আদমদীঘিতে গত বছরে ১৪৪ জনের আত্মহত্যার চেষ্টা, ৫ জনের মৃত্যু

আপডেট : ১০ জানুয়ারি ২০১৩, ২১:০১
স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কলহ পিতা-মাতার সাথে অভিমানসহ নানা কারণে বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলায় গত ২০১২ সালে ১৪৪ জন নারী ও পুরুষ গলায় ফাঁস ও বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা চালায়। এর মধ্যে ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। এদিকে আত্মহত্যার চেষ্টা আইনগত অপরাধ হলেও বাদি না থাকায় এদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেয়া যায় না বলে থানা সূত্রে জানা যায়। উপজেলা হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, জানুয়ারি মাসে ১৪ জন বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা চালায়। এদের মধ্যে ২০ জানুয়ারি আদমদীঘির মন্ডবপুর গ্রামের আব্দুর রহিমের কন্যা ৮ম শ্রেণির ছাত্রী ফাইমা বেগম (১৪) মারা যায়। ফেব্রুয়ারি মাসে ৮ জনের মধ্যে ৪ ফেব্রুয়ারি পূর্ব মুরইল গ্রামের ইয়াকুব আলীর পুত্র স্কুল ছাত্র নুর কামাল সোহাগ (১৬) মারা যায়। মার্চে মাসে ২৩ জন, এপ্রিল মাস ৮ জন, মে মাসে ১৫ জন, জুনে ১২ জনের মধ্যে ১৮ জুনে রামপুরা গ্রামের নিলকান্ত পালের পুত্র ভজন চন্দ পাল (২২) মারা যায়। জুলাই মাসে ১৩ জন, আগষ্ট মাসে ১২ জনের মধ্যে ২৪ আগষ্ট কাশিমিলা গ্রামের জাহেদুল ইসলামের স্ত্রী শিউলি বেগম (২৬) মারা যায়। সেপ্টেম্বরে ১৩ জন বিষপান করে, অক্টোবর মাসে ১০ জনের মধ্যে ১২ অক্টোবর করজবাড়ী গ্রামের আরিফ হোসেনের স্ত্রী চঞ্চলী বেগম (২২) গলায় ফাঁস দিয়ে মারা যায়। নভেম্বর ও ডিসেম্বর ১৬ জন বিষপান করে আত্মহত্যা চেষ্টা করে। আত্মহত্যাকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার বিধান থাকলেও প্রয়োগ না থাকায় আত্মহত্যার প্রবণতা বাড়ছে বলে সংশ্লিষ্টদের অভিমত।