বাংলাদেশে সম্প্রতি প্রফেশনাল গ্লোবাল কোর্স এসিসিএ, সিএটি, এফআইএ যথেষ্ট চাহিদাসম্পন্ন ডিগ্রিতে পরিণত হয়েছে। আর এই কোর্স পরিচালনায় সবচেয়ে বেশি শিক্ষার্থী এবং সফলতা রয়েছে চার্টার্ড ইউনিভার্সিটি কলেজের। দীর্ঘ সময় ধরে এই কোর্স পরিচালনার সাথে বিশেষ করে সাফল্যের জন্যই ক্রমান্বয়ে বেড়েছে এদের ক্যাম্পস ও শিক্ষার্থীর সংখ্যা। এখান থেকে বের হয়ে শিক্ষার্থীরা দেশ-বিদেশে চাকরিসহ উচ্চশিক্ষায় সম্পৃক্ত রয়েছে। এই কলেজ তাদের বারো বছর পূর্তি উপলক্ষে সীমিত সময়ের জন্য এই কোর্সে ডিগ্রি অর্জনের ক্ষেত্রে দিচ্ছে বিশেষ স্কলারশিপ সুবিধা। এই স্কলারশিপের সুবিধা পাবে এখন যেসব স্টুডেন্ট ভর্তি হবে তারা সবাই। যার অন্তর্ভুক্ত রয়েছে ইনিশিয়াল রেজিস্ট্রেশন ফি এবং প্রথম বছরের অ্যানুয়াল সাবস্ক্রিপশন ফি যা তাদের দিতে হবে না। এসিসিএ এবং সিএটি দুটিই প্রফেশনাল কোর্স, এসিসিএ-সিপিএ, সিএ, সিএমএ প্রভৃতির সমমানের। এটি জাতিসংঘ স্বীকৃত এবং ইন্টারন্যাশনাল ফেডারেশন অব অ্যাকাউন্টেন্টসের মেম্বার। বর্তমানে এর এক লাখ চল্লিশ হাজার মেম্বার এবং চার লাখ চার হাজার শিক্ষার্থীকে ৮৩টি এসিসিএ-এর নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ১৭০টি দেশে ফিন্যান্স এবং অ্যাকাউন্টিংয়ের উপর সম্মানজনক ক্যারিয়ার গঠনে সহযোগিতা করে যাচ্ছে। এটি আন্তর্জাতিক ডিগ্রি যে কারণে পুরো বিশ্বজুড়েই শিক্ষার্থীর কর্মক্ষেত্র বিদ্যমান থাকে। এসিসিএ কোর্সটি সিএ, আইসিএমএ, সিআইএমএ, সিপিএ প্রভৃতির মতো সমমানের। সিএ এবং এসিসিএর মধ্যে মূল পার্থক্য হলো সিএ স্থানীয় কারিকুলাম আর এসিসিএ হচ্ছে ব্রিটিশ কারিকুলাম। এসিসিএ একমাত্র কোর্স, যা যেকোনো পর্যায়ে ইংল্যান্ডসহ ১৭৩টি দেশে ১০০% ক্রেডিট ট্রান্সফার করা যায়। এই বিষয়ে আরও জানতে যোগাযোগ করতে পারেন এই ঠিকানায় :বাড়ি-৫১, রোড-১০/এ, ধানমন্ডি, ঢাকা। এসএসসি, এইচএসসি পাস শিক্ষার্থীরা সিএটি কোর্সে ভর্তি হতে পারে। সিএটি হচ্ছে অ্যাকাউন্টিং কোয়ালিফিকেশন যেখানে অ্যাকাউন্টিংয়ের বেসিক থেকে শেখানো হয়। এটি করার পর দ্রুত এসিসিএ কোর্সে ভর্তি হওয়া যায়। অন্যদিকে এইচএসসি বা ও লেভেল শেষে এফআইএ-তে ভর্তি হয়ে সিএটি সম্পন্ন করতে পারে। আবার এ-লেভেল বা যেকোনো বিভাগ থেকে ব্যাচেলর ডিগ্রি করা থাকলে সরাসরি এসিসিএ ক্লাসে ভর্তি হওয়া যায়। তবে কারও অনার্স, মাস্টার্স, সিএ, আইসিএমএ কোয়ালিফিকেশন থাকলে ৯টি বিষয় পর্যন্ত অব্যাহতি পেতে পারে। এ নিয়ে আরও জানতে সরাসরি কথা বলতে পারেন ৮১৪১৬০১, ০১৭২০৫৫৩২৭৮ এই নম্বরগুলোতে।
এসিসিএ-তে একসাথে একটি থেকে চারটি বিষয়ের উপর পরীক্ষা দেওয়া যায়। এর পরীক্ষা পদ্ধতি সহজ। কোনো শিক্ষার্থী চার বিষয়ের মধ্যে এক বিষয় ফেল করলে এক বিষয়ে পরীক্ষা দিতে হয়। বাংলাদেশে এই কোর্সটি ব্রিটিশ কাউন্সিলে পরীক্ষা দেওয়ার মাধ্যমে সম্পন্ন করা যাচ্ছে। পরীক্ষা বছরে জুন এবং ডিসেম্বরে অনুষ্ঠিত হয়। তবে কম্পিউটার বেসড পরীক্ষা বছরের যেকোনো সময় হতে পারে। ব্রিটিশ কাউন্সিল চার্টার্ড ইউনিভার্সিটি কলেজের সিবি ব্যাচের শিক্ষার্থীদের পৃথকভাবে পরীক্ষার ব্যবস্থা করে আসছে। ক্যারিয়ার গড়ার কোর্সটি করে অ্যাকাউন্টিংয়ে বহুজাতিক কোম্পানি বা কর্পোরেট অফিসে উচ্চ বেতনে বিশেষ করে চিফ ফিন্যান্স অফিসার, অডিটর, আন্তর্জাতিক অ্যাকাউন্টিং ফার্মে পার্টনার, ফিন্যান্স ডিরেক্টর, সিনিয়র ইন্টারনেল অডিটর, বিজনেস অ্যাডভাইসর প্রভৃতি পদে চাকরি করতে পারে। এই ডিগ্রি অর্জনের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় সুবিধা রয়েছে চার্টার্ড ইউনিভার্সিটি কলেজে। এ ছাড়া সিইউসি পরিচালিত প্রাইম ইউনিভার্সিটির ধানমন্ডি ক্যাম্পাসে চার্টার্ড ইউনিভার্সিটি কলেজের শিক্ষার্থীরা ভর্তি ও ক্রেডিট ট্রান্সফারের ক্ষেত্রে পাবে বিশেষ সুবিধা।
