প্রধানমন্ত্রী সচিবালয়ে প্রবেশের ৫ মিনিট পরই জামায়াত-শিবির হামলা চালিয়েছে। সচিবালয়ের সামনে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিতের প্রটোকলের গাড়িতে হামলা চালানো হয়। এতে অর্থমন্ত্রীর দেহরক্ষী কনস্টেবল দেলোয়ার হোসেন গুরুতর আহত হয়েছেন। জামায়াত শিবির কর্মীরা সচিবালয়ের সামনে নবাব আব্দুল গনি রোডে ৩ সচিবের ৩টি গাড়ি ভাংচুর করেছে। অন্যদিকে, মতিঝিল এলাকা থেকে সকালে জামায়াত শিবির পরিকল্পিতভাবে পুলিশের ওপর হামলা চালায়। এ সময় পুলিশের একটি পিকআপ ভ্যান, স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদফতরের একটি মাইক্রোবাসসহ ৪টি গাড়ি জ্বালিয়ে দেয়া হয়। জামায়াত শিবির কর্মীরা মতিঝিলে বিআরটিসি বাসস্ট্যান্ড থেকে মিছিল বের করার পর পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। কর্মীরা ৮টি বিআরটিসি বাসসহ রাস্তায় শতাধিক গাড়ি ভাংচুর করে। পুলিশের টিয়ার সেল ও রাবার বুলেট নিক্ষেপের মুখে জামায়াত শিবির কর্মীরা মতিঝিল থেকে দৈনিক বাংলা মোড় হয়ে বায়তুল মোকাররম মসজিদের উত্তর গেট পর্যন্ত রাস্তায় ব্যাপক ভাংচুর চালায়। সকাল সোয়া ১০টা থেকে বেলা ১২টা পর্যন্ত মতিঝিল, দৈনিক বাংলা মোড়, বলাকা চত্বর, জিরো পয়েন্ট ও সচিবালয়ের সামনের এলাকা পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। এ সময় সংঘর্ষে ১৮ জন পুলিশ আহত হয়েছেন। আহত পুলিশ সদস্যদের ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল ও কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সংঘর্ষ চলাকালে পুলিশ ৫৫ জনকে আটক করেছেন। তবে আটককৃতদের সবাই জামায়াত শিবিরের কর্মী বলে পুলিশ দাবি করেছে। অন্যদিকে, চট্টগ্রামের বাঁশখালী, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, দিনাজপুর ও সাতক্ষীরায় পুলিশের সঙ্গে জামায়াত শিবিরের সংঘর্ষ হয়েছে। এসব ঘটনায় ২৪ জন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ জানায়, সকাল ১০টার দিকে মতিঝিল বিআরটিসি বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে হঠাত্ করেই জামায়াত শিবিরের প্রায় ২শ’ কর্মী শ্লোগান দিয়ে একটি মিছিল বের করে। মিছিলকারীরা রাস্তার সড়কদ্বীপের ছোট গাছ ভেঙ্গে লাঠি তৈরি করে নেয়। এ সময় তারা বিআরটিসি বাসস্ট্যান্ডে দাঁড়িয়ে থাকা ৮টি দোতলা বাসে হামলা চালায়। পুলিশ এ সময় বাধা দিলে মিছিলকারীরা ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়। এসময় মতিঝিল প্রধান সড়কের আশপাশের গলি থেকে আরো শতাধিক কর্মী কয়েকটি গ্রুপে ভাগ হয়ে জড়ো হয়। তারা স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদফতরের সামনে দাঁড়িয়ে থাকা একটি সরকারি মাইক্রোবাসে আগুন ধরিয়ে দেয়। পাশেই মতিঝিল থানার সামনে গলিমুখে দাঁড়িয়ে থাকা লিংক-টি টেকনোলজির পিকআপ ভ্যান জ্বালিয়ে দেয় হামলাকারীরা। তারা মতিঝিলে রাস্তায় প্রাইভেটকার ও মাইক্রোবাসে হামলা চালালে পুলিশ টিয়ার সেল ছোঁড়ে। পুলিশের ধাওয়ার মুখে হামলাকারীরা কয়েকটি গ্রুপে ভাগ হয়ে বিভিন্ন গলিতে ঢুকে পড়ে। এদের একটি গ্রুপ বলাকা চত্বরের সামনে দাঁড়িয়ে থাকা দুইটি পিকআপ ভ্যানে আগুন ধরিয়ে দেয়। এসময় আশপাশের লোকজন এসে আগুন নিভিয়ে ফেলে। আরেকটি গ্রুপ দৈনিক বাংলা মোড় হয়ে বায়তুল মোকাররম মসজিদের উত্তর গেট পর্যন্ত এসে ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়। এসময় পুলিশ জামায়াত শিবির কর্মীদের ওপর রাবার বুলেট ও টিয়ার সেল ছোঁড়ে। প্রত্যক্ষদর্শীদের একজন জানিয়েছেন, পুলিশের রাবার বুলেটে শিবিরের অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন। এদের মধ্যে একজন গুরুতর আহত হয়েছেন। তাকে শিবির কর্মীরাই চিকিত্সার জন্য অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে চিকিত্সা দিচ্ছেন। পুলিশ এই এলাকা থেকে জামায়াত শিবিরের ২১ জন কর্মীকে গ্রেফতার করেছে।
অন্যদিকে, সকাল ১০টা ১০ মিনিটে সচিবালয়ের ৩ নম্বর গেট দিয়ে প্রধানমন্ত্রী তার নিয়মিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে যোগদানের জন্য প্রবেশ করেন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, জিরো পয়েন্টে সকাল সোয়া ১০টার দিকে হঠাত্ করেই শতাধিক শিবির কর্মী শ্লোগান দিয়ে মিছিল বের করে। এসময় কর্তব্যরত ট্রাফিক সার্জেন্ট গোলাম সারোয়ার বাধা দেয়ার চেষ্টা করলে শিবির কর্মীরা তাকে নির্মমভাবে প্রহার করে। শিবির কর্মীরা নবাব আব্দুল গনি রোড দিয়ে সচিবালয়ের দিকে এগিয়ে যায়। এসময় তাদের হাতে লাঠি, হকিস্টিক ছাড়াও রামদা ছিল বলে কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শী জানিয়েছেন। শিবির কর্মীরা সচিবালয়ের ৩ নম্বর গেটের সামনে দাঁড়িয়ে থাকা অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিতের প্রটোকলের গাড়িতে হামলা চালায়। এসময় গাড়িতে বসে থাকা অর্থমন্ত্রীর গানম্যান কনস্টেবল দেলোয়ার বাধা দেয়ার চেষ্টা করলে তাকে মারধর করা হয়। গেটে নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত কনস্টেবল মনির হোসেন ও কনস্টেবল মাইনউদ্দিন শিবির কর্মীদের বাধা দিলে তাদেরও প্রহার করা হয়। শিবির কর্মীরা এসময় রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকা ৩টি জিপ গাড়ি ভাংচুর করে। এসব গাড়ি সচিবরা ব্যবহার করেন বলে জানা গেছে। পরে জিরো পয়েন্টের দিক থেকে পুলিশ ধাওয়া দিলে শিবির কর্মীরা পাশের ওসমানী উদ্যানে ঢুকে পালিয়ে যায়।
ঘটনার পরপর সচিবালয় ও মতিঝিল এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়। পুলিশের মতিঝিল বিভাগের উপ-কমিশনার আনোয়ার হোসেন জানান, পুলিশের ওপর জামায়াত শিবিরের হামলার ঘটনায় মতিঝিল, পল্টন, শাহবাগ ও শাজাহানপুর থানায় ৫৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। মতিঝিলে হামলা, গাড়ি ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় ৩টি মামলা প্রক্রিয়াধীন।
হামলার ঘটনায় আহত এএসআই লিটনকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। মতিঝিল থানার ওসি হায়াতুজ্জামান মোল্লা, অপারেশন অফিসার এসআই সাজ্জাদ হোসেন, গুলিস্তানের প্যাট্রোল ইন্সপেক্টর সানোয়ার হোসেন, অর্থমন্ত্রীর দেহরক্ষী কনস্টেবল দেলোয়ার, কনস্টেবল মোখলেসুর রহমান, নাজমুল, কিংকন সবুজ, শরিফুল ইসলাম, সারোয়ার, মিলন মোল্লা, বজলুর রহমানসহ ১৮ পুলিশ সদস্যকে রাজারবাগে কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। খবর পেয়ে পুলিশ সদস্যদের দেখতে যান অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত, পুলিশের আইজি হাসান মাহমুদ খন্দকার ও ডিএমপি কমিশনার বেনজীর আহমেদ।
বাঁশখালীতে পুলিশসহ আহত ৭০
বাঁশখালী (চট্টগ্রাম) সংবাদদাতা জানান, বাঁশখালী উপজেলার চাম্বল বাজারে জামায়াত শিবিরের সাথে পুলিশের ব্যাপক সংঘর্ষ ও গুলি বিনিময়ের ঘটনা ঘটেছে। এসময় দফায় দফায় সংঘর্ষ, রাবার বুলেট নিক্ষেপ ও গুলি বিনিময়ের ঘটনায় পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। গতকাল দুপুর ২টা থেকে শুরু হওয়া এই ভয়াবহ সংঘর্ষ সন্ধ্যায় এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত চলছিল। সংঘর্ষে ৯ পুুলিশসহ কমপক্ষে ৭০ ব্যক্তি আহত হয়েছেন। গুরুতর আহত এসআই আতাউর রহমান, এসআই নুরুল আলম, শিবির কর্মী মোবিনুল হক, এএসআই গোপী নাথ, কনেস্টবল আবুল কাসেম, আবদুল কাদের, আবদুস সত্তার, আবদুল হালিম, আহাবুল হক, শিবির কর্মী নুরুল হুদা, বস, নুরুল আমিন, ইব্রাহিম, আলমগীর ও তুহিনকে আশংকাজনক অবস্থায় চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এসময় ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ উপজেলা জামায়াতের আমির শেখেরখীল ইউপি চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ মাওলানা জহিরুল ইসলামসহ কমপক্ষে ২০ জনকে আটক করেছে। সন্ধ্যায় এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ৫ শতাধিক অতিরিক্ত পুলিশ ও র্যাব সদস্যদের সাথে জামায়াত শিবিরের গুলি বিনিময় ও সংঘর্ষ অব্যাহত ছিল। সংঘর্ষের কারণে গতকাল দুপুরের পর থেকে বাঁশখালী-চট্টগ্রাম সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ার পাশাপাশি দক্ষিণ বাঁশখালীর সর্ব বৃহত্ ব্যবসা-বাণিজ্য কেন্দ্র চাম্বল বাজারের সব দোকানপাট ও ব্যবসা কেন্দ্রও বন্ধ হয়ে যায়। বাঁশখালীর বিভিন্নস্থানে জামায়াত শিবির কর্মীরা বিক্ষোভ মিছিল বের করেছে।
পুলিশ জানায়, বাঁশখালী উপজেলার চাম্বল বাজারে জামায়াত শিবির কর্মীদের সঙ্গে পুলিশের হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এক পর্যায়ে জামায়াত শিবির কর্মীরা পুলিশ সদস্যদের একটি দোকানের ২য় তলায় নিয়ে বাইরে থেকে তালাবদ্ধ করে দেয়ার পাশাপাশি তাদের ব্যাপক মারধর করে। খবর পেয়ে অতিরিক্ত পুলিশ অবরুদ্ধ পুলিশ সদস্যদের উদ্ধার করতে গেলে পুলিশের সাথে জামায়াত শিবির কর্মীদের সংঘর্ষ ব্যাপক আকার ধারণ করে। উভয়পক্ষে গুলি বিনিময় ও সংঘর্ষের ঘটনায় পুলিশসহ কমপক্ষে ৭০ জন আহত হয়েছে।
রাজশাহীতে পুলিশসহ আহত ১৫
রাজশাহী অফিস জানায়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন বিনোদপুর বাজারে গতকাল সকালে পুলিশের সঙ্গে ছাত্রশিবির নেতাকর্মীদের ব্যাপক সংঘর্ষে এক ফটোসাংবাদিক ও তিন পুলিশসহ অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন। সকাল ১০টার দিকে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবিরের ৫০/৬০ নেতাকর্মী মিছিল বের করে। মিছিলটি বিশ্ববিদ্যালয়ের মেইন গেটে যাবার পথে বিনোদপুরের বিসমিল্লাহ টাওয়ারের কাছে পুলিশ বাধা দেয়। এসময় ছাত্রশিবির নেতাকর্মীরা পুলিশের উপর ইটপাটকেল নিক্ষেপ শুরু করলে পুলিশ পাল্টা লাঠিচার্জ করে। এ নিয়ে উভয়পক্ষে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও ব্যাপক সংঘর্ষ বেধে যায়। এসময় ছাত্রশিবির কর্মীরা ইটপাটকেল ছাড়াও ককটেল (হাতবোমা), হাতুড়ি, লোহার রড, প্যাট্রোল বোমা নিয়ে পুলিশের উপর হামলা চালায়। জবাবে পুলিশ রাবার বুলেট ও টিয়ারসেল নিক্ষেপ করে। নগরীর মতিহার থানার ওসি এস এম আবদুস সোবহান জানান, প্রায় ১৫ মিনিটের সংঘর্ষে ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীরা ১৫টি ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ৪৫ থেকে ৫০টি রাবার বুলেট ও টিয়ারগ্যাস সেল নিক্ষেপ করে। অতিরিক্ত পুলিশ ও র্যাব সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছালে ছাত্রশিবির কর্মীরা বিনোদপুর বাজারের বিভিন্ন গলিপথে পালিয়ে যায়। সংঘর্ষে তিন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ছাত্রশিবির কর্মী সন্দেহে ৫ জনকে আটক করেছেন।
দিনাজপুরে পুলিশসহ
৩৫ জন আহত
দিনাজপুর থেকে স্টাফ রিপোর্টার জানান, গতকাল সকাল ১০টায় দিনাজপুর শহরের মুন্সিপাড়া থেকে ইসলামী ছাত্রশিবিরের একটি মিছিল বের হয়। মিছিলটি বুটিবাবু মোড়ের সামনে এসে পৌঁছালে পুলিশ পিছন দিক থেকে বেধড়ক লাঠি চার্জ করে। এতে উভয়ের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। সংঘর্ষে এসআই মামুনসহ ৩ পুলিশ এবং শিবিরের ৩০ জন আহত হয়েছে। সংঘর্ষে পুলিশের ২টি ভ্যান ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এ ঘটনার পর পরই শহরে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং এলাকার দোকানপাট বন্ধ হয়ে যায়। শহরের বিভিন্ন পয়েন্টে দাঙ্গা পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
চট্টগ্রামে ৩ পুলিশ আহত
চট্টগ্রাম অফিস জানায়, নগরীর পুরাতন রেল স্টেশন এলাকায় ছাত্রশিবিরের একদল কর্মী গতকাল সকালে ঝটিকা মিছিল বের করলে পুলিশের প্রতিরোধের মুখে পড়ে। মিছিলকারীরা তেড়ে আসা পুলিশের দিকে ইট-পাটকেল ছুঁড়লে ৩ পুলিশ সদস্য সামান্য আহত হন। তবে শিবির কর্মীরা পুলিশের তাড়া খেয়ে দ্রুত পালিয়ে যায়।
সাতক্ষীরায় পুলিশসহ আহত ৬
সাতক্ষীর প্রতিনিধি জানান, সাতক্ষীরায় জামায়াত শিবিরের কেন্দ্রীয় নেতাদের মুক্তির দাবিতে বিক্ষোভকালে পুলিশের সাথে শিবির কর্মীদের ব্যাপক সংঘর্ষ হয়েছে। এতে ৬ পুলিশ সদস্যসহ ১০ জামায়াত শিবির নেতাকর্মী আহত হয়েছে। পুলিশ এ সময় ৩ জামায়াত শিবির কর্মীকে আটক করে।
এছাড়া যশোর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও সুনামগঞ্জে জামায়াত শিবির বিক্ষোভ মিছিল করেছে। সুনামগঞ্জে মিছিল থেকে ৩ শিবির কর্মীকে আটক করেছে পুলিশ।
