চট্টগ্রামে ৪টি গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুত্ ইউনিটের উত্পাদন অনিশ্চিত

আপডেট : ১৯ জানুয়ারি ২০১৩, ২২:০৭
চরম গ্যাস সংকটের কারণে বন্ধ থাকা চট্টগ্রামে গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুত্ কেন্দ্রগুলো চালু অনিশ্চিয়তার মধ্যে পড়েছে। ঘাটতির মধ্যে গ্যাস সরবরাহ আরো কমে যাওয়ায় সিইউএফএল সার কারখানার উত্পাদন বন্ধ হয়ে গেছে। কর্ণফুলী গ্যাস কোম্পানীর কর্মকর্তারা জানান, বর্তমান সংকট অব্যাহত থাকলে বিদ্যুত্ কেন্দ্রে গ্যাস দেয়া সম্ভব হবে না। চট্টগ্রামে গ্যাস সরবরাহ বাড়ানোর কোন সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে না। এ অবস্থায় আসন্ন বোরো মৌসুমে চরম বিদ্যুত্ সংকটের আশংকা করছেন তারা। পিডিবি সূত্র জানায়, গ্যাস সংকটের কারণে গত ৫ থেকে ৬ মাস যাবত্ চট্টগ্রামে গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুত্ কেন্দ্রের চারটি ইউনিট বন্ধ রয়েছে। এখান থেকে সাশ্রয়কৃত গ্যাস দিয়ে কাফকো ও সিইউএফএল সার কারখানা দু’টি চালু করা হয়। এই দু’টি সার কারখানার গ্যাসের দৈনিক চাহিদা প্রায় ১০০ মিলিয়ন ঘনফুট। কর্ণফুলী গ্যাস কোম্পানী জানায়, চট্টগ্রামে বরাদ্দ পাওয়া মোট গ্যাসের অর্ধেকই সার কারখানা দু’টিতে সরবরাহ করতে হয়। সরবরাহ কমে যাওয়ায় গত সপ্তাহে সিইউএফএল বন্ধ করে দেয়া হয়। এ প্রসঙ্গে কর্ণফুলী গ্যাস কোম্পানীর মহা-ব্যবস্থাপক (অপারেশন) প্রকৌশলী শহীদ আলী ইত্তেফাককে বলেন, ‘সাঙ্গু গ্যাস ক্ষেত্রে উত্পাদন কমে যাওয়ায় সিইউএফএলে গ্যাস দেয়া যাচ্ছে না। চট্টগ্রামে গ্যাস সরবরাহ বাড়ানো না গেলে গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুত্ কেন্দ্রগুলো চালু অনিশ্চিয়তার মধ্যে পড়বে।’ কর্ণফুলী গ্যাস অফিস জানায়, সাঙ্গু গ্যাস ক্ষেত্রে এতোদিন ২২ দশমিক ৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উত্পাদন হতো। উত্পাদন কমে ১০ মিলিয়ন ঘনফুটে নেমে এসেছে। ফলে সিইউএফএল বন্ধ করে দিতে হয়েছে। বর্তমানে চট্টগ্রামে গ্যাসের দৈনিক চাহিদা ৪০০ মিলিয়ন ঘনফুট। আর সরবরাহ পাওয়া যাচ্ছে প্রায় ২১০ মিলিয়ন ঘনফুট।