মেরিনে উচ্চশিক্ষার সুযোগ

আপডেট : ২৩ জানুয়ারি ২০১৩, ২০:৪৪
ছোটবেলাতে যাকেই প্রশ্ন করা হয়, বড় হয়ে কী হবে—এক কথায় উত্তর পাওয়া যায় ডাক্তার বা ইঞ্জিনিয়ার। তবে ডাক্তার বা ইঞ্জিনিয়ার হওয়ার সুযোগ তো আমাদের দেশে খুব বেশি নেই। তাই এ ক্ষেত্রে প্রয়োজন বিকল্প চিন্তা। বিশেষ করে যারা ইঞ্জিনিয়ার হতে চান, তাদের জন্য এটা আশার কথা যে, এখন ইঞ্জিনিয়ারিংয়েও রয়েছে গতানুগতিক ধারণার বাইরে ক্যারিয়ার গড়ার সুযোগ। রয়েছে সময়ের চাহিদাপূর্ণ মেরিন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে পড়ার সুযোগ। মেরিন ইঞ্জিনিয়ার অনেকের কাছেই স্বপ্নের মতো একটি বিষয়। তবে এ সম্পর্কে খুব বেশি ধারণা নেই সবার। কোথায়, কী পড়তে হবে, তাও জানে না অনেকেই। এ সম্পর্কে আরও তথ্য পাবেন নারায়ণগঞ্জ ওয়েস্টার্ন মেরিন একাডেমি থেকে ০১৮৪১১৬১১৬১, ০১৭৩১০০৬৯৮৯ নাম্বারে ফোন করে। বিশ্ব বাণিজ্যের ৯০ শতাংশ পণ্যই পরিবাহিত হয় শিপিং ইন্ডাস্ট্রি দ্বারা। বিশ্ব অর্থনীতিতে বার্ষিক আয়ের প্রায় ২০০ বিলিয়ন ইউএস ডলার আসে ৫০,০০০ মার্চেন্ট শিপ থেকে। বর্তমানে ১৫০টিরও বেশি দেশের ওয়ার্ল্ড ফিড নিবন্ধিত প্রায় তের লক্ষ সিফেয়ারার্স সারা বিশ্বে শিপিংয়ে কর্তব্যরত, যার বেশিরভাগ সিনিয়র কর্মকর্তাই উন্নত দেশগুলোর। তবে এই খাতে চাহিদা বাড়ার সাথে সাথে উন্নয়নশীল দেশগুলো থেকেই এই খাতে আগত কর্মকর্তাদের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। বর্তমান আন্তর্জাতিক জাহাজ শিল্পে ১ লাখ মেরিন কর্মকর্তা ও ৫ লাখ নাবিকের চাহিদা রয়েছে। এ সুযোগ নিতে হলে এখন থেকে প্রতিবছর কমপক্ষে ৮০০ থেকে সর্বোচ্চ এক হাজার মেরিন অফিসার তৈরি করা দরকার। আমাদের পাশের দেশ ভারত ২০০৯ সনে ৮৭,০০০ এবং চীন ২০০৯ সালে দেড় লক্ষাধিক মেরিন অফিসার ও নাবিক তৈরি করেছে। আমাদের দেশেও এই বিষয়ে দক্ষ জনবল তৈরি করা প্রয়োজন। এই বিষয়ে পড়তে হলে গণিত ও পদার্থ বিজ্ঞানে আলাদাভাবে ৩.৫ ও ইংরেজিতে ৩.০ থাকতে হবে অথবা আইইএলটিএস গড় স্কোর ৫.৫ হতে হবে।