় ১৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। মোনারুল ইসলাম (২৮) নামের ওই ব্যক্তি কুড়িগ্রামের রাজীবপুর উপজেলার নদীবিচ্ছিন্ন কোদালকাটি ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামের বেকার যুবকদের কাছ থেকে ওইসব টাকা হাতিয়ে নেন বলে অভিযোগ। ভুক্তভোগী বেকাররা অভিযোগ করেছেন, ৩ মাস আগে তাদের কাছে টাকা গ্রহণের পর ওই ব্যক্তির কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না।
প্রতারিত রাজীবপুর উপজেলার কোদালকাটি ইউনিয়নের চরসাজাই মণ্ডলপাড়া গ্রামের হানিফ উদ্দিনের পুত্র আব্দুল আলীম অভিযোগ করে বলেন, ‘প্রথমে তিনি ৭০ হাজার টাকা দেন। পরে আরো ১ লাখ ২৫ হাজার টাকা দিয়ে নিয়োগপত্র গ্রহণ করেন। গত ২৬ ডিসেম্বর চাকরিতে যোগদানের নিয়োগপত্র নিয়ে রেলওয়ে ঢাকা অফিসে গিয়ে বুঝতে পারি এই নিয়োগপত্র ভুয়া। নিয়োগপত্রে রেলওয়ে বিভাগের ডেপুটি সেক্রেটারি হিসেবে যে সালেহ আহম্মেদের নাম রয়েছে তার কোনো খোঁজই পাইনি। ওই নামে রেলওয়ে বিভাগে কেউ নেই।’
ইব্রাহিম নামের আরেক যুবক অভিযোগ করেন বলেন, ‘আমিও ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা দিয়েছি। আমাকে নিয়োগপত্র দেবে এই কথা বলে সে পালিয়ে গেছে। তাকে ধরার জন্য গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায় গিয়েও তার দেখা পাইনি।’ এভাবে আমিনুর রহমান, শাহজাহান মিয়া, রাজু আহম্মেদ ও আখের আলীর কাছ থেকে এক থেকে দেড় লাখ টাকা করে হাতিয়ে নেয়। এ ব্যাপারে অভিযুক্ত মোনারুল ইসলাম সাজুর মোবাইল বন্ধ পাওয়ায় তার বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।
