প্র জ ন্ম স ং বা দ

অল্পবয়সী মডেল ডেনিস কেলার

আপডেট : ২৭ জানুয়ারি ২০১৩, ১৮:৫৮
ইন্টারন্যাশনাল ব্র্যান্ডিংয়ের জনপ্রিয় মুখ, ডেনিস কেলার। মাস্টার কার্ড, এমটিভি এশিয়া ভিজে এবং বিভিন্ন স্বল্পদৈর্ঘ্যের প্রোগামের হোস্ট এই এশিয়ান ডেনিস। তিনি এশিয়ান এন্টারটেইনমেন্টের দুনিয়ার একজন মধ্যমণি হয়ে উঠেছেন মাত্র ২৮ বছর বয়সেই। ১৯৮২ সালের ২৪ মার্চে সিঙ্গাপুরে তার জন্ম। তার বাবা জার্মান এবং তার মা চীনা। তার জন্ম ও বেড়ে ওঠা জার্মানিতেই। শৈশবও কাটে সেখানেই। এরপর তারা সপরিবারে সিঙ্গাপুরে চলে আসেন। সিঙ্গাপুরেরই একটা জার্মান ইন্টারন্যাশনাল স্কুলে পড়াশোনা করেছেন। মাত্র ১৩ বছর বয়স থেকেই তিনি মডেলিংয়ের সাথে জড়িয়ে পড়েন। তিনি প্রথম একবার এক শপিং মলে হঠাত্ করে মডেলিং করার অফার পান। এরপর একটা মডেলিং এজেন্সির সাথে চুক্তিবদ্ধ হন। ক্যারিয়ারের বড় কিছু সাফল্যের মধ্যে একটি ছিল ফোর্ড কোম্পানির সুপার মডেল। ২০০০ সালে তিনি এই গাড়ির ব্র্যান্ডের মডেলিং করে সুপার মডেলের টাইটেল অর্জন করেন। তার মডেলিং ক্যারিয়ারে তিনি বেশ কয়েকবার টিভি মডেল হিসেবেও খ্যাতি পেয়েছেন। ইলেক্ট্রনিক মিডিয়া ছাড়াও প্রিন্টিং মিডিয়াতে তিনি ভালো নাম করেছেন। যেসব টিভি শোতে তিনি হোস্ট হিসেবে ছিলেন সেগুলোর মধ্যে ফোর্ড সুপারমডেল-২০০১ শো ছিল বেশি আলোচিত। ২০০২ সাল, তার মডেলিংয়ের খ্যাতি পৌঁছে যায় সুদূর আমেরিকা, হংকং এবং টোকিওর মতো জায়গায়। সে বছরই তিনি তার ক্যারিয়ারের অনেক বড় একটা ব্রেক পান। তিনি এমটিভি এশিয়ার ভিজে হওয়ার অফার পান। এর আগে অবশ্য শো-হোস্টিংয়ের জন্য দু’বার এমটিভি এশিয়া পুরস্কার পেয়েছেন। সেখানে পৃথিবীর কয়েকজন রক, পপ ও হিপ-হপ গায়ক-গায়িকাদের ইন্টারভিউ নেওয়ার সৌভাগ্য তার হয়েছিল। এরপর ২০০৫ সাল, ডেনিস একটা রিয়েলিটি প্রোগ্রামে অংশ নেন। সেটা সিঙ্গাপুরের একটা ইংলিশ ল্যাঙ্গুয়েজ রিয়েলিটি প্রোগ্রাম, ‘আই ফর অ্যা গাই টু’। এই প্রোগ্রামটি ছিল ডেনিসের জীবনের সাফল্যের আরও একটি অধ্যায়। সেখান থেকে তিনি গরর্নির নজড় কাড়েন। ২০০৮ সালে ডেনিস একটা স্বল্পদৈর্ঘের সিনেমাতেও অংশ নেন। তিনি ডিসকভারি চ্যানেলের জন্য ‘ট্রাভেল অ্যান্ড লিভিং’ নামের এক সিরিজে অংশ নেন। এর পর্বগুলোর সূচনা করা হয় মালয়েশিয়াতে।