জোকস

আপডেট : ২২ জানুয়ারি ২০১৩, ১৯:৫২
এক কলেজের গণিতের শিক্ষক শফিক সাহেব ঢাকায় এসেছেন একটা কাজে। এরই মাঝে একদিন রাস্তায় দেখা হয়ে গেল বহুকাল আগের এক ছাত্রের সাথে, দামী স্যুট-বুট পড়া, নামছেও দামী গাড়ি থেকে। শফিক সাহেব সামনে গিয়ে বললেন, ‘কে, শামীম না? চিনতে পারছিস আমাকে?’ হাসিতে উজ্জ্বল হয়ে ওঠে শামীমের মুখ, ‘জি, স্যার! কেমন আছেন আপনি?’ ‘এই চলছে কোনোরকম। তা, তোর দেখি বেশ উন্নতি হয়েছে রে! মনে কি পড়ে, অঙ্ক পারতিস না বলে কত মেরেছি তোকে ছোটবেলায়? বলতে খারাপ লাগলেও, গণিতে তোর মতো খারাপ ছাত্র জীবনে আর কাউকে পাইনি। কত চেষ্টাই না করলাম তোকে অঙ্কে মানুষ করতে, কিন্তু কোনো কাজ হলো না!’ লাজুক, বিব্রত হাসি দেয় শামীম, ব্যস্ত রাস্তায় মানুষের ভিড়ে এমন কথা শুনে খানিকটা অস্বস্তিও হয় তার। ‘তা কী করিস তুই? এত উন্নতির রহস্য কী!’ জানতে চাইলেন শফিক সাহেব। ‘এই তো, স্যার। তেমন বড় কিছু না। সকালবেলা বনরুটি কিনে দুপুরবেলা লাঞ্চ টাইমে অফিস আর রেস্টুরেন্টগুলোতে সাপ্লাই দিই। প্রতি পিস ১ টাকা করে কিনি, বেচি ৬ টাকা করে। এই ৫% মাত্র লাভ, কিন্তু আপনাদের দোয়ায় এতেই বেশ চলে যাচ্ছে, স্যার!’ সর্দার মদ খেয়ে মাতাল হয়ে বাড়িতে ফিরল। কিন্তু বউয়ের হাতে ধরা পড়লে অনেক বকা খেতে হবে বলে সে একটা ফন্দি আঁটল। ভাবল খুব মন দিয়ে গল্পের বই পড়তে থাকলে হয়তো বউ আর তাকে ঘাটাবে না। কিন্তু বিধি বাম। বৌ ঘরের দরজা থেকেই চিত্কার করতে করতে ঢুকল। ‘কী তোমার এত সাহস! তুমি আবারও মদ খেয়ে বাড়িতে ঢুকেছ?’ সর্দার মাথা চুলকে বললেন, ‘কে বলল আমি মদ খেয়ে এসেছি? তুমি বললেই হলো না কি!’ ‘তাহলে খাটের নিচে রাখা খালি স্যুটকেসটা মুখের সামনে ধরে কী এত বিড়বিড় করে পড়ছ শুনি?’