সারিয়াকান্দিতে ২ হাজার মিটার বাঁধ ভাঙ্গা, শংকিত কৃষক

আপডেট : ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৩, ২০:১৪
সারিয়াকান্দির তালুকদার পাড়ায় গত বছর ভেঙ্গে যাওয়া বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ পুর্ননির্মাণ না করায় বন্যায় বোরো ও আমন ফসলের ব্যাপক ক্ষতির আশংকা করা হচ্ছে। গত বছর সেপ্টেম্বর মাসে এখানকার ২ হাজার মিটার বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ যমুনার গর্ভে বিলীন হয়। ওই সময় নদী ও বাঁধ ভেঙ্গে চন্দনবাইশা বাজার, কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও গ্রাম বিলীন হলে ৩ হাজার পরিবার গৃহহীন হয় । একই সময় বন্যায় সারিয়াকান্দি, সোনাতলা, ধুনট, গাবতলী, শাহজাহানপুর ও শেরপুর উপজেলার ২২ হাজার হেক্টর জমির রোপা আমন ও অন্যান্য ফসল তলিয়ে বিনষ্ট হওয়ায় কৃষকের কোটি কোটি টাকার ক্ষতি হয়। চলতি বছর ভাঙ্গা এলাকায় বিকল্প বাঁধ নির্মাণ না করায় কৃষক হতাশ। এমনিতেই গত বছরের ক্ষতি পুষিয়ে উঠতে পারেনি কৃষক। এরপর দফায় দফায় জ্বালানি তেল, বিদ্যুত্, সার ও কামলা খরচ বৃদ্ধি পেয়েছে। এমতাবস্থায় ধার- দেনা করে আবাদ করে মাঠের ফসল ঘরে তুলতে না পারলে ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীন হবে কৃষক। কুতুবপুর গ্রামের মোজাম প্রামানিক, মান্নান মিয়া ও আকমল হক জানান, গত বছর বাঁধ ভেঙ্গে তাদের ৭০ বিঘা জমির ফসল নষ্ট হয়। এখনো সেই ক্ষতি পুষিয়ে উঠতে পারেনি। বাঁধ না হলে বোরো -আমন মৌসুমে আবার ফসল তলিয়ে বিনষ্ট হবে কি না তানিয়ে তারা চিন্তিত। এব্যাপরে পানি উন্নয়ন বোর্ড বগুড়ার নির্বাহী প্রকৌশলী নুরুল ইসলাম সরকার জানান, বাঁধ নির্মাণের জন্য ইতিমধ্যে ৪টি গ্রুপে দরপত্র আহবান করা হয়েছে। এখন অর্থ বরাদ্দ পাওয়ার উপর নির্ভর করছে আমরা বাঁধ করতে পারবো কিনা।