শেয়ারবাজার তদন্ত রিপোর্ট অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়ার দাবি

আপডেট : ১৩ জানুয়ারি ২০১৩, ২১:৫৯
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক ড. আসিফ নজরুল বলেছেন, রাষ্ট্রীয় মদদেই শেয়ার বাজারে কারসাজি হয়েছে। ওই কেলেঙ্কারির মূল হোতারাই এখন ভিআইপি মর্যাদা পাচ্ছেন। শেয়ার বাজার বিপর্যয়ের ঘটনায় গঠিত তদন্ত কমিটির রিপোর্ট অনুযায়ী অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তিনি । গতকাল রবিবার জাতীয় প্রেসক্লাবে বাংলাদেশ পুঁজিবাজার বিনিয়োগকারী ঐক্য পরিষদ আয়োজিত ‘প্রত্যাশা, প্রাপ্তি ও পুঁজিবাজারের সার্বিক প্রেক্ষাপট’ শীর্ষক আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। পরিষদের সভাপতি মিজান উর রশিদের সভাপতিত্বে এতে বক্তব্য রাখেন দৈনিক শেয়ারবিজ কড়চা’র সম্পাদক মনজুর সাদেক খোশনবিশ, এনসিসি ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান তোফাজ্জেল হোসেন। আলোচনা সভায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সংগঠনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদুল হক এবং অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সাংগঠনিক সম্পাদক শাহাদাত উল্লাহ ফিরোজ। বিনিয়োগকারীরা তাদের প্রবন্ধে বাজারে দীর্ঘ মেয়াদী স্থিতিশীলতার জন্য ১২ দফা তুলে ধরেন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো-বিএসইসি কর্তৃক ঘোষিত প্রণোদনা প্যাকেজ পুরোপুরি বাস্তবায়ন, বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর বিনিয়োগ পূর্বের নিয়ম অনুযায়ী মোট দায়ের ১০ শতাংশ বহাল, পুঁজিবাজারে স্বচ্ছতা বজায় রাখতে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি এবং মার্চেন্ট ব্যাংকের অমনিবাস ভেঙ্গে ১৬ ডিজিটের বিও একাউন্ট চালু, কোম্পানির পরিচালনা পরিষদের সদস্য হতে উদ্যোক্তা পরিচালকদের জন্য নিজ প্রতিষ্ঠানের মাত্র ২ শতাংশ শেয়ার ধারণ এবং বিনিয়োগকারীদের জন্য তা ৫ শতাংশ এমন বৈষম্যমূলক নীতি বন্ধ করে উভয়ের জন্য ৩ শতাংশ শেয়ার ধারণের নিয়ম চালু, নতুন কোম্পানির ক্ষেত্রে সেকেন্ডারি মার্কেটে শেয়ার দর ইস্যু মূল্যের ২০ শতাংশ নিচে চলে গেলে তা কোম্পানির পোর্টফলিওতে ৩ বছরের লক-ইন শর্ত রেখে বাইব্যাক, গত ২ বছরে বিএসইসি যেসব সিদ্ধান্ত নিয়েছে তা পুরোপুরি বাস্তবায়ন এবং ইংল্যান্ড আমেরিকাসহ বিভিন্ন দেশে মার্চেন্ট ব্যাংকের শাখা খুলে বিদেশি বিনিয়োগ বাড়ানোর উদ্যোগ, বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে বাদ দিয়ে ব্রোকারেজ হাউজের মাধ্যমে আইপিও আবেদন ও রিফান্ডের ব্যবস্থা ও সাধারণ সূচকের সর্বনিম্ন সীমা ছয় হাজারে নির্ধারণ করতে হবে।