কাপ্তাই হ্রদের পানি ধীরগতিতে কমতে থাকায় হতাশাগ্রস্ত হয়ে পড়েছে মহালছড়ি কৃষক পরিবার। এভাবে কাপ্তাই হূদের পানি কমতে থাকলে বোরো মৌসুমের চাষাবাদ করা কৃষকদের জন্য মারাত্মক আকার ধারণ করবে বলে এলাকাবাসীর ধারণা।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, এখনো বেশির ভাগ জমি ৭-৮ ফুট পানির নীচে তলিয়ে আছে। কেউ কেউ এখনো পর্যন্ত বীজ বপন করতে পারে নাই আর কেউ কেউ বীজ বপন করে ধানের চারা বড় হয়ে গেছে। দেরিতে ধানের চারা রোপণ করলে উত্পাদিত ফসল ঘরে তোলার আগেই বর্ষার সময় বন্যার পানিতে ভেসে যায়। তখন কৃষকদের পথে বসা ছাড়া কোন উপায় থাকে না। হতাশাগ্রস্ত এক কৃষক জানালেন, “আমার একমাত্র সম্বল দুই বিঘা ধান্য জমি, এখনো পর্যন্ত ৭-৮ ফুট পানির নীচে, চাষ করবো কখন, আর টাকা পয়সা খরচ করে চাষ করেও লাভ কি, উত্পাদিত ফসল বাড়িতে তুলতে পারবো না”। ধান পাকতে পাকতে বর্ষা এসে যাবে বলে মনে করছেন তিনি। অত্র এলাকায় বেশির ভাগ জমি শুধুমাত্র বোরো মৌসুমে চাষাবাদ করা যায়। এই এক মৌসুমের চাষাবাদের ফসল দিয়ে পুরো বছরের খাদ্য মজুদ রাখতে হয়। বোরো মৌসুমের ফসল কোন না কোনভাবে ক্ষতি হলে সারা বছর অভাবের সীমা থাকে না। বর্তমান বোরো মৌসুমেও এই পরিণতি হওয়ার আশংকা করছেন কৃষকরা
