স্বামী হত্যা মামলায় স্ত্রী কারাবন্দি

আপডেট : ২১ জানুয়ারি ২০১৩, ২১:৩৮
রাজধানীর যাত্রাবাড়ীতে ব্যাংক কর্মচারী ইদ্রিস আলী হত্যা মামলায় তার স্ত্রী তাসলিমা বেগম পুলিশের কারসাজিতে উল্টো আসামি হয়ে কারাবন্দি। ইদ্রিস হত্যা মামলায় নিহতের ছেলের দায়ের করা মামলার আসামিদের গ্রেফতারের পরিবর্তে যাত্রাবাড়ী থানার এসআই কালাম নিহতের স্ত্রীকে গ্রেফতার করেছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। বাবার খুনিদের ভয়ে ৪ বছরের ছোট ভাই শরিফুল ইসলাম শান্ত ও ৭ম শ্রেণী পড়ুয়া আরেক ভাই তানজিরুল ইসলাম শাওনকে নিয়ে এক রকম পালিয়ে বেড়াচ্ছে বড় ভাই তরিকুল ইসলাম সুজন। গতকাল সোমবার দুুপুরে বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার এসোসিয়েশনে বাবার প্রকৃত খুনিদের গ্রেফতার, মায়ের মুক্তি ও পুলিশের হয়রানি থেকে বাঁচার দাবিতে সাংবাদিক সম্মেলনে এসব অভিযোগ করেন ইদ্রিস আলীর ছেলে তরিকুল ইসলাম সুজন। সুজন অভিযোগ করেন, গত বছরের ২২ ডিসেম্বর তার বাবাকে খুন করা হয়। এ ঘটনায় আগে তার বাবা জমি সংক্রান্ত বিরোধ থাকায় তার চাচাদের বিরুদ্ধে একটি সাধারণ ডায়েরি করেন। পুলিশ ওই ডায়েরি অনুযায়ী হত্যা মামলা নেয় এবং আসামি হিসেবে তার বাবার করে যাওয়া ডিজিতে উল্লেখিত চাচাদের আসামি করা হয়। এই মামলায় বাদী তিনি নিজেই হন। মামলার পর সুজন তার মা ভাইসহ বাবার লাশ নিয়ে ঝালকাঠির নলছিটির দেলদুয়ার গ্রামের বাড়িতে যান দাফন করতে। এ অবস্থায় সুজনের দাদী সখিনা খাতুন তার মা ও মামাদের আসামি করে ঢাকার সিএমএম আদালতে একটি হত্যা মামলা করেন। এই মামলার তদন্তভার ন্যস্ত হয় যাত্রাবাড়ী থানায়। এই দুই মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই কালাম। পুলিশ সুজনের বাদী হয়ে দায়ের করা মামলায় পুলিশ কাউকে গ্রেফতার না করে তার দাদীর দায়ের করা মামলায় মা তাছলিমা বেগমকে গ্রেফতার করে। এই অবস্থায় তার বাবার সন্দেহভাজন ঘাতক চাচারা তাদের হুমকি দিয়ে যাচ্ছে। সম্পদ দখল করার জন্যই চাচারা তার বাবাকে খুন করেছে বলে অভিযোগ সুজনের।