নির্বাচন কমিশনের (ইসি) বেঁধে দেয়া বর্ধিত সময়ের মধ্যে নতুন করে আরো ১১টি রাজনৈতিক দল নিবন্ধনের জন্য আবেদন করেছে। এর আগে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবেদন করেছিল ৩১টি রাজনৈতিক দল। ফলে দল নিবন্ধনে আবেদনকারী রাজনৈতিক দলের সংখ্যা দাঁড়াল ৪২-এ।
নতুন করে যে ১০টি দল আবেদন করেছে সেগুলো হলো— বাংলাদেশ হিন্দু লীগ, মুক্তিযোদ্ধা সমাজতান্ত্রিক ঐক্যফোরাম, বাংলাদেশ নেজামী ইসলামী পার্টি, বাংলাদেশের সাম্যবাদী দল (মার্ক্সবাদী-লেনিনবাদী), বাংলাদেশ গ্লোরিয়াস পার্টি (বিজিপি), বাংলাদেশ মাইনরিটি পার্টি, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (মাওবাদী), বাংলাদেশ রেডস্টার পার্টি, ডেমোক্রেটিক পিপলস পার্টি, কৃষক-শ্রমিক পার্টি, বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (ন্যাপ-ভাসানী)।
গত বছর ২৩ অক্টোবর নিবন্ধনে ইচ্ছুক দলগুলোর কাছ থেকে গণবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে আবেদন আহবান করে ইসি। ৩১ ডিসেম্বর ছিল আবেদনপত্র জমা দেয়ার শেষ সময়। সময় বৃদ্ধি করে ৩১ জানুয়ারি করে কমিশন। নতুন কয়েকটি দলের লিখিত আবেদন ও আদালতে রিট পিটিশনের পর ইসি সচিবালয়ের ‘নিবন্ধন যাচাই-বাছাই কমিটি’ সময় বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয়। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিবন্ধনের জন্য যে ৩১টি দল আবেদন করে সেগুলো হলোঃ বাংলাদেশ জালালী পার্টি, পিপলস্ ডেমোক্রেটিক পার্টি (বিপিডিপি), বাংলাদেশ মুসলিম লীগ, বাংলাদেশ নিউ সংসদ লীগ, ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি, বাংলাদেশ জাতীয় লীগ (বিজেএল), মুক্তিযোদ্ধা কমিউনিজম পার্টি, বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট ফ্রন্ট (বিএনএফ), বাংলাদেশ জাতীয় দল (বিজেডি), বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোট, গণঅধিকার পার্টি (পিআরপি), বাংলাদেশ গণসেবা আন্দোলন (বিজিএ), বাংলাদেশ জনতা দল, বাংলাদেশ প্রবাসী দল, বাংলাদেশ তৃণমূল লীগ, আঞ্জুমানে আল ইসলাম, গণতান্ত্রিক ইসলামিক মুভমেন্ট, মুক্ত রাজনৈতিক আন্দোলন (এমআরএ), জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা গণতান্ত্রিক ঐক্যফ্রন্ট, বাংলাদেশ ইসলামিক পার্টি (বিআইপি), জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম ও নেজামে ইসলাম পার্টি, বাংলাদেশ পিপলস লীগ (পিপলস্ লীগ), পাবলিক পার্টি, বাংলাদেশ জনগণতান্ত্রিক দল, মাতৃভূমি দল (মাভূদ), বাংলাদেশ গণঅধিকার দল, বাংলাদেশ লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (বিএলডিপি), বাংলাদেশ গণশক্তি দল, বাংলাদেশ বামফ্রন্ট, জনতা মহাজোট বাংলাদেশ ও সম্মিলিত গণতান্ত্রিক পার্টি (বাংলাদেশ)।
