যুদ্ধাপরাধের বিচার হলে জামায়াতের রাজনীতির কবর হবে :হানিফ

আপডেট : ৩০ জানুয়ারি ২০১৩, ২২:১৮
আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী মাহবুব-উল-আলম হানিফ বলেছেন, যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের রায় কার্যকর হলে জামায়াতের রাজনীতির কবর হবে। একই সঙ্গে বিএনপির রাজনীতি শূন্য হয়ে যাবে। এ জন্যই জামায়াত-বিএনপি মরিয়া হয়ে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার বানচালের জন্য সারাদেশে নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড চালাচ্ছে। নিজেদের অস্তিত্ব রক্ষায় মরণকামড় দিচ্ছে। গতকাল বুধবার দুপুরে বঙ্গবন্ধু এভিনিউস্থ কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। আগামী ৩ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর কামরাঙ্গীরচরে আওয়ামী লীগ সভানেত্রী এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জনসভাকে সফল এবং জামায়াত-শিবিরের নৈরাজ্যের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে এই বর্ধিত সভার আয়োজন করা হয়। সভায় জামায়াত-শিবিরকে ‘নির্মূল’ করতে হার্ডলাইনে যাওয়ার ঘোষণা দিয়ে ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ বলেন, যেখানে জামায়াত-শিবির সেখানেই প্রতিরোধ। অনেক সহ্য করেছি আর সহ্য করা যাবে না। জামায়াতকে কবর দিয়ে বাংলার মাটিকে আরেকবার মুক্ত করা হবে। বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে জামায়াতের সঙ্গ ছাড়ার আহবান জানিয়ে মাহবুব-উল-আলম হানিফ বলেন, যুদ্ধাপরাধী জামায়াতের সঙ্গ ছাড়ুন। বিচারকাজে সরকারকে সহায়তা করুন। আপনার অনুভূতি দেখে মনে হয় জামায়াত-শিবিরের তাণ্ডবে আপনি খুশি। কিন্তু দুই দুইবারের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে জনগণের রক্ষার দায়িত্বও আপনার আছে। যুদ্ধাপরাধীদের পক্ষ নিয়ে আপনি নিজেও যুদ্ধাপরাধীদের কাতারে শামিল হয়েছেন। চোরাগোপ্তা হামলা চালিয়ে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার বন্ধ করা যাবে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রতিটি পাড়া মহল্লায় নেতা-কর্মীদের জামায়াত-শিবিরের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ করতে হবে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মহীউদ্দীন খান আলমগীর বলেন, জামায়াত-শিবিরকে প্রতিরোধ করা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। রাষ্ট্রের নৈতিক দায়িত্ব। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, সাধারণ মানুষ যাতে ধরা না পড়ে সেদিকে খেয়াল রেখে পরজীবী জামায়াত-শিবিরকে সর্বাত্মক মোকাবেলা করতে হবে। ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এম এ আজিজের সভাপতিত্বে সভায় আরো বক্তব্য রাখেন ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোফজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া, সহ সভাপতি ফয়েজউদ্দীন মিয়া, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আওলাদ হোসেন, আইন প্রতিমন্ত্রী কামরুল ইসলাম প্রমুখ। এম এ আজিজ দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, প্রতিটি এলাকার অলিতে গলিতে খবর নিন জামায়াতের আস্তানা কোথায়। কারা তাদের অর্থ সরবরাহ করে তাদেরও খুঁজে বের করুন।