কিশোরগঞ্জের তাড়াইল উপজেলার ৪৭টি গ্রামে কোনো প্রাথমিক বিদ্যালয় নেই। স্বাধীনতার ৪১ বছর পরও এসব গ্রামে প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপিত না হওয়ায় সংশ্লিষ্ট এলাকার হাজার হাজার কোমলমতি শিশু শিক্ষার আলো থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। ফলে অনেক শিশু-কিশোর প্রাথমিক শিক্ষা গ্রহণের আগেই ঝরে পড়ছে।
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসসূত্রে জানা যায়, উপজেলার ১১৪টি গ্রামের মধ্যে ৬৭টি গ্রামে প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। এর মধ্যে ৪৬টি সরকারি, ২০টি বেসরকারি রেজিস্টার্ড এবং উপজেলার তালজাঙ্গা ইউনিয়নের আকুবপুর গ্রামে একটি কমিউনিটি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। এছাড়া দামিহা ইউনিয়নের আনোয়ারপুর ও রাউতি ইউনিয়নের দাউদপুর গ্রামে একটি করে অস্থায়ী রেজিস্টার্ড প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। এসব বিদ্যালয়ে ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা প্রায় ২৫ হাজার।
খবর নিয়ে জানা যায়, অনুন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা, আমলাতান্ত্রিক জটিলতা ও রাজনৈতিক দলের স্থানীয় নেতৃবৃন্দের সদিচ্ছার অভাবে উপজেলার ৪৭টি গ্রামে এখনো পর্যন্ত সরকারি বা বেসরকারি কোনো প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপিত হয়নি। ফলে এসব গ্রামের শিশু-কিশোর পার্শ্ববর্তী গ্রামের প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে লেখাপড়া করতে গিয়ে যাতায়াত সমস্যাসহ বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতার কারণে প্রাথমিক শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। অনেকে আবার প্রাথমিক শিক্ষার গণ্ডি অতিক্রম করার আগেই ঝরে পড়ছে।
