শেষ হলো মধুমেলা, থেকে গেল উত্সবের আমেজ

আপডেট : ২৮ জানুয়ারি ২০১৩, ২০:৪৯
রবিবার রাতে শেষ হলো দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সর্ববৃহত্ উত্সব মধুমেলা। যশোরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মোঃ জাহিদ হোসেন পনির মধুমঞ্চে আলোচনা ও সাংস্কৃৃতিক অনুষ্ঠান শেষে সপ্তাহব্যাপী এ মেলার আনুষ্ঠানিক ভাবে সমাপ্তি ঘোষণা করেন। মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত’র ১৮৯তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে কেশবপুরের কপোতাক্ষ তীরের সাগরদাঁড়িতে গত ২১ জানুয়ারি থেকে কবির জন্মভিটায় এ মেলা শুরু হয়। মোঃ জাহিদ হোসেন পনিরের সভাপতিত্বে মেলার শেষ দিনে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি প্রফেসর ড. মোঃ ফায়েক উজ্জামান। বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ টেলিভিশনের মহাপরিচালক ম.হামিদ, যশোরের পুলিশ সুপার জয়দেব কুমার ভদ্র, বাংলালিংকের রিজিওনাল কমার্শিয়াল হেড মোঃ বাবুল হক। প্রতিদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত হাজার হাজার নারী পুরুষ শিশু মেলার মাঠে মধুমঞ্চে মন্ত্রী, এমপি ও দেশ বরেণ্য কবি সাহিত্যিকদের আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, যাত্রা, সার্কাস, যাদু প্রদর্শনী উপভোগ করে সময় কাটিয়েছেন। আবার কেউ কেউ সারাক্ষণ মেলার মাঠে ঘুরে ঘুরে বিভিন্ন দ্রব্য সামগ্রী কেনাকাটায় ছিলেন ব্যস্ত। এবারের মেলায় প্রতিটি স্টলেই ছিল দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভিড়। মধুমেলার মাঠে ছিল কৃষি অধিদপ্তরের কৃষি প্রযুক্তির স্টল। এ স্টলে রাখা ছিল কৃষকের উত্পাদিত ফল ফলাদি। মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত’র জন্মবার্ষিকী উদযাপন কমিটির সদস্য সচিব ও কেশবপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার আবু সায়েদ মোঃ মঞ্জুর আলম জানান, মেলার মাঠে সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভাল থাকায় দর্শনার্থীদের কোন অসুবিধায় পড়তে হয়নি। আগামী বছরও মধুমেলায় আসার জন্য তিনি সকলকে আহবান জানান।