এসএসসি পরীক্ষা

প্রথম দিনে ৪ শিক্ষক ও ৩৫ শিক্ষার্থী বহিষ্কার

আপডেট : ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৩, ২২:২৫
গতকাল রবিবার থেকে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয়েছে। দেশের ২ হাজার ৭৫৮টি কেন্দে একযোগে ১০টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এবারের পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে ১৩ লাখ ৩ হাজার ২০৩ জন শিক্ষার্থী। এর মধ্যে ৬ লাখ ৬৮ হাজার ২৬৮ জন ছাত্র এবং ৬ লাখ ৩৪ হাজার ৯৩৫ জন ছাত্রী। গতকাল বাংলা (আবশ্যিক) প্রথম পত্রের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। আগামীকাল মঙ্গলবার বাংলা (আবশ্যিক) দ্বিতীয় পত্রের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। পরীক্ষার প্রথম দিনে গতকাল ১০টি শিক্ষাবোর্ডে ৭ হাজার ৭২৩ জন পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিল। এছাড়া ৩৫ জন পরীক্ষার্থী এবং ৪ জন শিক্ষক বহিষ্কার হয়েছেন। শিক্ষামন্ত্রী নূরুল ইসলাম নাহিদ গতকাল ঢাকার আজিমপুর সরকারি গার্লস স্কুল এন্ড কলেজে এসএসসি পরীক্ষাকেন্দ্র পরিদর্শন করেন। এ সময় মন্ত্রী বলেন, এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা চলাকালে রাজনৈতিক দলগুলোর কর্মসূচি পালনে দায়িত্বশীল হওয়া উচিত। এ পরীক্ষার্থীরা দলমত নির্বিশেষে সবার সন্তান। তিনি নতুন প্রজন্মের গড়ে ওঠার ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতামূলক কোনো কর্মসূচি না দেয়ার জন্য রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি আহ্বান জানান। এ সময় স্থানীয় সংসদ সদস্য ডা. মোস্তফা জালাল মহীউদ্দিন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব এসএম গোলাম ফারুক, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক প্রফেসর ফাহিমা খাতুন, ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান প্রফেসর আবদুস সালাম হাওলাদার, কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর আবুল কাসেম, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান আবদুন নূর প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। অনুপস্থিত পরীক্ষার্থীর মধ্যে ঢাকা শিক্ষাবোর্ডে ১ হাজার ২১৪ জন, কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডে ৩৮৩ জন, যশোরে ২৯৯ জন। রাজশাহী বোর্ডে ৪৯৮ জন, চট্টগ্রামে ৩৪২ জন, সিলেটে ১২৪ জন, বরিশালে ১৭৪ জন, দিনাজপুরে ২২৮ জন। এছাড়া মাদ্রাসা শিক্ষাবোর্ডে ৩ হাজার ৮০১ জন এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে অনুষ্ঠিত পরীক্ষায় ৬৬০ জন পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিল। বহিষ্কৃত পরীক্ষার্থীর মধ্যে রাজশাহীতে ১ জন, চট্টগ্রামে ১ জন, মাদ্রাসা শিক্ষাবোর্ডে ২১ জন এবং কারিগরি শিক্ষাবোর্ডে ১৩ জন। এছাড়া কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডে ও মাদ্রাসা শিক্ষাবোর্ডে ২ জন করে শিক্ষক বহিষ্কার হয়েছেন। উল্লেখ্য, বাংলা দ্বিতীয় পত্র, ইংরেজি প্রথম ও দ্বিতীয় পত্র, গণিত ও উচ্চতর গণিত ছাড়া এবার সব বিষয়ের পরীক্ষা হবে সৃজনশীল প্রশ্নে। ৫ মার্চ তত্ত্বীয় পরীক্ষা শেষে ৬ থেকে ১২ মার্চ পর্যন্ত ব্যবহারিক পরীক্ষা হবে।