প্রজন্ম সংবাদ

আপডেট : ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৩, ১৮:৫৮
রোবটেও এগিয়ে গেল বাংলাদেশ এই বছরেরই ৩ থেকে ৫ জানুয়ারি ভারতের মুম্বাইয়ে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক রোবটিকস চ্যালেঞ্জের রানার আপ হয়ে ফিরেছে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের বুয়েট ‘বুয়েট স্কাল’ দল। এই সাফল্য প্রযুক্তি ক্ষেত্রে বাংলাদেশের জন্য নতুন আশা। বিভিন্ন সময় আন্তর্জাতিক প্রোগ্রামিং কনটেস্টে অংশ নিয়ে বাংলাদেশের তরুণেরা তাদের দক্ষতার প্রমাণ রেখেছেন। এ ধারাবাহিকতারই অংশ এই প্রাপ্তি। এই প্রাপ্তি বহির্বিশ্বে বাংলাদেশের অর্জনের পাল্লাকেই যেন ভারী করল। প্রতিপক্ষ হিসেবে শ্রীলঙ্কার দলটি সহজ ছিল না। যোগ্য দল হিসেবেই তারা চ্যাম্পিয়ন হয়। সেমিফাইনালেও বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ ছিল শ্রীলঙ্কার আরেকটি দল। পাশাপাশি দুটি এরিনাতে ওয়ান ভার্সেস ওয়ান খেলা চলছে। তুমুল প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ খেলা। দুই দলে দুটি করে চারটি রোবট। নিজেদের এরিনার ভেতর নানা ধাঁধা সমাধান করে একটি ব্লক নিয়ে ফিনিশিং লাইনে পৌঁছাতে হবে। যে দলের রোবট আগে পৌঁছাতে পারবে, তারা হবে বিজয়ী। দুই দলের রোবটই ফিনিশিং লাইনের কাছাকাছি। দুই পক্ষেই টান টান উত্তেজনা। শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে ফাইনালে উঠল বাংলাদেশ। প্রযুক্তিতে বাংলাদেশের তরুণেরা বিশ্বকে দেখিয়ে দিলেন তাদের দক্ষতা। আন্তর্জাতিক রোবটিকস চ্যালেঞ্জে একে একে ফ্রান্স, মিসর, নেপাল ও শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে পৌঁছে গেল ফাইনালে। ফাইনালে শ্রীলঙ্কারই আরেকটি দলের সঙ্গে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ে অল্পের জন্য হেরে যায় বাংলাদেশ। বুয়েট দলের সদস্যরা হলেন জাহিদুল ইসলাম, মাহফুজুল ইসলাম ও আলিফ আহমেদ। দেশের বাইরে এত বড় একটি চ্যালেঞ্জে রানার আপ হওয়া কম গৌরবের নয়। উল্লেখ্য, এই দল এর আগে বিদায়ী বছরের নভেম্বরে বুয়েটে অনুষ্ঠিত আইইইই-বুয়েট আয়োজিত ‘আন্তর্জাতিক রোবটিকস চ্যালেঞ্জ, বাংলাদেশ-২০১২’ প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হয়। মুম্বাইয়ে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক রোবটিকস চ্যালেঞ্জে (আইআরসি) বাংলাদেশ থেকে আরও অংশ নেয় গাজীপুরের ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজির ‘আইসোমেট্রিক’ দল। লিঞ্চের কুকবুক স্টোর লিঞ্চের জন্ম ও বেড়ে ওঠা বোস্টন শহরের পূর্ব দিকের এক গ্রামে। তাকে আইরিস বলা যায়। তার শৈশবের স্মৃতিগুলো অন্য সব সাধারণ মানুষদের থেকে আলাদা কারণ তার প্রতিবেশীদের ভেতর বেশিরভাগই ছিল রাজনীতিবিদ ও মাফিয়া ডন। ক্যারিয়ারের শুরুটা তার অনেক ছোট বয়সেই। তিনি প্রথমবারের মতো কুকি অর্থাত্ বিস্কুট তৈরি করেন মাত্র ১৩ বছর বয়সে। তখন তিনি চার্চের ফাদারের জন্য এ কাজ করত এবং সেখান থেকে কিছু ইনকামও হতো। প্রায় ২ বছরের মতো তিনি চার্চের ফাদারের জন্য রান্না করেন। তার প্রিয় রান্না আইটেম ছিল সসেজ ও ওনিয়ন স্যুপ। রেস্টুরেন্ট নিয়ে ব্যবসা করবে এমন কোনো ইচ্ছাই তার ছিল না। বরং অন্যভাবে বলা যায়, তিনি কখনোই ভাবেননি তাকে রেস্টুরেন্টের ব্যবসায় নামতে হবে। কিন্তু বর্তমানে তিনি এই ব্যবসায় অন্যতম, নিঃসন্দেহে তা বলে দেওয়া যায়। ২০০৪ সাল, ক্যাটারিং সার্ভিসে কাজ শুরু করেন। এর ২ বছর পর, ২০০৬ সালে এসে তিনি তার নিজের জন্য একটি দোকান নেন। নাম দেন ‘কুকবুক স্টোর’। সেখানে খাবার পরিবেশনার পাশাপাশি রান্নার প্রশিক্ষণও দেওয়া হয়।