তারুণ্যের অন্যলোক

আপডেট : ০১ ফেব্রুয়ারি ২০১৩, ১৬:১২
প্রতিদিনের তারুণ্যময় জীবনে লাইফস্টাইল, ফ্যাশন আর নানা বিষয় নিয়ে তরুণদের জন্য এক আলাদা জগত্ শো না র গা ন দ্য রিভার পরিচালনা :জ্যঁ রেঁনোয়া অভিনয় :নোরা সুইনবার্ন, এসমুন্ড নাইট, আর্থার শিল্ডস, সুপ্রভা মুখার্জি, টমাস ই ব্রেন, পার্টিসিয়া ওয়ালটার্স ছবির কথা :হ্যারিয়েটে উচ্চ মধ্যবিত্ত ঘরের মেয়ে। তার বাবা গঙ্গার তীরে একটা পাটকল চালায়। তার আরও পাঁচ বোন আছে। একমাত্র ছোট্ট ভাইটি গোখরা সাপ আর সাপুড়ের বীণ নিয়ে ব্যস্ত থাকে। ভারতে থাকলে তাদের বাড়িতে বিশুদ্ধ পাশ্চাত্য পরিবেশ। তবু প্রাচ্য ও পাশ্চাত্য মিলিয়েই তারা বড় হতে থাকে। এদের নিয়ে এগিয়ে চলে সিনেমার কাহিনী। কেন দেখবেন :রিভার ছবিতে আমরা প্রকৃতি আর তার রঙ-রূপের বাহার দেখতে পাই। এটিই এ ছবির সবচেয়ে বড় গুণ। ---- প ড়া র ব ই ১১.২২.৬৩ লেখক :স্টিফেন কিং প্রকাশক :স্ক্রিবনার বইয়ের কথা :গল্পের নায়ক জ্যাক এপিং স্কুলে পড়ায়, পাড়ার বার্গার দোকানে সস্তা বার্গার খেতে গিয়ে রেস্টুরেন্ট মালিক অ্যালের সাথে হালকা পরিচয়। সেই স্বল্প পরিচিত অ্যাল তাকে ফোন করে অনুরোধ করে দেখা করার জন্য। অ্যাল তাকে জানায় তার দোকানের পিছনে একটা হোল আছে যা দিয়ে সে অতীতের পৃথিবীতে চলে যেতে পারে। তবে যেকোনো সময়ে না, ১৯৫৮ সালের সেপ্টেম্বর ৯ তারিখ, সকাল ১১টা ৫৮তে, স্থান :লিসবন ফলসে। তবে যতবার যাওয়া যাবে, প্রতিবার হবে নতুন একটা জার্নি। কেন দেখবেন :নিউইয়র্ক টাইমস বইটিকে বছরের সেরা ৫ বইয়ের তালিকায় অর্ন্তভুক্ত করেছে। --- ত থ্য ক ণি কা কান্তজির মন্দির কান্তজির মন্দির বা কান্তনগর মন্দির বাংলাদেশের দিনাজপুর শহর থেকে ২০ কিলোমিটার উত্তরে দিনাজপুর-তেঁতুলিয়া মহাসড়কের পশ্চিমে ঢেঁপা নদীর তীরে অবস্থিত একটি প্রাচীন মন্দির। এটি নবরত্ন মন্দির নামেও পরিচিত কারণ তিনতলাবিশিষ্ট এই মন্দিরের নয়টি চূড়া বা রত্ন ছিল। মন্দিরের উত্তর দিকের ভিত্তিবেদীর শিলালিপি থেকে জানা যায়, তত্কালীন দিনাজপুরের মহারাজা জমিদার প্রাণনাথ রায় তার শেষ বয়সে মন্দিরের নির্মাণ কাজ শুরু করেন। ১৭২২ খ্রিস্টাব্দে তার মৃত্যুর পরে তার শেষ ইচ্ছা অনুযায়ী তার পোষ্যপুত্র মহারাজা রামনাথ রায় ১৭৫২ খ্রিস্টাব্দে মন্দিরটির নির্মাণ কাজ শেষ করেন। শুরুতে মন্দিরের চূড়ায় উচ্চতা ছিল ৭০ ফুট। বাইরের দেয়ালজুড়ে পোড়ামাটির ফলকে লেখা রয়েছে রামায়ণ, মহাভারত এবং বিভিন্ন পৌরাণিক কাহিনী। পুরো মন্দিরে প্রায় ১৫,০০০-এর মতো টেরাকোটা টালি রয়েছে। --- ফ্যা শ ন ব্যাগ টিনএজটাতে কেন জানি জীবনটা একটু অগোছালোই ভালো লাগে। আর সবকিছুতেই যেন একটু স্টাইল থাকা চাই। এই যেমন কাঁধের ব্যাগটার কথা ধরা যাক। এই ব্যাগে একেক সময় চলে একেক রকম স্টাইল। টিনএজারদের জন্য এমনি একটি স্টাইলিশ ব্যাগ হচ্ছে ন্যাপস্যাক। ন্যাপস্যাক হচ্ছে খুব হালকা এক ধরনের ব্যাগ। কাপড় কিংবা চামড়া দুটো দিয়েই এই ব্যাগ তৈরি হতে পারে। এই ব্যাগের কোন আলাদা লক সিস্টেম থাকে না। শুধু দড়ি দিয়ে মুখটা পেঁচানো থাকে। যে কাপড়ের হোক না কেন ন্যাপস্যাকের দাম পড়বে ১০০ থেকে ৩০০ টাকার মতো। আর একটা কথা ন্যাপস্যাক যে ধরনের হোক এটা ছেলে বা মেয়ের জন্য আলাদা কোনো ডিজাইন বা স্টাইলে তৈরি করা হয় না।