সম্মিলিত আইনজীবী সমন্বয় পরিষদের একাংশের নেতারা গতকাল মঙ্গলবার অপর অংশের নেতাদের বিরুদ্ধে বিষোদগার করেছেন। সুপ্রিম কোর্টে ল’ রিপোর্টার্স ফোরামের কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে অ্যাডভোকেট আব্দুল বাসেত মজুমদার বলেছেন, ‘তারা ছিলেন ওয়ান ইলেভেনের সহযোগী। ওয়ান ইলেভেনের সুবিধা নিয়ে, কিংস পার্টিতে যোগ দিয়ে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছিলেন, বিশ্বাসঘাতকতা করেছিলেন।’ তিনি বলেন, ‘ওয়ান-ইলেভেনের সময় এদের কেউ কেউ ড. কোরেশীর নেতৃত্বাধীন পিডিপিতে যোগ দিয়েছিলো।’ সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে লায়েকুজ্জামান মোল্লা, এএম আমিনউদ্দিন, শ ম রেজাউল করিম, শেখ আখতারউল ইসলাম, এম এ কুদ্দুস, এসএম আবুল হোসেন প্রমুখ অ্যাডভোকেট উপস্থিত ছিলেন।
লিখিত বক্তব্যে বাসেত মজুমদার বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যখন কারাগারে ছিলেন তখন সম্মিলিত আইনজীবী সমন্বয় পরিষদের নেতা হিসেবে তাদের ওপর যে দায়িত্ব ছিল সেই দায়িত্ব তারা পালন করেনি।’ তিনি বলেন, ‘২০০৪ সালে সমন্বয় পরিষদের আহবায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছিল দু’বছরের জন্যে। কিন্তু দীর্ঘদিন তারা পদ আকড়ে থাকেন। অবশেষে সমন্বয় পরিষদের অঙ্গ সংগঠনের নেতারা গত ২৪ নভেম্বর একটি সভা করে। সেইদিন হাজার হাজার আইনজীবী বন্দিমুক্ত দিবস পালন করেন। বন্দিদশা থেকে সমন্বয় পরিষদকে মুক্ত করে আমাকে আহবায়ক এবং অঙ্গ সংগঠনের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকদেরকে সদস্য রেখে একটি কমিটি গঠন করেন’।
এম আমিনউদ্দিন বলেন, ‘এখন যারা সমন্বয় পরিষদের নেতৃত্ব দাবি করতে চাচ্ছেন তাদের সম্মিলিত আইনজীবী সমন্বয় পরিষদ নাম ব্যবহারের কোন এখতিয়ার নেই। তারা অন্য নামে যে কোন সংগঠন করতে পারে।’
শেখ আখতারুল ইসলাম বলেন, ‘কেউ যদি সমন্বয় পরিষদের নাম ব্যবহার করে তাহলে তাদের বিরুদ্ধে মামলা করব’।
শ ম রেজাউল করিম বলেন, ‘সম্মিলিত আইনজীবী সমন্বয় পরিষদে দুটি শব্দ আছে একটি সম্মিলিত ও আরেকটি সমন্বয়। কয়েকটি সংগঠন মিলেই হয় সমন্বয়। কয়েকটি একত্রে না হলে কোন সমন্বয় হয় না’।
