বাঁশখালীর মাদ্রাসায় পুলিশের অভিযান

আপডেট : ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৩, ২১:১৩
গত কয়েকদিন ধরে কয়েকটি পত্রিকা ও অনলাইনে “বাঁশখালীতে মাদ্রাসা ছাত্রীকে শিক্ষক-শিক্ষিকার নির্যাতন” ও বাঁশখালীর জলদী মাদ্রাসার পরিচালক ও তার পুত্র-কন্যাদের নানা অপকর্ম শীর্ষক সংবাদ প্রকাশিত হলে পুলিশ প্রশাসনসহ সর্বত্র তোলপাড় শুরু হয়। গত বুধবার পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বাঁশখালী থানায় ফোন করে নির্যাতিতা মাদ্রাসা ছাত্রী নুরতাজ বেগম ও জলদী মখজনুল উলুম মাদ্রাসার ব্যাপারে খোঁজ খবর নিতে নির্দেশ দিলে বাঁশখালী থানার (ওসি) আবদুস সবুর ও ওসি (তদন্ত) মোহাম্মদ শাহজাহান খানের নেতৃত্বে বিপুল সংখ্যক পুলিশ বাঁশখালী থানা থেকে ১ কিলোমিটার দূরের জলদী মখজনুল উলুম মাদ্রাসায় অভিযান চালায়। এসময় অভিযুক্ত ছাত্রী নির্যাতনকারী শিক্ষক পরিচালক মাওলানা আবদুস সোবহানের ছেলে মৌলভী আবদুর রহমান ও তার বোন শিক্ষিকা হাবিবা বেগম অভিযানের খবর জানতে পেরে পালিয়ে যায়। এসময় পুলিশ মাদ্রাসা পরিচালক মাওলানা আবদুস সোবহানের কাছে ঘটনা জানতে চাইলে তিনি বরাবরের মত অসুস্থ অজু হাতে তার পুলিশের সাথে কোন কথা বলেননি। এসময় শত শত বিক্ষুব্ধ জনতা মাদ্রাসার নানা অনিয়ম ও পরিচালক মাওলানা আবদুস সোবহানের দুর্নীতির চিত্র পুলিশের কাছে তুলে ধরেও তার অপসারণ দাবি করে। বাঁশখালী থানার (ওসি) আবদুস সবুর জানান, পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের সত্যতা মিলেছে। অভিযুক্তদের গ্রেফতার না করা পর্যন্ত পুলিশের অভিযান চলবে।