মহেশখালীতে যুবলীগ নেতাকে পিটিয়ে ও শ্বাসরোধে হত্যা

আপডেট : ২৯ জানুয়ারি ২০১৩, ২২:২৩
উপজেলা যুবলীগের সহ-সভাপতি আবু বকর ছিদ্দিককে (৩৪) রড দিয়ে পিটিয়ে ও শ্বাস-রোধ করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। গত সোমবার রাত ৮টায় কুতুবজোম ইউনিয়নের কালামিয়া বাজারে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। ধারণা করা হচ্ছে রাজনৈতিক কারণে কিংবা জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে তাকে হত্যা করা হতে পারে। এ ঘটনায় মৌলভী ফরিদ নামে এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, যুবলীগ নেতা আবু বকর ছিদ্দিককে মৌলভী ফরিদ সোমবার রাতে ফোন করে কুতুবজোমের কালামিয়া বাজারে নিয়ে আসেন। স্থানীয় আব্দুল্লাহ খানের চায়ের দোকানের পিছনে আবু বকরের সঙ্গে মৌলভী ফরিদ ও মৌলভী মোক্তার নামে দুই ব্যক্তি বসা ছিল। এ সময় লাল মোহাম্মদ সিকদার পাড়ার হাজী জালাল আহাম্মদ সওদাগরের সন্ত্রাসী ছেলে সালাউদ্দিনের নেতৃত্বে ৭-৮ জন বকরকে পেছন থেকে রড দিয়ে গলায় আঘাত করে। বকর মাটিতে পড়ে গেলে রড দিয়ে পিটিয়ে ও শ্বাসরোধ করে মৃত্যু নিশ্চিত করে পালিয়ে যায় তারা। সঙ্গে সঙ্গে তাকে মহেশখালী হাসপাতালে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিত্সক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। নিহত আবু বকর ছিদ্দিক মহেশখালী পৌর এলাকার পুটিবিলা দাসি মাঝিরপাড়া গ্রামের মৃত ছাদেক আলীর ছেলে। আবু বকর বিগত সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ প্রার্থী ড. আনসারুল করিমের পক্ষে কাজ করেন। পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী ছিলেন তিনি। বর্তমানে মহেশখালী আওয়ামী লীগে ড. আনসারুল করিম গ্রুপ ও মেয়র মকছুদ গ্রুপ তীব্র দলাদলিতে লিপ্ত। এর জের ধরে প্রতিপক্ষরা তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে থাকতে পারে বলে ধারণা করছে স্থানীয়রা। এ ঘটটনার পর এলাকায় তীব্র উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। বর্তমানে মহেশখালীর পরিস্থিতি থমথমে। ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। নিহত যুবলীগ নেতার নামাজে জানাযা গতকাল মঙ্গলবার বেলা ৩টায় অনুষ্ঠানের পর তাকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে।