তেল-গ্যাস খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুত্-বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটি আয়োজিত মতবিনিময় সভায় নেতৃবৃন্দ অবিলম্বে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত ও বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির প্রক্রিয়া বন্ধের দাবি জানিয়েছেন। তারা বলেছেন, জ্বালানি ও বিদ্যুত্ খাতে যে ভর্তুকির যুক্তি দেখিয়ে মূল্যবৃদ্ধি করা হয়েছে তা অযৌক্তিক ও জনস্বার্থবিরোধী। গতকাল মুক্তি ভবনে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় তারা এ দাবি জানান।
প্রকৌশলী শেখ মুহম্মদ শহীদুল্লাহের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য রাখেন সৈয়দ আবুল মকসুদ, জাতীয় কমিটির সদস্য সচিব অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ, প্রকৌশলী বিডি রহমতুল্লাহ, অধ্যাপক এম শামসুল আলম, প্রকৌশলী কল্লোল মোস্তফা প্রমুখ।
সৈয়দ আবুল মকসুদ বলেন, সরকার দিন বদল করতে পারেনি, কিন্তু দাম বদল করে জনগণের জীবন দুর্বিষহ করে তুলেছে।
প্রকৌশলী শেখ মুহম্মদ শহীদুল্লাহ বলেন, তেল-গ্যাস ও বিদ্যুতের দাম বাড়িয়ে সরকার আবারো জনগণের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে। জনপ্রতিরোধের মাধ্যমে এর জবাব দেয়া হবে। ধনিক শ্রেণির সব সরকারই এমন কাজ করেন।
অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ বলেন, স্বল্প মেয়াদে রাষ্ট্রায়ত্ত বিদ্যুত্ প্লান্ট মেরামত ও নবায়ন করলে ২০ ভাগের ১ ভাগ দামে রেন্টাল-কুইক রেন্টাল প্লান্ট থেকে উত্পাদিত বিদ্যুতের তুলনায় বেশি বিদ্যুত্ উত্পাদন সম্ভব হত। আইএমএফ-এর কাছ থেকে তিন বছরে ঋণ নেয়ার শর্ত পূরণ করতে গিয়ে তেল-বিদ্যুতের যে পরিমাণ দাম বেড়েছে সেই পরিমাণ অর্থ প্রবাসীরা প্রতি মাসে পাঠাচ্ছেন।
প্রকৌশলী বিডি রহমতুল্লাহ বলেন, মাত্র ২০ শতাংশ বিদ্যুত্ উত্পাদন হচ্ছে রেন্টাল-কুইক রেন্টাল থেকে; কিন্তু তার জন্য উত্পাদন ব্যয় শতকরা ৭৫ ভাগ। লুটেরা গোষ্ঠীর আধিপত্য থেকে বের হতে না পারলে এর থেকে মুক্তি নেই। মতবিনিময় সভায় এই সংশ্লিষ্ট আরও ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
