উপজেলা সদরের হার্ডিঞ্জ হাইস্কুলে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভর্তি ফি আদায় করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। নির্ধারিত মূল্যের চার গুণ দামে ভর্তি ফরম বিক্রি হচ্ছে। স্কুলের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. ইসমাঈল হোসেনের সাথে এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে তিনি ঘটনার আংশিক সত্যতা স্বীকার করে নিজেকে নতুন বলে দাবি করেন এবং দায়ভার গড়িয়ে দেন বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদের ওপর। যদিও তিনি নিজে ঐ পর্ষদের সদস্য সচিব। প্রধান শিক্ষকের দেয়া তথ্যানুযায়ী বিদ্যালয়ে মোট ছাত্রসংখ্যা ২২০০ জন। তন্মধ্যে নতুন ভর্তি করা হচ্ছে ৫০২ জন। ভর্তি ফরম বিক্রি করা হয়েছে ১১৬৫টি। প্রতিটি ফরমের মূল্য নেয়া হয়েছে ৫০ টাকার স্থলে ২০০ টাকা। প্রধান শিক্ষকের দেয়া হিসাব অনুযায়ী ভর্তি ফরম বিক্রি করে এবং ভর্তি ফি হিসেবে অতিরিক্ত আদায়কৃত অর্থের পরিমাণ দাঁড়াবে ষোল লক্ষাধিক টাকা। আদায়কৃত এ অতিরিক্ত অর্থ উন্নয়ন ও জেনারেল ফান্ডে স্থানান্তর করা হবে বলে জানান প্রধান শিক্ষক।
