কলমের জাদুতে তারা জয় করে নেন পাঠকের মন। তাদের সৃষ্টিশীলতার গুণেই দুই মলাটে বাঁধা অক্ষরগুলো জনপ্রিয়তা পায়। বইকে যদি জ্ঞানের উত্স বলা হয় তবে লেখকদেরকে অবশ্যই উেসর ধারক বলতে হবে। তারা ভাষা, বয়স, জাতের উর্ধ্বে উঠে সভ্যতায় জ্ঞানের আলো ছড়ান। বিশ্বের এমনই কিছু প্রতিভাবান লেখকদের নিয়ে আমাদের এ আয়োজন লিখেছেন প্রাঞ্জল সেলিম
জ না থ ন সা ফ রা ন ফো য়ে র
‘এভরিথিং ইজ ইলিমিনেটেড’ (২০০২), ‘এক্সট্রিমলি লাউড’ এবং ‘ইনক্রিডেবলি ক্লোজ’ (২০০৫) উপন্যাসগুলোর মাধ্যমে জনপ্রিয়তার শুরু জনাথনের। আমেরিকান ঔপন্যাসিক জনাথন নন-ফিকশন লিখতে বেশি পছন্দ করেন। ২০০৯ সালে ‘ইটিং অ্যানিমেলস’ নামের একটি উপন্যাস বের করেছিলেন। সেই উপন্যাসটিই তাকে নবজন্ম দেয় পাঠক মহলে। জনাথনের কাজ সব মহলেই বেশ জনপ্রিয়তা পায় তার লেখনিশক্তির জন্য। বর্তমানে তিন ক্রিয়েটিভ রাইটিংয়ের উপর শিক্ষা দান করছেন নিউ ইয়র্ক ্ইউনিভার্সিটিতে।
-----
ই য়া ন মা র্টে ল
প্রতিভাবান কানাডিয়ান লেখক ইয়ান মার্টেল ১৯৬৩ সালের ২৫ জুন জন্ম নেন। ‘ম্যান বুকার’ পুরস্কার পাওয়া উপন্যাসিক হিসেবে বেশ জনপ্রিয় তিনি। ‘লাইফ অব পাই’ নামের উপন্যাসটি তাকে এই পুরস্কার এনে দিয়েছিল। সম্প্রতি তার এই উপন্যাস অবলম্বনে ‘লাইফ অব পাই’ সিনেমা নির্মাণ করা হয়। উপন্যাস কিংবা বই লেখার ক্ষেত্রে তিনি ফ্রেঞ্চ ভাষাকেই প্রাধান্য দেন, তিনি মনে করেন ইংরেজিতে মনের ভাব যতটানা প্রকাশ করা সম্ভব তার থেকে বেশি সহজভাবে করা যায় ফ্রেঞ্চ ভাষায়। উল্লেখ্য, ২০০১ সালে তার চতুর্থ উপন্যাস, ‘লাইফ অব পাই’ প্রকাশ হয়।
----
ক্যা ম্প বে ল
ক্যাম্পবেল কলেজে থাকার সময় থেকে জার্নালিজম নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়েন। সাংবাদিকতার প্রতি তার অন্যরকম এক আকর্ষণ তৈরি হয়। তার প্রথম প্রকাশিত হওয়া কাজটি হলো, ‘ইন্টার সিটি ডিটিস’। এক লেখার প্রতিযোগিতার মধ্য দিয়ে তার লেখালেখির জগতে আসা। জন ক্যাম্পবেল, ডিরেক্টর অব কমিউনিকেশন ডিপার্টমেন্ট, প্রাইম মিনিস্টার টনি ব্লেয়ার (১৯৯৭ থেকে ২০০৩)-এর সব তথ্য নিয়ে লিখেছেন ‘দ্য ব্লেয়ারস ইয়ারস’। রাজনীতিবিদদের চোখে অনেক জনপ্রিয় একটি বই। তিনি প্রথম ব্লেয়ারকে নিয়ে লেখা শুরু করেন ১৯৯৪ সাল থেকে। ১৯৫৭ সালের ২৫ মে অ্যালাস্টার জন ক্যাম্পবেল যুক্তরাজ্যের ইয়র্কশায়ারে জন্মগ্রহণ করেন এবং সেখানেই তার বেড়ে ওঠা। তিনি যুক্তরাজ্যের এক স্কটিস স্কুলে পড়াশোনা করেন। পড়াশোনার পাশাপাশি তিনি খেলাধুলার প্রতিও আগ্রহী ছিলেন।
-----
ক্রি স আ দ্রি য়া ন
আমরিকান প্রতিভাবান লেখক চেরিস খুব ছোটবেলা থেকেই বন্ধু মহলে সুপরিচিত ছিলেন তার লেখার ক্ষমতার কারণে। তরুণ এই লেখকের উপন্যাসগুলো বেশিরভাগই হয় বাস্তবতাকে ঘিরে। বাস্তব জীবনের মাঝে তিনি ফ্যান্টাসি আনতে পছন্দ করেন। আর এই ধরনের কাজে তার দক্ষতাই তাকে জনপ্রিয়তার আসনে বসিয়েছে। তার বিখ্যাত কিছু উপন্যাসের মধ্যে, ‘গবস গ্রিফ’, ‘চিলড্রেন্স হসপিটাল’, ‘দ্য গ্রেট নাইট’ অন্যতম। ২০০৮ সালে তিনি ছোট গল্প লেখা শুরু করেছিলেন। সেগুলোও বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছিল। এ ছাড়াও ফিকশন লেখক হিসেবে তিনি, ২০০৯ সালে পুরস্কৃত হয়েছিলেন।
-----
লি
তার জন্ম ও বেড়ে ওঠা সাউথ কোরিয়ায়। পরবর্তীতে তিনি সপরিবারে আমেরিকাতে চলে আসেন। তিনি লেখালেখির জগতে ঢোকেন মার্ভেল কমিকসের মাধ্যমে। বলা যায় এ কমিকস লিখেই তার চলার শুরু। এই ব্যানারের ভেতর দিয়ে তিনি ‘আলফা ফ্লাইট’, ‘পানিসার ওয়ার’-এর মতো কমিকস নিয়ে কাজ করেছেন। তার লেখা বিখ্যাত কমিকসের মধ্যে রয়েছে স্পাইডারম্যান, ব্যাটম্যান প্রভৃতি। ‘সুপারম্যান টুমরো’ তার একটি জনপ্রিয় সিরিজ। এই সিরিজের মাধ্যমে তিনি অধিক জনপ্রিয়তা পেয়েছেন এবং সেই সাথে বিভিন্ন সময়ে বেশ কিছু বিখ্যাত সিনেমাতেও কাজ করেছেন। এসব সিনেমা তার লেখা কমিকসকে কেন্দ্র করেই। ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে তার কমিকস অনেক বেশি পরিচিত এবং পাঠক মহলেও তার খ্যাতি রয়েছে।
