তাম্রলিপির প্রকাশক এ কে এম তারিকুল ইসলাম রনি নতুন প্রজন্মের প্রকাশক। মেলায় অংশ নিচ্ছেন গত পাঁচ বছর ধরে। বৈচিত্র্যপূর্ণ বই প্রকাশ করে এরই মধ্যে পাঠকদের নজর কেড়েছেন। দৈনিক ইত্তেফাকের সঙ্গে আলাপচারিতায় তিনি বলেন, এবার মেলা শুরু থেকেই জমে উঠেছে। ধুলা নেই, ছিমছাম পরিবেশ। এছাড়া প্রকাশকদের মেলা হওয়ায় পাঠকদের পাইরেটেড বই কিনতে হচ্ছে না। রনি জানান, প্রচুর নতুন লেখক আসছেন, তবে তা বিষয়ভিত্তিক লেখক। যেমন বিজ্ঞান, গণিত প্রভৃতি বিষয়ে অনেক ভাল লেখক উঠে আসছেন।
রনি বলেন, বইমেলার পরিসর বৃদ্ধির বিকল্প নেই। প্রতিবছরই প্রকাশকের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। তাই সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে মেলাকে সম্প্রসারিত করা হলে তা ভালোই হবে। আমরা তরুণ প্রজন্মের প্রকাশকরা সবাই যেকোন বই প্রকাশের আগে লেখকদের সঙ্গে চুক্তি করে নিই। এতে দুপক্ষেরই আস্থা থাকে। এছাড়া পরবর্তী সময়ে একজন লেখকের রয়্যালিটির অর্থও আমরা নিয়মিত পরিশোধ করার চেষ্টা করি। স্বচ্ছ থাকার চেষ্টা করি। এতে প্রকাশনা ব্যবস্থা আধুনিক ও জবাবদিহিমূলক হয়ে উঠছে। লেখকদের বঞ্চিত করে বই প্রকাশ করা প্রকাশকের সংখ্যা খুব কম। কিন্তু তারাই পুরো প্রকাশনা ব্যবস্থাকে কলুষিত করে তোলে, আস্থাহীন করে তোলে। এবার নানা ধরনের প্রায় ৪০টি গ্রন্থ প্রকাশ করছে তাম্রলিপি। এর মধ্যে রয়েছে মুহম্মদ জাফর ইকবালের ইস্টিশন, আনিসুল হকের দখিন হাওয়ার দক্ষিণ বারান্দা, রকিব হাসানেরও ৪টি গ্রন্থ প্রকাশ করবে তাম্রলিপি। এছাড়া কম্পিউটার বিষয়ক ‘আউটসোর্সিং’ বইটিও পাঠকদের নজর কাড়বে বলে জানান রনি।
