তারুণ্যের অন্যলোক

আপডেট : ১১ জানুয়ারি ২০১৩, ১৮:৩৮
গ্রন্থনা :সাজেদুল ইসলাম শুভ্র  তরুণকণ্ঠ নিয়ে মতামত প্রকাশে সাহায্য নিতে পারেন জনপ্রিয় ওয়েবসাইট ফেসবুকের। তরুণকণ্ঠের বন্ধু হতে লগ ইন করুন www facebook . com / torun . kontho প্রতিদিনের তারুণ্যময় জীবনে লাইফস্টাইল, ফ্যাশন আর নানা বিষয় নিয়ে তরুণদের জন্য এক আলাদা জগত্ শো না র গা ন তারেক মাসুদের গান প্রকাশক :লেজার ভিশন গানের কথা প্রয়াত নন্দিত চলচ্চিত্র পরিচালক তারেক মাসুদের লেখা গান নিয়ে অ্যালবাম প্রকাশিত হয়েছে। অ্যালবামের নাম রাখা হয়েছে ‘তারেক মাসুদের গান’। গীতিকার হিসেবে তারেক ব্যবহার করতেন আ. তা. মাসুদ নামটি। তারেক মাসুদের লেখা প্রথম গানটি হলো ‘শ্যাম চাচা গেল কোথায়’। কীর্তন ঢঙের গানটি ব্যবহার করা হয় ‘মুক্তির গান’ ছবিতে। কেন শুনবেন গানগুলো বাংলার ঐতিহ্য ও শেকড়ের গান। শ্রোতারা গানগুলো শুনে মুগ্ধ হবেন। এর মাধ্যমে তারেক মাসুদের স্মৃতিকে ধরে রাখারও একটা প্রয়াস রয়েছে। প ড়া র ব ই গ্রিস ও ট্রয়ের উপাখ্যান লেখক :আবদার রশীদ প্রকাশক :প্রতীক প্রকাশনা বইয়ের কথা গ্রিস ও ট্রয়ের যুদ্ধের কথা আপনারা অনেকেই শুনে থাকবেন। দশ বছর ধরে চলা যুদ্ধে অনেক নামিদামি বীর যোদ্ধা অংশ নিয়েছিলেন! মহাকবি হোমারের মহাকাব্য ‘ইলিয়াড’ থেকে ওরক্স ওয়ার্নার লিখেছিলেন ‘গ্রিকস অ্যান্ড ট্রোজান’ নামে একটি বই। সে বইটাই অনুবাদ করে তুলে ধরেছেন আবদার রশীদ। নাম দিয়েছেন ‘গ্রিস ও ট্রয়ের উপাখ্যান’। কেন পড়বেন প্রাচীন গ্রিসের কথা নান্দনিকভাবে তুলে ধরা হয়েছে বইটিতে। ভাষাও সহজ, সরল ও প্রাঞ্জল। ত থ্য ক ণি কা কম্পিউটার গেমস জাদুঘরে জাদুঘর নামটা শুনলেই তো মনে একটা একঘেঁয়ে ছবি ভেসে ওঠে। কতগুলো কাচের বাক্সে বন্দী পুরাকালের ফসিল, মাটি, আসবাবপত্র আর হাতিয়ার। কিন্তু যদি এমন একটা জাদুঘর হতো, যেখানে থাকবে শুধু কম্পিউটার গেমস! জার্মানির বার্লিনে জাদুঘরে আছে বিভিন্ন ধরনের সব কম্পিউটার গেমস। শুধু গেমসই নয়, সেসব গেমসের ইতিহাস, কে গেমসগুলোর ডিজাইন করেছেন, কে ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক দিয়েছেন, সবই জানা যাবে সেখানে। সেটাতে ১৪ হাজার কম্পিউটার গেমসের একটা বিশাল আর্কাইভও করা হয়েছে, আর তার অনেকগুলো চাইলে জাদুঘরে বসে বসে খেলতেও পারা যায়! জাদুঘরটা অবশ্য প্রথম তৈরি করা হয়েছিল ১৯৯৭ সালে। তখন জাদুঘরটি ছিল ডিজিটাল বিনোদন মাধ্যমের জাদুঘর। স ফ ল দে র স্ব প্ন গাঁ থা রোকনুজ্জামান খান দাদাভাই ‘বাক বাকুম পায়রা/মাথায় দিয়ে টায়রা...’ এই ছড়াটি বাচ্চারা প্রথম কথা বলার সময় থেকে শিখে নেয়। কিন্তু জানেন কি, এই ছড়াটি কার লেখা? তিনি হচ্ছেন, রোকনুজ্জামান খান। সবাই তাকে দাদাভাই নামেই বেশি চেনে। তিনি সুদীর্ঘ ৪০ বছর ‘ইত্তেফাক’-এর ‘কচি-কাঁচার আসর’ পরিচালনা করেছেন। ১৯২৫ সালে নানার বাড়িতে যার জন্ম, তার কর্মজীবনের শুরু কলকাতায়। শিশুরা সেরা মানব সম্পদ, শিশুরা স্বর্গের দেবদূত। এদের মানুষ গড়ার কারিগর এই দাদাভাই। দাদাভাই বাংলা একাডেমী, শিশু একাডেমী পুরস্কার, একুশে পদক, জসীম উদ্দীন স্বর্ণপদক এবং রোটারি ইন্টারন্যাশনাল ও রোটারি ফাউন্ডেশন ট্রাস্টির পল হ্যারিস ফেলো সম্মানে ভূষিত হন। ৩ ডিসেম্বর, ১৯৯৯ সালে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।