রাজশাহীর তানোরে মেডিক্যাল পরীক্ষার নামে ‘অপহূত’ স্কুল ছাত্রী এবং তার মাকে দুই দিন ধরে থানা হাজতে ‘বন্দি’ করে রাখার অভিযোগ পাওয়া গেছে। জানা গেছে, উপজেলার আইড়া গ্রামের আদিবাসী তোফা বর্মণ (২০) একই গ্রামের ষষ্ঠ শ্রেণীতে পড়ুয়া জনৈক আদিবাসী ছাত্রীর সঙ্গে প্রেমের সূত্রে গত শুক্রবার থেকে নিখোঁজ ছিল। শনিবার দুপুরে মুণ্ডুমালা বাজারের আশপাশে ঘোরাফেরার সময় স্থানীয়রা তাদের আটক করে স্থানীয় পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে সোপর্দ করে। সেখানে তোফা বর্মণ পুলিশের কাছে দাবি করেন, শুক্রবার রাতে বাড়ি থেকে পালিয়ে স্থানীয় একটি গির্জায় ধর্মীয় রীতি মোতাবেক তারা পরস্পরকে বিয়ে করেন। এরপর তানোর থানায় সোপর্দের পর ছাত্রীর বাবা তোফা বর্মণের বিরুদ্ধে অপ্রাপ্ত মেয়েকে ফুসলিয়ে অপহরণ ও ধর্ষণ অভিযোগ এনে মামলা করেন। পুলিশ ওই মামলার আসামি তোফা বর্মণকে থানা হাজতের একটি কক্ষে এবং অপর কক্ষে ছাত্রী এবং তার মাকে মেডিক্যাল পরীক্ষার নামে দুই দিন ধরে ‘বন্দি’ করে রেখেছে।
তানোর থানার অফিসার ইন চার্জ আবুল হাশেম দাবি করেন, ‘থানায় আনার পর তেমন নিরাপদ জায়গা না থাকায় ভিকটিমকে হাজতখানায় রাখা হয়েছে। নিরাপত্তার জন্যই তা করা হয়েছে। মেডিক্যাল পরীক্ষা হয়ে গেলেই তাকে ছেড়ে দেয়া হবে;’ কিন্তু মেডিক্যাল পরীক্ষার জন্য ভিকটিমকে থানা হাজতে ‘বন্দি’ রাখা হলেও তার মাকে কেন হাজতে বন্দি রাখা হয়েছে? স্থানীয় সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি ওসি।
