প্রতারণার অভিযোগে র্যাবের কর্মীসহ দু’জনের ৭ দিনের রিমান্ড

আপডেট : ০৯ জানুয়ারি ২০১৩, ২২:০৩
সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারপতির পরিচয়ে ফোন দিয়ে প্রতারণার অভিযোগে গ্রেফতারকৃত ২ জনের ৭ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। রিমান্ডপ্রাপ্তরা হলেন র্যাব-২ এর এনসি (ই) বিভাগে ক্লিনার হিসাবে কর্মরত মো. মোজাম্মেল হক ও তদবিরকৃত আসামির ভাই মো. মহিউদ্দিন খান। গতকাল বুধবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মাহাবুবুর রহমান এ আদেশ দেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (পশ্চিম) পরিদর্শক হাসান আল মামুন আসামিদের আদালতে হাজির করে ও হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ১০ দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন। মঙ্গলবার বিকালে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ সাইফুর রহমানকে রমনা থানায় দায়ের করা গাড়ি ভাংচুরের একটি মামলার আসামি মো. কামাল হোসেন খানকে জামিন দেয়ার জন্য তার মুঠোফোনে বিচারপতি নাজমুন আরা সুলতানা পরিচয়ে ফোন করেন এক নারী। এ বিষয়ে সন্দেহ হওয়ায় এজলাস থেকে নামার পর যে নম্বর থেকে ফোন এসেছিল সে নম্বরে ফোন না দিয়ে অন্যভাবে ঐ বিচারপতির সঙ্গে যোগাযোগ করেন। পরে প্রতারণার বিষয়ে নিশ্চিত হয়ে ম্যাজিস্ট্রেট কৌশলে যে নম্বর থেকে ফোন করে জামিনের তদবির করা হয়েছিল ঐ নম্বরে ফোন করে জামিন হয়েছে বলে জানিয়ে জামিননামা দাখিলের জন্য লোক পাঠাতে বলেন। জামিননামা দাখিল করতে আসলে বিচারক তাদের ধরার নির্দেশ দিলে একসঙ্গে আসা ৩ জন পালাতে দৌড় দেয়। এদের মধ্যে জাহাঙ্গীর হোসেন নামে একজন পালাতে সক্ষম হলেও ঐ আসামিরা কোর্ট পুলিশের হাতে ধরা পড়ে। এ ঘটনায় গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে আদালতের সাথে প্রতারণার অভিযোগে কোতোয়ালী থানায় মামলা করে পুলিশ।