পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে আরেকটি ফৌজদারী মামলা করার নির্দেশ দিয়েছে সে দেশের সুপ্রিম কোর্ট। এক আসামির পলায়নে সহযোগিতা করার অভিযোগে প্রধানমন্ত্রী রাজা পারভেজ আশরাফ, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রেহমান মালিক ও ক্ষমতাসীন পাকিস্তান পিপলস পার্টির (পিপিপি) মহাসচিব জাহাঙ্গীর বদরের বিরুদ্ধে এক সপ্তাহের মধ্যে মামলা নথিভুক্ত করার নির্দেশ দিয়েছে আদালত। এর ফলে এই সরকারে শেষ সময়ে এসে সরকার আরো চাপে পড়ল। খবর ডন ও এনডিটিভির।
পাকিস্তানের তেল ও গ্যাস নিয়ন্ত্রণ সংস্থার সাবেক চেয়াম্যান তৌকির সাদিককে এই পদে নিয়োগ দেয়া ও পরে গ্রেফতার না করে তাকে দেশ ত্যাগে সহযোগিতার জন্য গতকাল বৃহস্পতিবার সুিপ্রম কোর্টের দুই সদস্যের বেঞ্চ তাদের বিরুদ্ধে মামলা নথিভুক্ত করতে জাতীয় জবাবদিহি সংস্থাকে নির্দেশ দেয়। তৌকির সাদিককে গ্রেফতার না করায় আদালত ক্ষোভ প্রকাশ করে।
২০১১ সালের ২৫ নবেম্বর তৌকির সাদিকের নিয়োগ অবৈধ ঘোষণা করে তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির তদন্ত শুরু করার নির্দেশ দেয়। গত বছর তাকে গ্রেফতারে নির্দেশ নেয়া হয়। তার বিরুদ্ধে ৮ হাজার ৩শ’ কোটি রুপি অবৈধ অর্থ উপার্জনের অভিযোগ উঠার পর তিনি বিদেশে পালিয়ে যান।
গত সপ্তাহে একটি দুর্নীতির মামলায় প্রধানমন্ত্রী রাজা আশরাফকে গ্রেফতারের নির্দেশ দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। পরে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আবেদনের প্রেক্ষিতে তা কার্যকর করা হয়নি। সরকারি সূত্র অভিযোগ করছে, আদালত রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে এসব করছে। আগামী মার্চ পর্যন্ত এই সরকারে মেয়াদ আছে। সেই পর্যন্ত তারা ক্ষমতায় থাকতে পারলে এটিই হবে পাঁচ বছর মেয়াদ পূর্ণ করা পাকিস্তানের প্রথম সরকার।
