বরগুনা শহরে রবিবার পর্যন্ত দু’দিনে পাগলা কুকুরের কামড়ে পুলিশ ও ছাত্রসহ ২৭ জন আহত হয়েছে। রবিবার বরগুনার কাঁচাবাজার এলাকায় মোবাইল কোর্ট চলাকালীন সময়ে আবদুস সালাম নামের একজন পুলিশ কনস্টেবলকে পাগলা কুকুরে কামড় দিয়েছে। পাগলা কুকুরের কামড়ে অন্য আহতরা হলো- শিক্ষার্থী মেহিদী হাসান (৯), ঝর্ণা (১৫), রাব্বি (১০), রুবেল (১১), পথচারী ফোরকান (৫৫), আশিষ (২৭), সোলায়মান (২৫), আব্দুল মালেক (৪২), সোহেল (১৯), মমতাজ (৫৬), আব্দুল হক (৬০), কবির (৩৫), নজরুল (৩২), নুর মোহাম্মদ (৬৫), আব্দুল হাই (২৫), মো. নেছার (২০), আরিফ (১৮), নিজাম (৩৫), গোল চেহারা (৮০), লুত্ফর রহমান (৬৬) ও আলতাফ (৫০)। আহত ৮ জনের নাম জানা যায়নি। আহতদের চিকিত্সার জন্য বরগুনা পৌরসভা ও বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে কোন ভ্যাকসিন পাওয়া যাচ্ছে না। এ খবরে পুরো শহরজুড়ে বিরাজ করছে কুকুর আতঙ্ক। বিশেষ করে স্কুলগামী শিশুরা কুকুর আতঙ্ক নিয়ে প্রতিদিন স্কুলে যাওয়া-আসা করছে। তবে সহকারী কমিশনার (ভূমি) তরফদার সেহেল রহমান গাড়িচাপা দিয়ে পাগলা কুকুরটিকে মেরে ফেলেছেন বলে জানা গেছে। এদিকে বরগুনা পৌরসভাসহ জেনারেল হাসপাতালে জলাতঙ্ক রোগের ভ্যাকসিন সংকটের কারণে চরম ভোগান্তির মধ্যে রয়েছেন ভুক্তভোগী ও তাদের পরিবার।
বরগুনা পৌরসভার মেয়র মো. শাহাদাত হোসেন জানান, পাগল কুকুর নিধনের জন্য পৌরসভা থেকে একটি টিম ইতিমধ্যেই কাজ শুরু করছে। পৌরসভায় ভ্যাকসিন না থাকার বিষয়ে তিনি বলেন, ঢাকার মহাখালী থেকে লোক পাঠিয়ে ভ্যাকসিন আনতে হয়। সেখান থেকে একবারে ৫টির বেশি ভ্যাকসিন দেয়া হয় না। যাতে অনেক খরচ পড়ে যায়। এজন্য পৌরসভা থেকে প্রয়োজন অনুযায়ী ভ্যাকসিন সাপোর্ট দেয়া যাচ্ছে না।
