দামিনীর প্রতি মালালার সমবেদনা

আপডেট : ২০ জানুয়ারি ২০১৩, ১৮:৫২
বীভত্স গণধর্ষণের শিকার ভারতের তরুণ মেডিক্যাল ছাত্রীর মৃত্যুকে কেন্দ করে ভারত সরকারের কড়া সমালোচনা করেছেন পাকিস্তানের তালেবানবিরোধী জাতীয় কিশোরী কন্যা মালালা উইসুফ জাই। গণধর্ষণপীড়িত তরুণী দীর্ঘ ২ সপ্তাহ মৃত্যুর সাথে লড়াই করে গত ২৯ ডিসেম্বর ভোরে সিঙ্গাপুরের হাসপাতালে মারা যাওয়ার পর ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে কিশোরী মালালা বলেন, ‘ধর্ষকরা তাকে ছুঁড়ে ফেলেছে রাস্তায়, আর ভারত সরকার ছুঁড়ে ফেলেছে সিঙ্গাপুরে’। ভিক্টিমকে দিল্লির হাসপাতাল থেকে সিঙ্গাপুরে স্থানান্তরের কড়া সমালোচনা করেছেন মালালা। প্রসঙ্গত, ধর্ষণপীড়িত তরুণীকে উন্নত চিকিত্সার্থে দিল্লি থেকে সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে পাঠানোকে কেন্দ্র করে শুরু থেকেই সমগ্র ভারত জুড়ে চলছিল তুমূল বিতর্ক। দিল্লির সফদর জং হাসপাতালের চিকিত্সক জানান, ধর্ষণপীড়িতাকে সিঙ্গাপুরে পাঠানোর সিদ্ধান্ত কোন “মেডিক্যাল ডিসিশন” ছিল না বরঞ্চ এটি ছিল ওপরের (সরকারের) নির্দেশ। অপরদিকে ৩০ ডিসেম্বর ভোরে দিল্লির বিমানবন্দর থেকে মরদেহ একটি অ্যাম্বুলেন্সে করে মহাবীর এনক্লেভ এলাকার বাসায় নেয়া হয়। ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান শেষে মরদেহ দ্বরকা ২৪ সেক্টর এলাকার সবদাহ কেন্দ্রে নেয়া হয়। এসময় শবদাহ কেন্দ্র ও এর আশপাশের এলাকাকে দিল্লির পুলিশ ও রেপিড অ্যাকশন ফোর্সের সদস্যরা কঠোর নিরাপত্তার বেষ্টনিতে আবদ্ধ রাখেন। এমনকি গণমাধ্যম কর্মীদেরকেও দাহকেন্দ্রের আশপাশে ঘেঁষতে দেয়া হয়নি। খুব স্বল্প সময় নিয়ে দাহকার্য সম্পন্ন করা হয়। এ সময় শ্মশানঘাটে উপস্থিত ছিলেন, রাজ্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরপিএন সিংহ, পশ্চিম দিল্লির সাংসদ মহাবল মিশ্র, দিল্লির প্রধান বিজেন্দ গুপ্তসহ দিল্লি পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।