তরুণকণ্ঠ নিয়ে মতামত
প্রকাশে সাহায্য নিতে
পারেন জনপ্রিয়
ওয়েবসাইট
ফেসবুকের।
তরুণকণ্ঠের বন্ধু হতে
লগ ইন করুন www. face book. com /torun. kontho
প্রতিদিনের
তারুণ্যময় জীবনে লাইফস্টাইল, ফ্যাশন আর নানা বিষয় নিয়ে তরুণদের জন্য এক আলাদা জগত্
প ড়া র ব ই
ওদের জানিয়ে দাও
লেখক :শাহরিয়ার কবির
বইয়ের কথা :সময়কাল ১৯৭৪। অস্থির এক সময়। দুর্ভিক্ষ তখন দেশের পথে-ঘাটে। রাজু, জাফর আর দীপু। এই তিনজনের উপর দায়িত্ব পড়েছে শ্রেণীশক্র খতমের। তারপরেই বসে দলের গোপন বৈঠক। বিষয় রাজু আর জাফররা খতম লাইন মানতে চাচ্ছেন না। তারা ভাবতে শুরু করছে যে এতে বিপ্লব হবে না। যে কৃষকের জন্য খতম, সেই কৃষক কিন্তু সচেতন না। এই নিয়ে দলে শুরু হয়েছে দ্বন্দ্ব।
রফিক দলের মূল নেতা। রহস্যে এগিয়ে যায় কাহিনী।
কেন পড়বেন :এটি কাল্পনিক উপন্যাস নয়। ঘটনার কেন্দ্রবিন্দুতে বসে লেখা। কেবল ছদ্মনাম ব্যবহার করা হয়েছে।
দে খা র ছ বি
চোরাবালি
পরিচালক :রেদওয়ান রনি
অভিনয়ে :ইন্দ্রনীল সেনগুপ্ত, জয়া আহসান, শহিদুজ্জামান সেলিম প্রমুখ।
ছবির কথা :গাড়ি চালাচ্ছেন ইন্দ্রনীল। পেছনের সিটে দড়িবাঁধা জয়া। গডফাদার সেলিম চিন্তিত। কোথায় সুমন! সাংবাদিক নবনীকে নিয়ে কেন আসছে না! আলী ওসমানের রাজনীবিদ হওয়ার আহ্লাদ কি তবে শিকেয় চড়বে? এই সূত্র ধরেই গল্প এগোয়।
কেন দেখবেন :পুরো ছবির রাশ কখনও নিজের হাতের মুঠো থেকে ছাড়েননি রেদওয়ান। নাটকের ভাষা থেকে সেলুলয়েডের ভাষাকে আলাদা করার ব্যাকরণ চিত্রগ্রাহকের জানা ছিল, বোঝাই যায়।
ত থ্য ক ণি কা
বাংলা একাডেমি
ভাষা আন্দোলনের চেতনায় ঋদ্ধ বাংলা একাডেমী বাংলাদেশের শিল্প-সাহিত্য ও সংস্কৃতি বিষয়ক গবেষণাধর্মী এক অনন্য জাতীয় প্রতিষ্ঠান। বাংলা একাডেমী প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৫৫ সালের ৩ ডিসেম্বর। এদিন ‘বর্ধমান হাউস’-এর সম্মুখস্থ বটতলায় উদ্বোধন-অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। পূর্ববাংলার তদানীন্তন মুখ্যমন্ত্রী আবু হোসেন সরকার ‘উদ্বোধন-ভাষণ’ পাঠ করেন। পূর্ববাংলার তদানীন্তন শিক্ষামন্ত্রী আশরাফ উদ্দীন আহমদ চৌধুরীও অনুষ্ঠানে ভাষণ প্রদান করেন। বাংলা একাডেমী ১৯৬০ সালে প্রচলনের পর থেকে গত অর্ধশতক ধরে বাংলা সাহিত্যের সবচেয়ে সম্মানজনক পুরস্কার ‘বাংলা একাডেমী সাহিত্য পুরস্কার’ প্রদান করে আসছে।
স ফ ল দে র স্ব প্ন গাঁ থা
মানিক বন্দোপাধ্যায়
বাংলা সাহিত্যে এক বিস্ময়কর প্রতিভা, অনন্য কথাশিল্পী। তার লেখায় মানবপ্রেম, সামাজিক অঙ্গীকারবোধ এবং শ্রেণী দৃষ্টিভঙ্গি সুস্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে। লেখক জীবনের শুরুতে তার মধ্যে ফ্রয়েডীয় রেখাপাত দেখা গেলেও অচিরেই তিনি তা কাটিয়ে ওঠেন। নিছক শিল্পের জন্য শিল্প নয়, তিনি বিশ্বাসী ছিলেন মানুষের জন্য শিল্প বা জীবনের জন্য শিল্প অভিধায়। তিনি জন্মেছিলেন ১৯০৮ সালের ১৯ মে সাঁওতাল পরগনার দুমকা শহরে এবং মারা যান ১৯৫৬ সালের ৩ ডিসেম্বর কলকাতায়। তার সাড়ে ৪৮ বছরের স্বল্পায়ু জীবনে তিনি সাহিত্যচর্চা করেছেন ৩২ বছর।
