পোশাক শিল্পে নিজের ভবিষ্যত্

আপডেট : ০৪ জানুয়ারি ২০১৩, ১৯:৪৪
দেশের রফতানি আয়ের সবচেয়ে বড় অংশ (শতকরা ৮০ ভাগ) আসে তৈরি পোশাক তথা বস্ত্রখাত থেকে। এখাত বাংলাদেশের জন্য নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করেছে। ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ফ্যাশন টেকনোলজি এরই মধ্যে ফ্যাশন ডিজাইন ও পোশাকশিল্প খাতে আশার সঞ্চার করেছে। স্নাতকোত্তর পর্যায়ে এ শিক্ষা কার্যক্রম চালু করার সিদ্ধান্ত ফ্যাশন ও ডিজাইন বিষয়ে সঠিক জ্ঞান ও দক্ষতা অর্জনের সুযোগ করে দেবে, যা আমাদের দেশের গার্মেন্টস-টেক্সটাইল শিল্পকে সমৃদ্ধশালী করবে, সৃষ্টি করবে উন্নততর চাকরির সুযোগ। প্রতিযোগিতামূলক বিশ্ববাজারে বস্ত্রশিল্পকে টিকে থাকতে হলে বস্ত্র প্রযুক্তিবিদের কোনো বিকল্প নেই। এনআইএফটি শিল্পখাতের ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণে মানসম্পন্ন শিক্ষা ও উন্নততর ব্যবস্থাপনা কৌশল অর্জনকারী ইঞ্জিনিয়ার, টেকনোলজিস্ট গড়ে তুলবে। এমবিএ ইন অ্যাপারেল মার্চেন্ডাইজিং এমবিএ হচ্ছে আন্তর্জাতিকভাবে পরিচালিত সারাবিশ্বব্যাপী একটি আধুনিক শিক্ষা প্রোগ্রাম। যারা এমবিএ ডিগ্রি অর্জন করতে পারে, তাদের ক্যারিয়ার বিকাশের রয়েছে প্রচুর সম্ভাবনা। এমবিএ শুধু প্রতিযোগিতামূলক চাকরির বাজারেই কেবল ভালো চাকরি পেতে সহায়তা করে না, এটা নিজের দক্ষতা বৃদ্ধির মাধ্যমে সফল পরিচালনাকারী হিসেবে প্রতিষ্ঠিতও করে। বাংলাদেশে পোশাক শিল্প অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করছে। কয়েক হাজার টেক্সটাইল কারখানাসহ এখানে রয়েছে এখন সাড়ে চার হাজারেরও বেশি পোশাক প্রস্তুতকারক কারখানা, পাঁচ হাজারের কাছাকাছি বায়িং হাউস, অসংখ্য ফ্যাশন হাউস ও বুটিক হাউস প্রভৃতি। এমবিএ ইন অ্যাপারেল মার্চেন্ডাইজিং করা থাকলে এসব প্রতিষ্ঠানে কাজের ব্যাপক সুযোগ রয়েছে। যা শেখানো হয় :প্রফেশনাল এমবিএ-তে ১ম বছরে মার্চেন্ডাইজিং সম্পর্কিত ৩০ ক্রেডিট, ২য় বছরে ব্যবসায় প্রশাসন মার্চেন্ডাইজিং সম্পর্কিত ৩০ ক্রেডিট ও ইন্টার্নি ২ ক্রেডিটসহ মোট ৬২ ক্রেডিটের কোর্স সম্পন্ন করতে হয়। কোর্সের মেয়াদ :মাসে ১ সেমিস্টার করে মোট ৪ সেমিস্টার, ২ বছরেই কোর্স সমাপ্ত করা হয়। এসএসসি বা এইচএসসি ও ডিগ্রি বা অনার্স পরীক্ষার রেজাল্টের ভিত্তিতে স্কলারশিপ দিয়ে টিউশন ফি নির্ধারণ করা হয়। যে সকল ছাত্রছাত্রী নিয়মিতভাবে ক্লাসে উপস্থিত থাকবে এবং পরীক্ষায় কৃতকার্য হবে, তাদেরকে সরাসরি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক সার্টিফিকেট প্রদান করা হবে। আবেদনের যোগ্যতা :এসএসসি, এইচএসসি, ডিগ্রি বা অনার্স সকল পরীক্ষায় ন্যূনতম দ্বিতীয় বিভাগ বা জিপিএ-২.৫ থাকতে হবে। যেসকল ছাত্রছাত্রীর ফলাফল ভালো, তারা স্কলারশিপের জন্য আবেদন করতে পারবেন। এ বিষয়ে আরও জানতে যোগাযোগ করতে পারেন ০১৭৩১২২০০৯৯, ০১৯৭১৩৩৯৯৯৯ এই নম্বরে। আয় রোজগার :প্রাথমিক অবস্থায় ছাত্রছাত্রী যেকোনো প্রতিষ্ঠানেই ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা বেতনে নিজেদের নিয়োজিত করতে পারে। শিক্ষার্থীর বেতন ৫ থেকে ৬ বছরের মধ্যে ৭০-৯৫ হাজার টাকায় উন্নীত হয়। কোথায় পড়বেন :হাতেগোনা দু’একটি বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এসব বিষয়ে ডিগ্রি প্রদান করছে। এরমধ্যে অন্যতম হচ্ছে ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ফ্যাশন টেকনোলজি। আধুনিক ক্যাম্পাস, দক্ষ ফ্যাকাল্টি, উন্নত পরিচালনা পর্ষদসহ সব সুবিধা রয়েছে এনআইএফটিতে। যোগাযোগ :১৪৬, ওয়ারলেস গেট মহাখালী, ঢাকা।