আমাদের সীমাবদ্ধতা অনেক। এদেশের বড় একটা অংশ কৃষক- তারা কোনো দুর্নীতি করে না। সরকার কি এই অংশের কথা চিন্তা করে অন্তত একটা মৌলিক অধিকারের অঙ্গীকার পূরণ করতে পারেন না? আর তা হলো চিকিত্সাসেবার মানসিকতার উন্নয়ন। যে ডাক্তার আমার কর দেয়ার টাকা দিয়ে পাবলিক মেডিক্যাল হাসপাতালে পড়াশোনা করেছে- তার কি একটুও মানবিক দায়-দায়িত্ব থাকবে না ? এক শ্রেণীর ডাক্তার মেডিক্যালে বসে রোগী দেখার তেমন সময়ই পায় না বা দেখার মানসিকতা দেখায় না। কিন্তু বিকালে তার চেম্বারে বসে ন্যূনতম ৫শ’টাকা ফি নিয়ে রোগী দেখে,শুধু তাই নয় একই রোগের জন্য যে কত বার ফি দিতে হবে তার হিসাব করাও কঠিন হয়ে পড়বে। এটা কোন্ ধরনের মানসিকতা? শুধু তাই না রোগীদের কাছ থেকে বিভিন্ন টেস্ট করার মাধ্যমে যে কমিশন নিচ্ছে তা এখন অনেকটা ওপেন সিক্রেট। আবার অন্যদিকে বিভিন্ন ওষুধ কোম্পানির কাছ থেকে নেয়া হচ্ছে মাসোহারা। এ কোন্ জগতে আছি! ২মিনিট দেখার জন্য ৫শ’-১০০০টাকা পর্যন্ত ফি নেয়া যুক্তিযুক্ত কিনা তা ভেবে দেখা উচিত। একই রোগের জন্য দ্বিতীয় মেয়াদে আবার টাকা নেয়ার যৌক্তিকতা কী? তা শুধু সাদা একটি পৃষ্ঠায় লিখে দেয়া, তাতে ডাক্তারের বা কোনো ল্যাবের নাম থাকতে পারবে না। সরকারি হাসপাতালগুলোতে আরো বেশি সময় দেয়া এবং বেশি রোগী দেখা। সবকিছু নির্ভর করবে আমাদের মানসিকতার ওপর।
মো. মনিরুল ইসলাম
নোয়াকান্দী, কাঁঠালিয়া,
নরসিংদী
