নদী রক্ষায় জাতীয় কমিশন হচ্ছে

আপডেট : ০৭ জানুয়ারি ২০১৩, ২১:২৭
মন্ত্রিসভা দেশের নদ-নদী রক্ষায় জাতীয় নদী রক্ষা কমিশন আইনের খসড়া চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে। গতকাল সোমবার দুপুরে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে এ অনুমোদন দেয়া হয়। বৈঠকে শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব সাংবাদিকদের জানান, এ আইনের আওতায় সরকার কমিশনে তিন বছর মেয়াদি একজন চেয়ারম্যান ও নদী, পরিবেশ, নদী জরিপ ও আইনে (মানবাধিকার) চার বিশেষজ্ঞ নিয়োগ দেবে। কমিশন নদী রক্ষায় পরামর্শ ও বিভিন্ন ধরনের দিক নির্দেশনা দেবে। শুধু নদী নয়, খাল-বিল, জলাশয় রক্ষায়ও কাজ করবে জাতীয় এ কমিশন। এ আইন নদী দূষণ বন্ধ করা, অবৈধ দখল উচ্ছেদ, তীরের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ ইত্যাদি কার্যক্রমে সহযোগী হবে। এছাড়া ‘সার্ক এগ্রিমেন্ট অন র্যাপিড রেসপনস্ টু নেচারাল ডিজাসটার’ অনুসমর্থনের প্রস্তাব মন্ত্রিসভা অনুমোদন দিয়েছে বলে জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব। এর ফলে সার্কভুক্ত দেশগুলো একটি দুর্যোগ মোকাবেলায় সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা তৈরি করবে এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগে একে অপরকে সহযোগিতা করবে। প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় সাহায্যকারী দেশ কোনো যানবাহন, টেলিযোগাযোগ সামগ্রী বা অন্যান্য দ্রবাদি আনলে কর মওকুফ পাবে। গত ২১-২৮ নভেম্বর প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রীর নেতৃত্বে বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের মরিশাস, মালয়েশিয়া ও অস্ট্রেলিয়া সফর সম্পর্কে মন্ত্রিসভাকে অবহিত করা হয়। মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, মালয়েশিয়া সফরে জনশক্তি রপ্তানির বিষয়ে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে, এ প্রক্রিয়ায় বিদেশে কর্মী পাঠাতে জনপ্রতি ৪০ হাজার টাকা খরচ হবে, রেজিস্ট্রেশন অনলাইনে হচ্ছে এবং আগামী ১৬ থেকে ১৮ জানুয়ারি লটারি হবে। আগামী ১০ জানুয়ারি কর্মী পাঠানোর পদ্ধতির বিষয়ে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক মন্ত্রণালয় একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করবে বলেও জানান তিনি। অষ্ট্রেলিয়া সফরের বিষয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, অস্ট্রেলিয়া ২০১৫ সালের মধ্যে ২৪ লাখ দক্ষ কর্মী পাঠানো যাবে। এ জন্য দক্ষতা তৈরির জন্য পাইলট প্রকল্প হাতে নেয়া হয়েছে যাতে উন্নত দেশে দক্ষ শ্রমিক পাঠানো যায়। গত ২৮ থেকে ৩০ নভেম্বর রোমে অনুষ্ঠিত ‘সিকস্ সেশন অফ দি মিটিং অফ দি পার্টিস টু দি কনভেনশন অন দি প্রটেকশন এন্ড ইউজ অব ট্যান্সবাউন্ডারি ওয়াটারকোর্সেস এন্ড ইন্টারন্যাশনাল লেকস্’-এ পানিসম্পদমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের অংশগ্রহণ সম্পর্কে মন্ত্রিসভাকে অবহিত করা হয়েছে। এছাড়া গত ১৯ থেকে ২৩ নভেম্বর বাণিজ্যমন্ত্রীর চেকপ্রজাতন্ত্র এবং জার্মানি সফর সম্পর্কেও মন্ত্রিসভাকে অবহিত করা হয়।