১৮ দলের ডাকা হরতালের আগের রাতে রাজধানীতে গাড়ি পোড়ানো ও বোমা বিস্ফোরণের ঘটনায় পৃথকভাবে ৯টি মামলা হয়েছে। এসব মামলায় জ্ঞাত ও অজ্ঞাত মিলে শতাধিক ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে। গুলশান এভিনিউয়ে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকের পাশে বিএনপি নেতা আব্দুল আউয়াল মিন্টুর বাড়ির সামনে একটি পরিবহন বাস জ্বালিয়ে দেয়ার ঘটনায় গাড়ির মালিক স্বপন বাদী হয়ে গুলশান থানায় একটি মামলা করেছেন। এই মামলায় যুবদলের সভাপতি মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি হাবিবুন নবী খান সোহেল, ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রশিদ, যুবদলের সহ-সভাপতি হামিদুর রহমান আজাদসহ বিএনপি ও এর অঙ্গ সংগঠনের ১৮ জন নেতার নাম উল্লেখ করা হয়েছে। মামলায় আরো বলা হয়েছে, হরতাল সমর্থনকারীরা গুলশানে বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা আব্দুল আউয়াল মিন্টুর বাড়ির সামনে গাড়িটি জ্বালিয়ে দিয়েছে।
সিটি কলেজের সামনে বিহঙ্গ পরিবহনের একটি বাস জ্বালিয়ে দেয়ার ঘটনায় এসআই রাশেদুল ইসলাম বাদী হয়ে দায়ের করা মামলায় ছাত্রদলের ১২ জন নেতা-কর্মীর নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত ৪০ জনকে আসামি করা হয়েছে। আজিমপুর গার্লস কলেজের সামনে বাস পুড়িয়ে দেয়ার ঘটনায় এসআই সরোয়ার বাদী হয়ে করা মামলায় বিএনপির ৩৪ জন নেতা-কর্মীর নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরো ১০ জনকে আসামি করা হয়েছে। ঢাকা আদালত প্রাঙ্গণের পাশে ভিক্টর পরিবহনের একটি বাসে আগুন দেয়ার ঘটনায় এসআই ওয়াসিম আহমেদ জনি বাদী হয়ে কোতোয়ালি থানায় বিএনপির ৩৫ জনের নাম উল্লেখ করে একটি মামলা করেছেন। মিরপুরে বাস পোড়ানোর ঘটনায় এসআই কামরুল ইসলাম বাদী হয়ে অজ্ঞাত ২০/২৫ জনকে আসামি করে মিরপুর থানায় একটি মামলা করেছেন। শনিবার রাতে কাফরুলের ইব্রাহিমপুর এলাকায় হরতাল সমর্থনকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষের ঘটনায় এসআই রকিবুল আহসান বাদী হয়ে দ্রুত বিচার আইনে একটি মামলা করেছেন। এই মামলায় জ্ঞাত ১৫ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত ১০ জনকে আসামি করা হয়েছে। রমনা পার্কের সামনে গ্লোব ফার্মাসিটিউক্যালসের একটি কাভার্ড ভ্যান জ্বালিয়ে দেয়ার ঘটনায় ঐ প্রতিষ্ঠানের পরিবহন কর্মকর্তা হাসানুজ্জামান বাদী হয়ে রমনা থানায় একটি মামলা করেছেন। এই মামলায় অজ্ঞাত ১৫/২০ জনকে আসামি করা হয়েছে। এছাড়া বনানী ও তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানায় হরতাল সমর্থনে গাড়ি জ্বালানোর ঘটনায় ২টি মামলা হয়েছে।
