প্র জ ন্ম প্র তি নি ধি

নতুনদের ক্যারিয়ার গড়তে

আপডেট : ২৭ জানুয়ারি ২০১৩, ১৮:৫৭
নিজের মেধা এবং মননের মাধ্যমে গড়ে তুলেছেন তরুণ মেধাবীদের জন্য শিক্ষাগ্রহণের অন্যতম প্রতিষ্ঠান। বর্তমানে প্রতিযোগিতার মুখে নতুন প্রজন্ম যখন নিজেদের ক্যারিয়ার নিয়ে অনেক বেশি চিন্তিত তখনই তাদের জন্য গড়ে তোলেন দেশ এবং বিদেশে কর্মক্ষেত্র তৈরির জন্য প্রফেশনাল অ্যাকাউন্টিংয়ের এই প্রতিষ্ঠান। কথা বলছিলাম এ দেশে এসিসিএ কোর্স পরিচালনায় অন্যতম প্রতিষ্ঠান চার্টার্ড ইউনিভার্সিটি কলেজের চেয়ারম্যান ড. আনিসুর রহমান খান সম্পর্কে। তাকে নিয়ে লিখেছেন মুহম্মদ কবীর ‘সাধারণত তরুণ শিক্ষার্থীরা এসএসসি-এইচএসসি শেষ করে ভাবনায় পড়ে যায় কোথায় কী বিষয় নিয়ে পড়ালেখা করে কীভাবে হাই প্রফেশনাল হওয়া যাবে। এদিক দিয়ে পৃথিবীজুড়ে কর্মক্ষেত্র তৈরি করে হাই প্রফেশনাল হতে বর্তমান যুগে সর্বাধিক সহায়তা করছে প্রফেশনাল অ্যাকাউন্টিং,’ বললেন এ দেশে এসিসিএ কোর্স পরিচালনায় অন্যতম প্রতিষ্ঠান চার্টার্ড ইউনিভার্সিটি কলেজের চেয়ারম্যান ড. আনিসুর রহমান খান। তিনি বলেন, ‘প্রফেশনাল অ্যাকাউন্টিংয়ের মধ্যে রয়েছে তিনটি পর্ব—এসিসিএ, সিএটি, এফআইএ। উচ্চ বেতন, চমত্কার জীবনযাপন, পৃথিবীব্যাপী কর্মক্ষেত্রের ব্যাপ্তি এমনকি সামাজিক মর্যাদায়ও এগিয়ে রয়েছে অ্যাকাউন্টিংয়ের কর্মক্ষেত্রগুলো।’ অন্য এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘এটি একটি গ্লোবাল প্রফেশনাল কোর্স। যার ফলে পুরো বিশ্বজুড়ে ক্রেডিট ট্রান্সফার করা এবং সারা বিশ্বে চাকরি করার সুযোগ রয়েছে এই কোর্সে। বাংলাদেশে এই কোর্সে সর্বাধিক শিক্ষার্থী রয়েছে আমাদের চার্টার্ড ইউনিভার্সিটি কলেজে। এসিসিএ কোর্সটি সিএ, আইসিএমএ, সিআইএমএ, সিপিএ প্রভৃতির সমমানের। সিএ এবং এসিসিএর মধ্যে মূল পার্থক্য হলো সিএ স্থানীয় কারিকুলাম আর এসিসিএ হচ্ছে ব্রিটিশ কারিকুলাম।’ অন্য এক প্রশ্নের উত্তরে ড. আনিসুর রহমান খান বলেন, ‘এইচএসসি পাসের পর বিবিএ’র জন্য ৪ বছর এমবিএ’র জন্য ২ বছর অর্থাত্ প্রায় ৬-৭ বছর অপেক্ষা করতে হয়। সাথে রয়েছে বিপুল খরচ। কিন্তু এসএসসি-এইচএসসি’র পর যেকোনো শিক্ষার্থী ৪-৫ বছরে আন্তর্জাতিক মানের চার্টার্ড অ্যাকাউন্টেন্ট হতে পারে। বিবিএ, এমবিএ করতে যেহেতু সময় বেশি লাগে কাজেই খরচও বেশি হয়। প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে বিবিএ, এমবিএ করতে ৫-১২ লাখ টাকা লেগে যায়। সেখানে অপেক্ষাকৃত অনেক কম খরচে সিএটি, এসিসিএ সম্পন্ন করা যায়। এই কোর্স যথেষ্ট সহজ। বাংলাদেশের ব্যাচেলর ডিগ্রির সমান বিএসসি অনার্স ইন অ্যাপ্লাইড অ্যাকাউন্টিং সম্পন্ন করা যায় তিন বছরে।’ তিনি আরও বলেন, ‘ফাউন্ডেশন ইন অ্যাকাউন্টেন্সি হচ্ছে এসিসিএ’র এন্ট্রি লেভেলের সুট অব কোয়ালিফিকেশনস, যা থেকে শিক্ষার্থীরা পূর্বের শিক্ষাগত যোগ্যতা এবং অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে চমত্কার কোর্স বেছে নিতে পারে। যারা একেবারেই এন্ট্রি লেভেল থেকে শুরু করতে চায় তাদের এফআইএ’র ইন্ট্রোডাক্টরি সার্টিফিকেট লেভেল থেকে শুরু করতে হবে। অন্যদিকে এইচএসসি বা ও-লেভেল শেষে এফআইএ-তে ভর্তি হয়ে সিএটি সম্পন্ন করতে পারে। আবার এ-লেভেল বা যেকোনো বিভাগ থেকে ব্যাচেলর ডিগ্রি করা থাকলে সরাসরি এসিসিএ ক্লাসে ভর্তি হওয়া যায়। তবে কারও অনার্স, মাস্টার্স, সিএ, আইসিএমএ কোয়ালিফিকেশন থাকলে ৯টি বিষয় পর্যন্ত অব্যাহতি পেতে পারে।’ তিনি বলেন, ‘এর পরীক্ষা পদ্ধতি যথেষ্ট সহজ, বছরে জুন ও ডিসেম্বরে দুইবার ব্রিটিশ কাউন্সিলে একসাথে একটি থেকে চারটি বিষয়ে পরীক্ষা দেওয়া যায়। সাধারণ পদ্ধতি ছাড়াও এসিসিএ ও সিএটি’র কম্পিউটার বেজড পরীক্ষা পদ্ধতি আছে। এটি এসিসিএ’র প্রথম ৩টি পেপার ও সিএটি’র প্রথম ৪টি পেপারের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। তবে কম্পিউটার বেজড পরীক্ষা বছরের যেকোনো সময় যেকোনো দিন হতে পারে। যদি কেউ একটি বিষয়ে ফেল করে তবে শুধু ওই বিষয়ে পরীক্ষা দিয়ে পাস করতে পারে। এসিসিএ বিষয়ে ১০০ নম্বরে পরীক্ষার্থী ৫০ পেলেই পাস করে। সিএটি, এসিসিএ কোর্সে ডিসেম্বরে পরীক্ষা দিতে চাইলে ১৫ আগস্টের মধ্যে রেজিস্ট্রেশন করতে হয় আর জুনে পরীক্ষা দিতে হলে আগের বছরের ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে রেজিস্ট্রেশন করতে হয়। এ বিষয়ে আরও বিস্তারিত জানতে আমাদের যোগাযোগ করতে পারেন এই ঠিকানায় :বাড়ি- ৫১, রোড ১০/এ, ধানমন্ডি, ঢাকা।’ অন্য এক প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘এই কোর্সে ভর্তির আগে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের অভিজ্ঞতা, কাঠামোগত অবস্থান, ফাইন্যান্সিয়াল ক্যাপাসিটি, শিক্ষার্থীর সংখ্যা অনুযায়ী পর্যাপ্ত ক্লাসরুম, কম্পিউটার ল্যাব সুবিধা, ইন্টারনেট, নিজস্ব সফটওয়্যার, গ্রুপ স্টাডি করার মতো লাইব্রেরি এবং পর্যাপ্ত আপডেট বই, সুন্দর পরিবেশ, সিকিউরিটি এবং সর্বোপরি সাফল্যের অবস্থান দেখতে হবে। এ ধরনের সব সুবিধা রয়েছে আমাদের চার্টার্ড ইউনিভার্সিটি কলেজে। আমাদের প্রতিষ্ঠানটি সিবি ব্যাচের পরীক্ষা কেন্দ্র বলে এখানে নিয়মিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এ ছাড়া আমরা মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য স্কলারশিপের ব্যবস্থা করছি।’