মেধাবী তরুণের এগিয়ে যাওয়া

আপডেট : ০৪ জানুয়ারি ২০১৩, ১৯:৪৩
এ সময় তরুণদের পড়াশোনার বিষয় হিসেবে এয়ারক্রাফট মেইনটেনেন্স ইঞ্জিনিয়ারিং রয়েছে শীর্ষে। কারণ একজন অ্যারোস্পেস ইঞ্জিনিয়ার বিভিন্ন এয়ারলাইন্সের চাকরির আমন্ত্রণের মধ্য হতে নিজের পছন্দমতো প্রতিষ্ঠান নির্বাচন করার সুযোগ পেয়ে থাকেন। বিশ্বজুড়ে এই শিল্পে পদের তুলনায় দক্ষ অ্যারোস্পেস ইঞ্জিনিয়ার প্রফেশনালদের অপ্রতুলতার কারণে শিক্ষাজীবনের শেষ বর্ষে অধ্যয়নরতদের চাকরিতে নিয়োগ দিয়ে থাকে বিভিন্ন এয়ারলাইন্স কোম্পানি। ফলে শিক্ষার্থীরা দ্রুত উচ্চ আয়ের পেশাদারী জীবন শুরু করার সুযোগ পায়। সুখবর হলো এ পেশায় এ দেশের তরুণরাও পিছিয়ে নেই। এই খাতে সফলতার পথে অনেক দূর এগিয়ে গেছে বাংলাদেশের তরুণ শিক্ষার্থী আরাফাত রোমিও। এইচএসসি পাস করে সে উত্তরার এগার নম্বর সেক্টরে দুই নম্বর রোডে চৌদ্দ নম্বর প্লটে অবস্থিত কলেজ অব এভিয়েশন টেকনোলজিতে অ্যারোনটিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ভর্তি হয়েছিলেন। বর্তমানে তিনি আমেরিকার উইসিটা স্টেট ইউনিভার্সিটিতে অ্যারোনটিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে মাস্টার্স করছেন। এখন শুধু তার সামনে এগিয়ে যাওয়ার সময়। এ প্রসঙ্গে আরাফাত রোমিও বলেন, ‘পরিবর্তিত বিশ্বে সম্মানজনক ও সম্ভাবনাময় পেশাদারিত্ব অর্জন করতে হলে কী বিষয় নিয়ে লেখাপড়া করতে হবে এই চিন্তা এখনকার প্রায় সব তরুণদের করতে হয়। আর এই ভাবনাটা বেশি করতে হয় এইচএসসি’র পর। চ্যালেঞ্জিং বিষয় হিসেবে অনেকের মতো আমিও এভিয়েশন সেক্টরের অ্যারোনটিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংকে পেশা হিসেবে গ্রহণ করার চিন্তা করেছিলাম। এভাবেই এইচএসসি পাস করে জানতে পারলাম কলেজ অব এভিয়েশন টেকনোলজিতে এই বিষয়ে পড়ালেখা করার সুযোগ আছে। প্রতিষ্ঠানটি সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে যোগাযোগ করেছিলাম ৮৯৯১৩৭১ এই নম্বরে। এরপর সেখান থেকে অ্যারোনটিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ভর্তি হয়ে আমেরিকার উইসিটা স্টেট ইউনিভার্সিটিতে অ্যারোনটিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে মাস্টার্স করছি। এখন আমার জন্য সামনে এগোনোর অবারিত সুযোগ।’ অ্যারোস্পেস ইঞ্জিনিয়ারদের সাধারণত কী ধরনের দায়িত্ব পালন করতে হয়—প্রশ্নের উত্তরে রোমিও জানায়, ‘অ্যারোস্পেস ইঞ্জিনিয়ারের কাজের ক্ষেত্রটা বিশাল। এয়ারক্রাফটের নিত্য নতুন ডিজাইন উন্নয়ন, রক্ষণাবেক্ষণ, পরীক্ষা পর্যবেক্ষণ, এয়ারফ্রেম ইঞ্জিন তৈরি, আনুষাঙ্গিক যন্ত্রপাতির সংযোগ স্থাপন, মেরামত প্রভৃতি করা একজন অ্যারোস্পেস ইঞ্জিনিয়ারের কাজ। এ ছাড়াও এয়ারক্রাফটের ফ্লাইট টেস্ট প্রোগ্রামে টেক অব ডিস্টেন্স, রেট অব ক্লাইম্ব, সিল স্পিড, ম্যানুভারিলিটি অ্যান্ড ল্যান্ডিং ক্যাপাসিটি প্রভৃতি পর্যবেক্ষণ করে থাকেন। সর্বোপরি উড়োজাহাজের যান্ত্রিক নিরাপত্তা একজন অ্যারোস্পেস ইঞ্জিনিয়ার নিশ্চিত করে থাকেন।’