ভবিষ্যত্

লালমাটিয়ার তরুণী যুগলের ভিসি অ্যাওয়ার্ড লাভ

আপডেট : ০১ ফেব্রুয়ারি ২০১৩, ১৬:০৮
শুধু লেখাপড়ায় নয়, খেলাধুলা ও সহশিক্ষামূলক কার্যক্রমেও এগিয়ে আছে লালমাটিয়া মহিলা মহাবিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। খুব পেছনের কথা নয়, ২০০৮ সালের অনার্স ফাইনালে (জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়) প্রথম স্থান অর্জনকারী শান্তা খানম ও জেসিকা রিনি গমেজ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক অত্যন্ত সম্মানজনক ভিসি অ্যাওয়ার্ড লাভ করেন। তারা এই কলেজেরই নিয়মিত ছাত্রী। শুধু এখানেই শেষ নয়, এদের অর্থনীতি বিভাগের আরেক শিক্ষার্থী উম্মে কুলসুম বিথী অনার্সে সারা দেশের মধ্যে প্রথম শ্রেণীতে প্রথম স্থান এবং মাস্টার্সেও প্রথম স্থান লাভ করেন। ২০০৮-এ উল্লিখিতরাসহ মোট ১৮ জন প্রথম শ্রেণী লাভ করে। এ জাতীয় অসংখ্য গৌরব গাঁথা রয়েছে এই কলেজের। ১৯৬৬ সালের শেষার্ধে মাত্র ২৫ জন ছাত্রী ও ৫ জন শিক্ষক নিয়ে প্রতিষ্ঠিত দেশের বৃহত্তম এই পোস্ট-গ্র্যাজুয়েট কলেজটি ঢাকার মেয়েদের উচ্চ শিক্ষা লাভের নির্ভরযোগ্য প্রতিষ্ঠান। যার বর্তমান ছাত্রী সংখ্যা ৪ হাজারের উপরে। আর দেশ সেরা এই বিদ্যাপীঠের গর্বিত উদ্যোক্তা তথা প্রতিষ্ঠাতা লালমাটিয়া হাউজিং সোসাইটি কর্তৃপক্ষ। প্রায় ৮ বিঘা জমির উপর প্রতিষ্ঠিত এই কলেজের রয়েছে সুরম্য একাডেমিক, প্রশাসনিক, আবাসিক ও লাইব্রেরি ভবন। এদের মতো বৃহত্তম মাঠ সংলগ্ন ক্যাম্পাস ঢাকা শহরে হাতেগোনা মাত্র! এদের দায়িত্বপ্রাপ্ত অধ্যাপক-অধ্যাপিকাগণ অত্যন্ত অভিজ্ঞ ও দক্ষ। এদের সুবিশাল গ্রন্থাগার ও বিজ্ঞান গবেষণাগারটি অসংখ্য পুস্তক ও সরঞ্জামাদি দ্বারা সুসজ্জিত। একই সাথে সহশিক্ষামূলক কার্যক্রম, খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে এই কলেজের শিক্ষার্থীদের রয়েছে অগ্রণী ও প্রশংসনীয় ভূমিকা। একই সাথে বছরান্তে রয়েছে দেশের বিভিন্ন দর্শনীয় স্থানে শিক্ষা সফরের সুযোগ। প্রতিষ্ঠানটি সম্পর্কে আরও জানতে যোগাযোগ করতে পারেন এই নম্বরে ৯১৩৬৯৩২, ০১৫৫৪৫৩০৪৫১। এই কলেজ থেকে বিভিন্ন বিষয়ে উচ্চ মাধ্যমিক ও স্নাতক এবং বাংলা, ইংরেজি, দর্শন, ইসলামিক স্ট্যাডিজ, সমাজবিজ্ঞান, সমাজকর্ম, রাষ্ট্রবিজ্ঞান, অর্থনীতি, হিসাববিজ্ঞান, ব্যবস্থাপনা, পদার্থ, রসায়ন, উদ্ভিদবিজ্ঞান, প্রাণীবিজ্ঞান, মনোবিজ্ঞান এবং ভূগোল ও পরিবেশ বিষয়ে মাস্টার্স ডিগ্রি গ্রহণের সুযোগ রয়েছে। এ ছাড়াও সম্প্রতি খোলা হয়েছে ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং সাবজেক্ট। এখানকার শিক্ষাব্যয় তুলনামূলক সীমিতই বলা চলে। তা ছাড়া গরিব ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য রয়েছে স্কলারশিপের মাধ্যমে অর্ধ বেতন ও বিনা বেতনে পড়ার সুযোগ। এ সম্পর্কে আরও জানতে যোগাযোগ করতে পারেন ঢাকার লালমাটিয়ায় অবস্থিত প্রতিষ্ঠানটিতে সরাসরি যেতে পারেন। নিজেদের ভিন্নতা ও বিশেষত্ব সম্পর্কে অধ্যক্ষ রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘আমাদের মূল বিশেষত্ব হচ্ছে, নিবেদিতপ্রাণ শিক্ষক। তাদের আন্তরিকতাপূর্ণ তত্ত্বাবধানে অপেক্ষাকৃত দুর্বল ছাত্রটিকে স্পেশাল কেয়ারে সামনের সারিতে নিয়ে এসে সবাইকে সমান তালে এগিয়ে নেওয়ার প্রাণন্তকর চেষ্টা আমরা অব্যাহত রাখি।’