দক্ষিণ চট্টগ্রামের ব্যস্ততম বাণিজ্যিক কেন্দ লোহাগাড়া বতটলী মোটর স্টেশন। পর্যটন নগরী কক্সবাজার যেতে এ স্টেশন অতিক্রম করতে হয়ে। তাই এ স্টেশনে সবসময় যানজট লেগেই থাকে। কারণ সবকিছু অপরিকল্পিত। প্রভাবশালী মহল দখল করে রেখেছে সওজর ১১ শতক জায়গা। ওই জায়গায় বাস টার্মিনাল হওয়ার কথা। এ ব্যাপারে পত্র-পত্রিকায় বহু লেখালেখি হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিরা সংশ্লিষ্ট দপ্তরে বহুবার অবহিতও করেছেন। ২০০৩ সালে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে লোহাগাড়া বাস টার্মিনাল নির্মাণের সম্ভাব্যতা যাচাই করতে যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ে চিঠিও পাঠানো হয়েছিল। এরপর বাস টার্মিনাল নির্মাণের ব্যাপারে কোনো তত্পরতা দেখা যায়নি। এদিকে রাস্তার ওপর যত্রতত্র পার্কিং প্রবণতা লক্ষণীয় ও সড়কের দু’পাশের ফুটপাত দখল করে রেখেছে হকাররা। লোহাগাড়া শহর উন্নয়ন কমিটি স্টেশন যানজটমুক্ত ও বেপরোয়া গাড়ি গতিরোধ করতে রাস্তার মাঝখানে অস্থায়ী ডিভাইডার দিয়েছিলেন। গতবছরের ৪ নভেম্বর যোগাযোগমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের কক্সবাজার যাত্রাপথে লোহাগাড়া স্টেশনে যানজটের কবলে পড়েন। ফুটপাত দখল করে অবৈধ দোকান ও যত্রতত্র গাড়ি পার্কিং দেখে মন্ত্রী হতবাক হন। থানা পুলিশকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ফুটপাতের অবৈধ দোকানমুক্ত ও নির্দিষ্ট স্থানে গাড়ি পার্কিং করার ব্যবস্থা করতে নির্দেশ দেন। যেমন নির্দেশ, তেমন কাজ। বাস্তবায়নও হয়েছিল। কিন্তু বেশিদিন স্থায়ী হয়নি। এখন অস্থায়ী ডিভাইডার নেই। পার্কিং হয় যত্রতত্র। ফুটপাত দখল করে গড়ে উঠেছে অবৈধ দোকান। এদিকে ডিভাইডার না থাকায় বেপরোয়া হয়ে উঠেছে গাড়িচালকরা। সংশ্লিষ্টরা নীরব। ব্যস্ততম এ বাণিজ্যিক কেন্দে যে কোনো সময় ঘটতে পারে মারাত্মক দুর্ঘটনা। এ ব্যাপারে মন্ত্রীর নির্দেশের পুনর্বাস্তবায়ন ও স্টেশনে অস্থায়ী ডিভাইডার স্থাপনের ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে বিনীত আবেদন জানাচ্ছি।
মারুফ খান,
লোহাগাড়া, চট্টগ্রাম
