পছন্দের কাতারে বিদেশি ডিগ্রি

আপডেট : ০১ ফেব্রুয়ারি ২০১৩, ১৬:০৯
চার্টার্ড সার্টিফাইড অ্যাকাউন্টেন্ট বা এসিসিএ হচ্ছে ব্রিটিশ সিএ ডিগ্রি। ক্যারিয়ার গড়ার ক্ষেত্রে প্রফেশনালদের কাছে বর্তমানে এ কোর্সের চাহিদা সবচেয়ে বেশি। এসিসিএ বা ব্রিটিশ কারিকুলামের সিএ’র রয়েছে পুরো বিশ্বজুড়ে গ্রহণযোগ্যতা। এ দেশে হাতেগোনা কিছু প্রতিষ্ঠান এই আন্তর্জাতিক প্রফেশনাল ডিগ্রি পরিচালনা করছে, যা সম্পন্ন করে অ্যাকাউন্টেন্ট প্রফেশনাল হওয়া যায়। এসিসিএ বর্তমানে বিশ্বের বৃহত্তম প্রফেশনাল অ্যাকাউন্টিং বডি। এটি ১৯০৪ সালে যুক্তরাজ্যে প্রতিষ্ঠিত হয়। বর্তমানে প্রায় ১৭৩টি দেশে এসিসিএ’র ৩ লক্ষ ৫০ হাজারের মতো ছাত্রছাত্রী ও প্রায় ১ লক্ষ ৩৫ হাজার সদস্য রয়েছে। ৮০টি দেশে এসিসিএ’র নিজস্ব অফিস রয়েছে এবং বাংলাদেশেও এসিসিএ অফিস খুলেছে। বাংলাদেশে এই কোর্সটি ব্রিটিশ কাউন্সিলে পরীক্ষা দেওয়ার মাধ্যমে সম্পন্ন করা যাচ্ছে। অনেকেরই হয়তো জানা নেই এমবিএ পড়তে হলে এইচএসসি পাসের পর বিবিএ’র জন্যে ৪ বছর স্নাতক ডিগ্রির পাসের পর এমবিএ’র জন্য ২-৩ বছর, অর্থাত্ প্রায় ৬-৭ বছর অপেক্ষা করতে হয়। কিন্তু এইচএসসি বা স্নাতক ডিগ্রির পর যেকোনো শিক্ষার্থী ৩-৪ বছরে আন্তর্জাতিক মানের চার্টার্ড সার্টিফাইড অ্যাকাউন্টেন্ট হতে পারে। একই সাথে পেতে পারে অক্সফোর্ড ব্রুকস ইউনিভার্সিটির অ্যাপ্লাইড অ্যাকাউন্টিংসে অনার্স ডিগ্রি। এর পরীক্ষা পদ্ধতি অনেক সহজ। এসিসিএ বিষয়ে ১০০ নম্বরে পরীক্ষার্থী ৫০ পেলেই পাস করে। এইচএসসি উত্তীর্ণের পর এত কম সময়ে এসিসিএ এবং অ্যাপ্লাইড অ্যাকাউন্টিংয়ে বিএসসি অনার্স অর্জন করা শিক্ষার্থীদের জন্য অবশ্যই একটি সুখবর। বছরে জুন ও ডিসেম্বরে দুইবার ব্রিটিশ কাউন্সিলে একসাথে একটি থেকে চারটি বিষয়ে পরীক্ষা দেওয়া যায়। তবে কম্পিউটারভিত্তিক পরীক্ষা বছরের যেকোনো সময় যেকোনো দিন হতে পারে। যদি কেউ একটি বিষয়ে ফেল করে তবে শুধু ওই বিষয়ে পরীক্ষা দিয়ে পাস করতে পারে। এফআইএ ফাউন্ডেশন ইন অ্যাকাউন্টেন্সি থেকে শিক্ষার্থীরা তাদের পূর্বের শিক্ষাগত যোগ্যতা এবং অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে চমত্কার কোর্স বেছে নিতে পারে। যারা একেবারেই এন্ট্রি লেভেল থেকে শুরু করতে চায় তাদের এফআইএ’র ইন্ট্রোডাক্টরি সার্টিফিকেট লেভেল থেকে শুরু করতে হবে। যাদের কিছুটা অ্যাকাউন্টিং ব্যাকগ্রাউন্ড আছে, তারা এফআইএ’র ইন্টারমিডিয়েট সার্টিফিকেট লেভেল থেকে শুরু করতে পারে। যাদের অ্যাকাউন্টিংয়ের বেসিক শক্তিশালী কিন্তু গ্র্যাজুয়েশন নেই তারা এফআইএ’র ডিপ্লে¬ামা লেভেল থেকে শুরু করতে পারে। যেকোনো শিক্ষার্থী ডিপ্লোমা লেভেল শেষ করে সরাসরি এসিসিএ’র স্কিল মডিউলে শিক্ষা গ্রহণ করতে পারে, তবে সেক্ষেত্রে সিএটি সার্টিফিকেট পাবে না। যেসব শিক্ষার্থী সিএটি সার্টিফিকেট নিতে চায় তাদের পূর্বের মতোই ৯টি বিষয় সম্পন্ন করতে হবে, যার মধ্যে এফআইএ’র ইন্ট্রোডাক্টরি সার্টিফিকেট, ইন্টারমিডিয়েট সার্টিফিকেট, ডিপ্লে¬ামা এবং আরও ২টি বিষয় সম্পৃক্ত আছে। যে কারও এইচএসসি বা ও-লেভেল করা থাকলে সিএটি (ক্যাট) করতে পারে। এটি পাস করার পর এসিসিএ’র তিনটি বিষয় এফ-১, এফ-২, এফ-৩ শেষ হয়ে যায় এবং সরাসরি এসিসিএ কোর্সে ভর্তি হতে পারে। অন্যদিকে এইচএসসি বা ও-লেভেল শেষে এফআইএ-তে ভর্তি হয়ে সিএটি সম্পন্ন করতে পারে। এ বিষয়ে আরও জানতে যোগাযোগ করতে পারেন এই নম্বরে ৮১৯১৬৬৩, ০১৭২০৫৫৩২৭৪। বাংলাদেশে প্রফেশনাল অ্যাকাউন্টিং ডিগ্রি পরিচালনায় সুনাম অর্জন করেছে চার্টার্ড ইউনিভার্সিটি কলেজ। কোয়ালিটি এডুকেশন ও পড়াশোনার চমত্কার পরিবেশ পর্যবেক্ষণ করে এসিসিএ কর্তৃপক্ষ এই কলেজকে অ্যাপ্রুভ লার্নিং পার্টনার হিসেবে গোল্ড অ্যাপ্রুভাল দিয়েছে। উন্নত শিক্ষার পাশাপাশি সিইউসি নিজস্ব সফটওয়্যারের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের কম্পিউটার বেজড পরীক্ষার প্র্যাকটিস করিয়ে থাকে। এ ছাড়া মেধাবীদের জন্যে রয়েছে স্কলারশিপের সুযোগ। এ নিয়ে বিস্তারিত জানতে যেতে পারেন এই ঠিকানায় :চার্টার্ড ইউনিভার্সিটি কলেজ, বাড়ি- ৫১, রোড ১০/এ, ধানমন্ডি, ঢাকা।ফলে শিক্ষার্থীরা ফাইনাল পরীক্ষায় ভালো ফল লাভ করে। এখানে কেবল সেই শিক্ষকরা ক্লাস নেন, যারা সিএটি বা এসিসিএ সফলভাবে উত্তীর্ণ হয়েছেন। তাই প্রফেশনাল অ্যাকাউন্টিংয়ের এই কোর্স করে গড়ে নেওয়া যেতে পারে আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার।