বাংলাদেশে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ড্যান ডাব্লিউ মজীনা বলেছেন, বাংলাদেশ এক খাদ্য বিপ্লবের মধ্যদিয়ে যাচ্ছে এবং এই বিপ্লবে জয়ী হতে চলেছে। বাংলাদেশ এখন ধান উত্পাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণ। আগামী এক দশকে বাংলাদেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হবে। কৃষি বিপ্লবে বাংলাদেশের সফলতাকে টেকসই করতে সুষ্ঠু নীতিমালার প্রয়োজন। গতকাল বুধবার রাজধানীর একটি হোটেলে আন্তর্জাতিক খাদ্য নীতি গবেষণা ইনস্টিটিউট (আইএফপিআরআই) আয়োজিত দিনব্যাপী কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন কৃষি মন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন খাদ্যমন্ত্রী মো. আব্দুর রাজ্জাক, মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী ও আইএফপিআরআই’র পলিসি রিসার্চ এন্ড স্ট্র্যাটেজি সাপোর্ট প্রোগ্রাম (পিআরএসএসপি) এর চিফ অব পার্টি ড. আখতার আহমেদ।
ইউএসএআইডি’র অধীন পিআরএসএসপি বাংলাদেশে বিভিন্ন পরিবারের ওপর খাদ্য নিরাপত্তা ও কৃষি বিষয়ে ২০১১-১২ সালে একটি সমীক্ষা চালায়। এই সমীক্ষার ফলাফল বিতরণের লক্ষ্যে আইএফপিআরআই ও বাংলাদেশ সরকার দিনব্যাপী এই কর্মশালার আয়োজন করে। যুক্তরাষ্ট্র সরকারের “ফিড দ্য ফিউচার” কর্মসূচি ও বাংলাদেশের খাদ্য কর্মসূচিসমূহ খাদ্য নিরাপত্তার ওপর কি প্রভাব ফেলে তা পর্যালোচনায় এই সমীক্ষার উপাত্ত ব্যবহার করা হবে। মজীনা বলেন, বহু আগে একজন বিখ্যাত ব্যক্তি বাংলাদেশকে ‘তলাবিহীন ঝুড়ি’ বলেছিলেন। এ কথা সত্যি হলে কি কৃষকরা পর্যাপ্ত খাদ্য উত্পাদন করতে পারতো।
মতিয়া চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলে কৃষি উত্পাদন অনেক বেশি। কিন্তু অবকাঠামোগত দুর্বলতা ও সঠিক নীতির অভাবে এর সুফল পাওয়া যাচ্ছে না। তিনি বলেন, খাদ্য নিরাপত্তা আমাদের শীর্ষ এজেন্ডা। যথাযথ নীতির মাধ্যমে খাদ্য নিরাপত্তার লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে হবে। আব্দুর রাজ্জাক বলেন, খাদ্যে আমরা স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করতে পেরেছি। এই সমীক্ষার ফল তারই প্রমাণ। শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেন, কৃষিভিত্তিক উদ্যোগে নারীদের সম্পৃক্ত করার চেষ্টা চলছে।
