৫ জন ভিনদেশি

তরুণ কৃষিবিদ

আপডেট : ০৬ জানুয়ারি ২০১৩, ২০:৩৯
পৃথিবীতে অনেক ধরনের পেশার মধ্যে কৃষিকাজ থেকে প্রতিদিনই আমরা পাচ্ছি হাজারো সুবিধা। শুধু আমাদের দেশে নয়, বিশ্বের প্রায় সব দেশেই এই পেশাটির গুরুত্ব অনেক বেশি। আর এর সাথে জড়িয়ে আছে হাজারো মেধাবী তরুণ-তরুণী। এমনই কয়েকজন তরুণ কৃষিবিদদের নিয়ে আমাদের আজকের আয়োজনটি লিখেছেন প্রাঞ্জল সেলিম জু ভে ই ন জুভেইন একজন কোরডিনেটর হিসেবে কাজ করছেন দীর্ঘদিন ধরে। তিনি অরিগন স্টেট ইউনিভার্সিটি থেকে পড়াশোনার পাঠ শেষ করেন। তিনি কৃষিবিদ হিসেবে বেশ জনপ্রিয়তা অর্জন করেন খুব অল্প বয়সেই। তিনি খুব হাস্যরস প্রিয় মানুষ। সবার সাথে মিলে মিশে থাকতে পছন্দ করেন। তার কাছে কৃষি বিষয়টি খুব মজাদার একটা ব্যাপার। তিনি ১৬ বছর বয়স থেকে এই বিষয় নিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন আরও ভালো কিছু করার জন্য। বর্তমানে তিনি ‘ইয়ং প্রফেশনাল প্ল্যাটফর্ম ফর এগরিকালচারাল রিসার্চ ফর ডেভেলপমেন্ট (ওয়াইপিআরডি)’ প্রতিষ্ঠানের জুরিখ শাখায় কাজ করছেন। ---- ক্রি স্টো ফা র জো ন স জোনসের বয়স ৩০ বছর। তিনি নিজের পরিচয় দিতে গিয়ে বলেন, তিনি একজন কৃষক। তিনি কৃষিবিদ্যায় পড়াশোনা করেছেন। কৃষিবিদ হিসেবে তার পরিচিতিও আছে। তার স্ত্রী ও তিনি মিলে একটি কৃষি ফার্ম চালান। বেশ ভালোই চলছে তাদের। মেরিনা কৃষি উইনিভার্সিটি থেকে তিনি পাস করেছেন। এরপর বাবার ব্যবসা দেখাশোনা করতেন। কিন্তু খুব বেশিদিন তার সেখানে মন টেকেনি। তিনি সোজা জানিয়ে দেন, ব্যবসা করবেন না। জড়িয়ে পড়েন কৃষি শিল্পের সাথে। তার স্ত্রীর সাথে মিলে স্থাপন করেন এগ্রিকালচারাল ফার্ম। --- ম র গ্যা ন হ বি ন ব্যবসা শিক্ষা নিয়ে পড়াশোনা করতেন। হঠাত্ করেই সবাইকে অবাক করে দিয়ে ঘোষণা দিলেন তিনি আর এই বিষয় নিয়ে পড়াশোনা করবেন না। তার বাবা-মাও ছেলের সিদ্ধান্তে অবাক। আরও অবাক হলেন যখন জানতে পারলেন ছেলে কৃষিবিজ্ঞান নিয়ে পড়াশোনা করতে আগ্রহী। ব্যাপারটা অবাক করার মতোই কারণ তিনি কখনই এই বিষয় নিয়ে আগ্রহী ছিলেন না। তার আগ্রহ মূলত সৃষ্টি হয় তার তিন বন্ধুর কারণে। তাদের কাছ থেকে জানতে পারেন এই বিদ্যার কথা। শেখেন আরও অনেক কিছুই। মার্ল গ্রোভ হাই স্কুল থেকে কৃষি বিজ্ঞানে পড়াশোনা শেষ করেন তিনি। --- জে নি জ্যা ক তরুণ কৃষিবিদ হিসেবে জেনি বেশ জনপ্রিয়। ‘হাই টেক ফার্মার কুইন’ হিসেবেও জনপ্রিয় তিনি। এর আরও একটি কারণ হলো, কৃষিকাজে তার সাথে অন্যদের পার্থক্য। তিনি ব্যাপারটিকে খুব সহজ করে দিয়েছেন। তিনি মনে করেন, কৃষি কাজের ব্যাপারে একেক জনের কাছে একেক রকম ধারণা আছে। তিনি তার মত করে কাজ করতে পছন্দ করেন। এটা নিয়ে চিন্তা-ভাবনা করেন। ব্যাপারটিকে আরও সহজ করে তোলার একটি পন্থা সব সময়ই বের করার চেষ্টা করেন। তিনি, ‘ফিউচার ফার্মার অব আমেরিকা’ ন্যাশনাল পুরস্কার জিতছিলেন। --- ট ম ভি ল স্যা ক এগরিকালচারাল ইনস্টিটিউটের একজন সেক্রেটারি হিসেবে কাজ করছেন তিনি। তিনি এ কাজ করার আগে একজন কৃষক ছিলেন। ‘মিডসাইজ’ নামের একটি ফার্মে কাজ করতেন তিনি। খুব কম বয়সেই তিনি কৃষিবিজ্ঞানে পড়াশোনা শেষ করেন। এরপর যোগ দেন খামারের কাজে। তিনি একসময়বর্তমানে তিনি প্রায় ১৮ মিলিয়ন ডলার ইনভেস্ট করেন কৃষিখাতে। এই খাতে তার অবদান উল্লেখ করার মতো। তবে তিনি খুব সাধারণ জীবনযাপন করতে পছন্দ করেন। বেশিরভাগ সময় তার কাজ নিয়ে ব্যাস্ত থাকেন তিনি। সুযোগ পেয়ে যান সেই ফার্মেরই সাথে কাজ করার।