দুই গার্মেন্টস কর্মীকে ধর্ষণ ও হত্যার দায়ে ২ জনের মৃত্যুদণ্ড

আপডেট : ১৪ জানুয়ারি ২০১৩, ২২:০৭
সাভারের আশুলিয়ার গার্মেন্টস কর্মী বিউটিকে ধর্ষণের পর হত্যা এবং অপর গার্মেন্টস কর্মী খালেদাকে ধর্ষণের অভিযোগে ২ জনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। ঢাকার পাঁচ নম্বর নারী ও শিশু নির্যাতন অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনালের ভারপ্রাপ্ত বিচারক মো. সাদিকুল ইসলাম তালুকদার গতকাল সোমবার এই রায় ঘোষণা করেন। দণ্ডিত আসামিদের প্রত্যেককে ১০ লাখ টাকা করে অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। অর্থদণ্ডের টাকা ভিকটিম বিউটি ও খালেদার পরিবারকে দেয়ার আদেশ দেন বিচারক। দণ্ডিতরা পলাতক রয়েছে। মোস্তফা ঘটনার পর থেকে এবং নজরুল গ্রেফতার হওয়ার পর হাইকোর্ট থেকে জামিন নিয়ে পালিয়ে যায়। দণ্ডিত আসামিরা হচ্ছে— ফরিদপুর জেলার আলফাডাঙ্গা থানার পাচুরিয়া গ্রামের আবদুর রউফ মাতব্বরের ছেলে মোস্তফা ও গাইবান্ধা জেলার সুন্দরগঞ্জ থানার রামদেব গ্রামের আজিজার রহমানের ছেলে নজরুল ইসলাম। রায় ঘোষণার আগে বিচারক মো. সাদেকুল ইসলাম তালুকদার মামলাটির দীর্ঘ বিলম্বিত বিচারে অসন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, মামলাটি রায় ঘোষণার জন্য দুই বছরের ওপরে ঘুরেছে। মানুষ আদালতে বিনোদনের জন্য নয় বিচারের জন্য আসে। এ মামলাটি এই বিচারকের আদালতে আসার এক সপ্তাহের মধ্যেই রায় হয়েছে বলে জানা গেছে। ২০০৬ সালের ১৮ অক্টোবর রাতে দণ্ডিতরা গার্মেন্টস কর্মী বিউটিকে ধর্ষণের পর হত্যা ও অপর গার্মেন্টস কর্মী খালেদাকে ধর্ষণ করেছিল। পরে বিউটির লাশ সাত টুকরা করে মিরপুরের বিশিল এলাকায় ফেলে দেয়। মিরপুর থানা পুলিশ অজ্ঞাতনামা মহিলার লাশ উদ্ধার করে একটি হত্যা মামলা করে। পরে মামলাটি তদন্তে ধর্ষণের বিষয়টি জানা যায়। দণ্ডিত মোস্তফা ও মামলার দুই ভিকটিম বিউটি ও খালেদার বাড়ি একই গ্রামে। রাষ্ট্রপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন পাবলিক প্রসিকিউটর আলী আজগর স্বপন।