[ রা জ নী তি ]

অনিশ্চয়তার নৈরাজ্যে যোগ হয়েছে জামায়াতের তাণ্ডব

আপডেট : ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৩, ২১:৫৩
রাজনীতিতে অনিশ্চয়তাজনিত নৈরাজ্যের সাথে মিলেছে পরিকল্পিত সন্ত্রাস ও সহিংস তাণ্ডব। এ যেন বারুদের সাথে আগুনের ফুলকি এসে যুক্ত হওয়ার মতো ব্যাপার। এভাবে চলতে থাকলে বিপর্যয়কর বিস্ফোরণ ঘটাটা অনিবার্য হয়ে উঠবে। দেশকে যদি এ থেকে রক্ষা করতে হয় তবে জামায়াত-শিবিরের সহিংস তাণ্ডব শক্ত হাতে মোকাবিলা করতে হবে। একই সাথে ‘তত্ত্বাবধায়ক’ না ‘অন্তর্বর্তীকালীন’-কোন ধরনের সরকারের অধীনে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে, সে প্রশ্নে যে অচলাবস্থা সৃষ্টি হয়েছে তা কাটিয়ে উঠতে হবে। একদিকে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে মহাজোট এবং অন্যদিকে বিএনপির নেতৃত্বে ১৮ দলীয় জোট ‘গদির লড়াইয়ের’ প্রশ্নে আজ মুখোমুখি অবস্থানে। সাংবিধানিক নিয়মে বছরখানেকের মধ্যে জাতীয় নির্বাচনের মাধ্যমে, কার নেতৃত্বে আগামী সরকার গঠন করা হবে, সে বিষয়টি ফয়সালা করতে হবে। জোট ও মহাজোট উভয়ই ধরে বসে আছে যে, ক্ষমতায় যাওয়ার মতো সম্ভাব্য শক্তি হল তারা দু’পক্ষই। রাজনৈতিক গগনে তারা অর্থপূর্ণ বিবেচনার মানদণ্ডে একটি দ্বি-মেরুভিত্তিক ব্যবস্থা-কাঠামো গড়ে তুলতে সক্ষম হয়েছে। ক্ষমতার বিষয়টিকে তারা একান্তভাবেই এই দুই রাজনৈতিক মেরুকরণ, তথা তাদের মধ্যে নিরঙ্কুশভাবে কর্তৃত্ববান দু’টি দল আওয়ামী লীগ ও বিএনপির একচেটিয়া এক্তিয়ারের বিষয়ে পরিণত করে রেখেছে। রাষ্ট্র ক্ষমতার প্রশ্নে দ্বি-দলীয় কর্তৃত্বের বাইরে অন্য কোন রাজনৈতিক শক্তিকে তারা স্থান দিবে না। সে ধরনের সম্ভাবনা যাতে সৃষ্টি না হতে পারে, সেজন্য তারা ও তাদের পেছনের দেশি-বিদেশি মদতদাতা শোষককূল আগেভাগেই নানা কলাকৌশল ও ব্যবস্থা করে রেখেছে। দেশের বামপন্থি-প্রগতিশীল-সত্-উদার গণতন্ত্রী শক্তি যেন বিভক্ত থাকে এবং তারা যাতে প্রচারে ও প্রভাব বিস্তারে কোনভাবেই সামনে আসতে না পারে সে জন্য নানা পন্থায় নানা আয়োজন করে রাখা হয়েছে। দেশের রাজনীতিকে দ্বি-মেরুকরণভিত্তিক কাঠামোতে বেঁধে রাখার একটি পথ হলো, এমন কিছু ইস্যুকে ‘হাই-প্রোফাইল’ রাজনৈতিক ইস্যু হিসেবে সামনে নিয়ে আসা যাতে করে দেশবাসীর সামনে রাজনৈতিক অ্যাজেন্ডা সীমাবদ্ধ হয়ে থাকে তাদের নিজস্ব পরিমণ্ডলের মধ্যে। তাই দেখা গেল যে, আওয়ামী লীগ ও বিএনপি উভয়ই ‘তত্ত্বাবধায়ক’ না ‘অন্তর্বর্তীকালীন’, কী ধরনের সরকারের অধীনে আগামী নির্বাচন হবে, সে বিষয়টিকেই বিতর্কের মূল বিষয়ে পরিণত করে জনগণের দৃষ্টি সেই একটিমাত্র ইস্যুতে এখন কেন্দ্রীভূত করেছে। ‘বড়’ দল দু’টির বিবেচনায় এটিই হল দেশ ও জনগণের সামনে ‘প্রধান সমস্যা’; অন্য সবকিছু ‘গৌণ’। দ্রব্যমূল্য-বাড়িভাড়া-গাড়ি ভাড়া-জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি-সন্ত্রাস-চাঁদাবাজি-টেন্ডারবাজি-ভূমিদস্যুতা-বড় বড় লুটপাটের সব কেলেঙ্কারি-দেশের তেল-গ্যাস-প্রাকৃতিক সম্পদ পাচার-সাম্রাজ্যবাদী খবরদারি ইত্যাদি নিয়ে ভাববার বা মনোযোগ দেয়ার সময় তাদের তেমন নেই বলে মনে হয়। তাদের কাছে এ সবই ‘সেকেন্ডারি’ ও তুচ্ছ বিষয়। কিংবা এসব ইস্যুকে সামনে আনলে তাদের গণবিরোধী শোষণমূলক চরিত্র প্রকাশ হয়ে পড়বে, তা নিয়ে তাদের ভয়ের কারণে এগুলোকে তারা আড়াল করে রাখতে সবসময় সচেষ্ট। ভাবটা এমন যে, ‘আমরা’ ক্ষমতায় গেলে তো সব ঠিকঠাক করে দিব, তাই এতো কথা নিয়ে ‘তোমাদের’ ভাবতে হবে না! এমনকি, ‘তত্ত্বাবধায়ক সরকার’ না ‘অন্তর্বর্তী সরকার’— এ নিয়ে বিতর্ককে প্রধান করে সামনে নিয়ে আসলেও নির্বাচনকে অবাধ ও নিরপেক্ষ করার জন্য অন্যান্য যে সব অপরিহার্য কাজগুলো করা দরকার, সে সম্পর্কে তারা প্রায় একেবারেই নীরব। সংখ্যানুপাতিক প্রতিনিধিত্ব ব্যবস্থা চালু করাসহ নির্বাচন ব্যবস্থার আমূল সংস্কারের কথা, রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থা ও প্রশাসনের গণতান্ত্রিক বিকেন্দ্রীকরণের কথা—এসব নিয়ে তাদের মাথাব্যথা নেই। যা চলছে, সেভাবে চলতে থাকলেই তারা খুশি। এমনকি, নির্বাচনকে অবাধ ও নিরপেক্ষ করতে হলে সবচেয়ে আগে যে নির্বাচনী ব্যবস্থাকে টাকার খেলা, পেশিশক্তির দাপট, প্রশাসনিক কারসাজি ইত্যাদি থেকে মুক্ত করতে হবে—সে বিষয়েও তারা অর্থপূর্ণভাবে নীরব। এদেশে একবার ক্ষমতা পেলে কেউ আপসে ক্ষমতা ছাড়তে রাজি হয় না। আওয়ামী লীগও নানাভাবে বোঝানোর চেষ্টা করছে, আগামী আরো একটি টার্ম তাদের ক্ষমতায় থাকা কতোটা জরুরি। দ্বিতীয় টার্ম ক্ষমতায় থাকার জন্য তারা নানা কায়দা-কানুন করছে। সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী করে ‘তত্ত্বাবধায়ক সরকার’ ব্যবস্থা উঠিয়ে দিয়ে তারা নিজেদের অধীনেই নির্বাচন করার পদক্ষেপ নিয়েছে। শুরু থেকেই এর বিরোধিতা করছে বিএনপি। বিএনপি-কে বাদ রেখে নির্বাচন করতে পারলে আওয়ামী লীগের নিশ্চিত বিজয় হবে। বিএনপি-কে আরেক দফা ক্ষমতার বাইরে রাখতে পারলে সেই দলটি আর মাথা তুলে দাঁড়াতে পারবে না— আওয়ামী লীগ নেতৃত্ব সেই ‘তত্ত্ব’ নিয়ে এগুতে চাইছে বলে মনে হচ্ছে। সেই ওয়াকওভারের লোভনীয় ‘কৌশল’ থেকেও সে নিজেকে বিরত রাখতে পারছে না। কিন্তু আওয়ামী লীগ একথাও জানে যে, তা করতে গেলে ‘ওয়ান-ইলেভেন’ চলে আসতে পারে। গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের জন্য বিদেশি চাপও তারা এড়াতে পারছে না। তাই সম্প্রতি তারা ‘অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের’ কথা বলছেন। বিরোধী দল তা প্রত্যাখ্যান করেছে। বিএনপি নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অ্যাজেন্ডাতেই এখনো অনড় রয়েছে। কিন্তু সেই প্রশ্নে আওয়ামী লীগ এক চুলও ছাড় দিবে না বলে জানিয়ে দিয়েছে। এরই মধ্যে আবার সমঝোতার জন্য দুই দলের আলোচনায় বসার কথা উঠেছে। কিন্তু দুই দলের কেউই ‘বিজয় নিশ্চিত’ না জেনে আলোচনায় বসতে ইচ্ছুক না। ফলে মাঠের উত্তাপ বাড়বে এটাই স্বাভাবিক। একটা বিষয় খেয়াল করলে দেখা যাবে, সরকার ও বিরোধী দলের আগ্রহ এই ইস্যুটি নিয়েই বেশি। কারণ, এই ইস্যুটি সরাসরি আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট। যা আসলে ক্ষমতা দখলের চাবিকাঠি। ফলে ‘কেহ কারে নাহি ছাড়ে সমানে সমান’ ধরনের যে অবস্থা তৈরি হয়েছে সেটাই মূখ্যত অনিশ্চয়তাজনিত নৈরাজ্যের মূল কারণ। এই অবস্থা অব্যাহত থাকলে সংঘাত-হানাহানি-রক্তারক্তি অনিবার্য। গণতন্ত্রও বিপদাপন্ন হতে পারে। এরকম একটি অনিশ্চয়তাপূর্ণ নৈরাজ্যের পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে সাম্প্রদায়িক অপশক্তি তাদের অশুভ পরিকল্পনা নিয়ে এগিয়ে চলেছে। মহাজোট সরকার, হোঁচট খেতে হলেও অবশেষে, বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠন করে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার কাজ শুরু করেছে। ট্রাইব্যুনালে বিচার কার্যক্রম এগিয়ে চলেছে। একজনের ক্ষেত্রে মৃত্যুদণ্ডের রায় হয়েছে। অন্য অভিযুক্তদের বিচার প্রক্রিয়া রায় প্রদানের কাছাকাছি এগিয়ে এসেছে। অভিযুক্তরা প্রায় সবাই জামায়াতের শীর্ষ নেতা। ফলে জামায়াত এখন মরিয়া হয়ে বিচার প্রক্রিয়া বানচাল করে নেতাদের বাঁচাতে চেষ্টা করছে। গত নভেম্বর থেকে জামায়াত-শিবিরের প্রশিক্ষিত ক্যাডাররা পুলিশ, মন্ত্রীর গাড়ি বহর, রাষ্ট্রীয় সংস্থা প্রভৃতিকে বিশেষভাবে তাদের লক্ষ্যবস্তু করে সহিংস হামলা চালানো শুরু করেছে। সাথে সাথে সন্ত্রাসী তাণ্ডব চালিয়ে তারা জনগণকেও আক্রমণ করছে। এসবই হল রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে যুদ্ধাভিযান পরিচালনার মতো কাজ। জামায়াত-শিবির চক্র সবসময়ই সাম্রাজ্যবাদের মদত পেয়ে আসছে। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার নিয়েও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র নানা খেলায় মত্ত। যদিও মুখে তারা বলছে, তারা এই মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার চান, তবু এ নিয়েও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রয়েছে ‘ডাবল স্ট্যান্ডার্ড পলিসি’। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বলতে চায়, যুদ্ধাপরাধীদের দল জামায়াতে ইসলামী হচ্ছে ‘মডারেট ইসলামিক দল’। জামায়াতকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তার ‘ফরমায়েসি গণতন্ত্রের’ জন্য অপরিহার্য মনে করে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র-জামায়াত দহরম-মহরম অপ্রকাশ্য কিছু নয়। বাংলাদেশে তার নাক গলানোর জন্য যুক্তরাষ্ট্রের একটি অছিলা দরকার। বর্তমানে ইসলামি জঙ্গিবাদ হল তার জন্য সবচেয়ে ভালো অছিলা। জঙ্গিবাদবিরোধী অভিযানের অজুহাতে সে দেশে দেশে হস্তক্ষেপ, এমনকি সামরিক অভিযান চালাচ্ছে। একই অজুহাতে বাংলাদেশকেও সে কব্জা করে রেখেছে। এখন সে বাংলাদেশে প্রকাশ্যে এফবিআই-এর অফিস চালু করতে যাচ্ছে। এই অজুহাতকে জিইয়ে রাখার জন্য তার প্রয়োজন জঙ্গিবাদের একটি অনুগত উত্স। জামায়াত হল সে রকম একটি দল। সেই জামায়াত এখন একটু বেকায়দায়। এই দলের শীর্ষ নেতাদের বিরুদ্ধে ‘আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে’ বিচার কাজ শুরু হয়েছে। এই বিচার থেকে বাঁচার জন্য তারা এখন মরিয়া। জামায়াতও চাইবে আগামী দিনে রাজনৈতিক সঙ্কট বাড়ুক। অচলাবস্থা যত বাড়বে, ততই তাদের সুবিধা। জামায়াত নিজেদের অস্তিত্ব বাঁচিয়ে রাখতে এখন ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের সব আয়োজন সম্পন্ন করে ফেলেছে, মরণকামড় তাদের দিতেই হবে। তাই এজন্য তাদের দরকার অচলাবস্থার দিকে নিয়ে গিয়ে দেশে চরম নৈরাজ্য সৃষ্টি করা। রাজনৈতিক ধারাবাহিকতাকে ‘শর্ট-সার্কিট’ করার ব্যবস্থার দিকে নিয়ে যাওয়া। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র দেশি-বিদেশি শাসক গোষ্ঠীর হাতে এখন একসাথে অনেকগুলো কার্ড রয়েছে, যেগুলো কাজে লাগিয়ে তারা বাংলাদেশের রাজনৈতিক ঘটনাবলীকে প্রভাবিত ও পরিচালিত করার ক্ষমতা রাখে। তাদের সামনে দু’টি রাস্তা খোলা রয়েছে। একটি হল- তাদের অ্যাজেন্ডার বেশিরভাগ বাস্তবায়নে যে দল প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হবে, তাকে নির্বাচনের মাধ্যমে জিতিয়ে আনার ব্যবস্থা করা। সে জন্য নানা কলাকৌশলের আশ্রয় নেয়া। কিন্তু প্রত্যাশিত প্রতিশ্রুতি না পাওয়া গেলে বা পেলেও সংশ্লিষ্ট দলকে নির্বাচনে জিতিয়ে আনা অসম্ভব হলে তারা দ্বিতীয় পথের আশ্রয় নিতে পারে। সেটি হল—নির্বাচিত সরকারের ধারাবাহিকতা ছিন্ন করে ‘ওয়ান-ইলেভেন’ মার্কা একটি সরকারকে ক্ষমতায় নিয়ে আসার ব্যবস্থা করা। প্রথম পথ নিতে চাইলে তারা আওয়ামী লীগ ও বিএনপিকে শেষ পর্যন্ত সমঝোতায় আসতে বাধ্য করবে। কিন্তু তারা যদি দ্বিতীয় পথ গ্রহণ করার প্রয়োজন বোধ করে তাহলে তারা দল দু’টির মধ্যে বিরোধকে একটি অচলাবস্থার দিকে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করবে। বর্তমানে তারা সবগুলো কার্ড একসাথে খেলে চলেছে, যাতে উভয় অপশন খোলা থাকে। শেষ পর্যন্ত কোনদিকে তারা ঘটনাবলীকে নিয়ে যাবে তা এখনো নিশ্চিত করে বলার উপায় নেই। এটি বলা আরো কষ্টকর এ কারণে যে, দেশি-বিদেশি শাসক গোষ্ঠী সবাইকে ধোঁকা দেয়ার জন্য অনেক সময়ই ‘ডাইনে যেতে চাইলে বাঁয়ে সিগন্যাল দিয়ে পথ চলে’। চাপ দিয়ে কনসেশন আদায়ের জন্যও তারা অনেক সময় অনেক কৌশল নেয়। এই অবস্থার মধ্যেই জামায়াত-শিবির সহিংস সন্ত্রাসী তাণ্ডব চালিয়ে তার নিজস্ব অ্যাজেন্ডাকে এগিয়ে নিতে চেষ্টা করে যাচ্ছে। রাজনীতি সংঘাতের পথেই এগুচ্ছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত কোথাকার জল কোথায় গিয়ে গড়ায়, তা এখনি বলা যায় না। অনিশ্চয়তাই এখনো দেশের রাজনীতির একমাত্র নিশ্চিত বৈশিষ্ট্য হয়ে আছে। তার সাথে যুক্ত হয়েছে জামায়াত-শিবিরের সুপরিকল্পিত সন্ত্রাসী অভিযান। অনিশ্চয়তার সাথে যুক্ত হয়েছে সাম্প্রদায়িক জঙ্গি শক্তির সহিংস সন্ত্রাসী তাণ্ডবের উপাদান। পরিস্থিতি তাই বেশ বিপজ্জনক বৈ কি! লেখক : সভাপতি, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি; e-mail : [email protected]