ঝিনাইদহে আমদানি বাড়লেও কমছে না সবজির দাম

আপডেট : ২০ জানুয়ারি ২০১৩, ২০:৫৯
দেশের অন্যতম প্রধান সবজি উত্পাদনকারি এলাকা পশ্চিমের ৬ জেলায় এবার শীতকালীন সবজির দাম চড়াই রয়ে গেল। চাষি খুশি হলেও ক্রেতা অখুশি। গত বছরের চেয়ে তিন গুণ বেশি দামে সবজি বিক্রি হচ্ছে। যদিও সবজির পাইকারি বাজারে বিপুল আমদানি কিন্তু দাম কমছে না। এবার শুরুতেই শীতকালীন সবজির দাম চড়া। মাছ সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে। ডালের দামও চড়া। সাধারণ মানুষ সবজির উপর বেশি নির্ভরশীল হলেও তা নাগালের বাইরে। ফুলকপি উঠার পর আশ্বিন মাসে প্রতি কেজি ৬০ টাকা এবং বাঁধা কপি ৪০ টাকা দরে বিক্রি হয়। ভরা মৌসুমে দাম একটু কমে। তারপর ফের চড়ে গেছে। যশোর, মাগুরা, ঝিনাইদহ, কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গা ও মেহেরপুর জেলার হাট-বাজারে খুচরা প্রতি কেজি ফুলকপি ২৫-৩০ টাকা, এক দেড় কেজি সাইজের বাঁধাকপি প্রতি পিস ১৫-২০ টাকা, বেগুন প্রতি কেজি ৩০-৩২ টাকা, ওলকপি প্রতি কেজি ১৮-২০ টাকা, মুলা ১০-১২ টাকা, শিম ২৫-৩০ টাকা, লাউ প্রতি পিস ৩০-৪০ টাকা, পালং শাক প্রতি আঁঁটি ৫ টাকা ও টমেটো প্রতি কেজি ৩৫-৪০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। মেহেরপুর জেলার সবজি গ্রাম বলে খ্যাত উজলপুর, হিতিমপাড়া, ফতেপুর ও চাঁদপুর গ্রামে মাঠ থেকে প্রতি কেজি ফুলকপি ১৮-২০ টাকা, বাঁধাকপি প্রতি একশ’ পিস ১৫শ’ টাকা থেকে ১৬শ’ টাকা এবং ওলকপি প্রতি কেজি ১৮-২০ টাকা দরে ব্যাপারিরা কিনে নিয়ে যাচ্ছে বলে উজলপুর গ্রামের বাবলু মিয়া, হিতিমপাড়া গ্রামের পলাশ মন্ডল ও চাঁদপুর গ্রামের মাসুদ আলি জানান। যশোর সদর উপজেলার হৈবতপুর গ্রামের সবজি চাষি ইজাজুল ইসলাম জানান, রবিবার সবজির পাইকারি বড় হাট বারিনগরে বাঁধাকপি প্রতি পিস ১৩ - ১৪ টাকা, ফুলকপি প্রতি কেজি ২১-২২ টাকা, রূপবান শিম প্রতি কেজি ১৫-১৭ টাকা ও লম্বা শিম ২২-২৪ টাকা এবং মুলা ৭-৮ টাকা কেজি পাইকারি দরে বিক্রি হয়। এ অঞ্চলে লাউয়ের দাম সবচেয়ে বেশি চড়া। পাইকারি প্রতি একশ’ পিস ৩ হাজার টাকা থেকে ৩৫শ’ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। দাম কমার সম্ভাবনা কম বলে ব্যাপারিরা জানান। কৃষি সমপ্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক আব্দুল মান্নান জানান, এবার দক্ষিণ-পশ্চিমের জেলাগুলোতে ৬৭ হাজার হেক্টরে বিভিন্ন প্রকার শীতকালীন সবজির চাষ হয়েছে। উত্পাদনও ভাল। চাহিদা বেশির জন্য দাম চড়ে গেছে।